সাত পাকেতে ঘুরে খাচ্ছি সাতটি ঘাটের পানি,
বিয়ের পরে এমন দশা হবে কি আর জানি?
বড়লোকের কন্যা সে যে কাজ জানেনা কিছু,
সকাল হলেই বেড টি নিয়ে দাঁড়াই শিয়র পিছু।
উঠবেন উনি বেলা করে ধীরে হেলে দুলে,
কাজের কথা শুনলে রেগে বাড়ি মাথায় তুলে।
বলবে কেঁদে বাপের বাড়ি ছিলাম যত্নে ভালো,
তোমায় বিয়ে করে হলো কপাল মন্দ কালো।
নেই রাঁধুনী, থাকা খাওয়া ঝিয়ের কোনো টিকি,
পারবো না গো করতে রান্না আসিনি তো শিখি।
মিষ্টি সুরে বলবে আজ হোম ডেলিভারি খাবো,
নয়তো চলো ভালো কোনো রেষ্টুরেন্টে যাবো।
দিন পেরিয়ে নতুন প্রভাত আসে নিয়ম মত,
নাকের জলে চোখের জলে হচ্ছি নাকাল শত।
খেটেখুটে চাকরিতে যাই সংসারের দায় মাথে,
নিষ্ঠুর মতি বধূ এমন নেইকো হেলদোল তাতে।
যখন তখন বিউটি পার্লার যাওয়া আছে লেগে,
সেজেগুজে নাইট ক্লাবে কাটায় রাত্রি জেগে।
বুদ্ধি তুখোড় ফাঁকে তালে কাজ করিয়ে নিতে,
ঘাটের মরা হয়ে আমি থাকি জোগান দিতে।
আর পারিনা দেবো ডিভোর্স ঠিক করেছি মনে,
সুখ বিসর্জন গেছে আমার বিয়ের তিথি সনে।
ছিলাম ভালো আনলাম ঘরে পটিয়সী রানি,
সাত পাকেতে ঘুরে এখন টানছি ভূতের ঘানি।
