তোমাকে কী লিখব’ ঠাকুর !
একদিন বুনেছিলে অন্তরে শান্তির বীজ –
ভেঙ্গে গড়ে আমাদের দিয়েছিলে মনে শক্তি
সর্বঘটে জলে মিশে আছ’ তুমি
ভবনে ভূবনে সাগরে প্রলয়ে
মল্লভূমি- তেও তুমি বিভাকর,
শ্মশানে মশানে, দুঃখ -দৈন্যে ,আনন্দ-উল্লাসে
তুমিই আমাদের কান্ডারী ,
ভূবন ডাঙ্গার বাতাস গায় গুণ গুণ বরাভয়
আছড়ে পড়ে ঢেউয়ে আমাদের কানাগলি-
ফুলের পরে যেমন করে মধু খায় অলি
তোমার সঙ্গীত উজ্জ্বল নিহারিকা যেন,
হৃদয় আকীর্ণ এই পরিব্যাপ্ত পৃথিবীর
আমরা পৌঁছে যাই ‘মহামানবের সাগর তীরে’
বৌদ্ধিক বাতাস ভাসে ভূবন ডাঙ্গার মাঠ
কিন্তু আজ ,পৃথিবীর বড় উত্তপ্ত সংকট
পুড়ে যাচ্ছে ভাষা-ধর্ম-বর্ণ পুড়ে যাচ্ছে সব,
জ্বলে গীতবিতানের পাতা জৈষ্ঠের দুপুরে-
একখণ্ড সজল মেঘের আশায় চেয়ে আছে ধরণি
ঠাকুর, তুমিই ধুয়ে দাও আমাদের ঐ কলুষিত অন্তর…
