নাচে ঘুঙুর তালে তালে হাজার রোশনি মাঝে,
জলসাঘরের কাঁচের দেয়াল অনেক চিত্র ধরে,
ঘাগড়া দুলছে ঘুরে ঘুরে নাচের তালে তালে
বাহা বাহা স্তাবকতা নেশার মুখে করে।
উড়ছে টাকা মুঠো মুঠো হাওয়ার তালে তালে
কান্না থামবে জঠর জ্বালার ওষ্ঠ ওঠে হেসে,
দুধের শিশুর ক্রন্দনরোলে মাতার মুক্তি কোথায়
গানের সুরে মাতাও বাইজি, কান্না বায়ে ভেসে।
ঘরের বাতাস ভীষণ ভারী নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট
ছুটির আর্জি নাকচ হলো আশঙ্কায় বুক কাঁপে,
জ্বরের ঘোরে প্রলাপ বকা জলপট্টিতে থাকে,
বিদ্রোহে ঠোঁট দুটি নড়ে বিড়বিড় শব্দের চাপে।
শ্রান্ত ক্লান্ত দেহের টানে ছুটে মন যায় আগে
নেতিয়ে যে ছেলের দেহ তুলে কোলে ছোটে,
হাসপাতালের দরজায় টোকা ভর্তি নাওগো ওকে,
রুদ্ধ স্বরে ধমকায় ডাক্তার, কয়েক ঘন্টা মোটে।
পেটের খিদে বড় খিদে অন্যায় কোথায় প্রভু
দু মুঠো চাল পাবার তরে নর্তকীর সাজ সাজে,
ভালো স্কুলে পড়বে ছেলে জজ ব্যারিস্টার হবে
শান্তি থাকে পেলে টাকা বিজয় ঘন্টা বাজে।
