বিবেক জাগ্রত হলো
ফুরফুরে মেজাজে আইনজীবী নির্মাল্য সাহা। আজ রায় বেরোবার দিন।
একটা ধর্ষণ, খুন মামলায় ধর্ষকের হয়ে লড়েছেন। নেতার ছেলে।
তাঁর প্রশ্নের বাণে বিপক্ষের উকিল এঁটে উঠতে পারেননি।
দুঁদে আইনজীবী, জানেন জিত তাঁর নিশ্চিত।
এমন সময় স্ত্রী বনানী এসে বললো, খবর শুনেছো? মেয়ের বন্ধু শর্মিষ্ঠা নাকি গতকাল সন্ধ্যে থেকে নিখোঁজ ছিল। আজ ভোরবেলায় নগ্ন অবস্থায় হাইড্রেনের পাশে মৃত পাওয়া গেছে। মনে হয় ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।
নির্মাল্যর বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠলো।
তাঁরও তো মেয়ে আছে। টিউশন থেকে রাতবিরেতে একা ফেরে মাঝে মধ্যেই।
বিবেক জাগ্ৰত হলো তাঁর।
এ আমি কি করছি! টাকার বিনিময়ে একজন ধর্ষককে বাঁচাচ্ছি!
তৎক্ষণাৎ জর্জসাহেবকে সত্যিটা ফোনে জানালেন।
