তোমার মেঘমন্দ্রিত ডাকে সাড়া না পেলে,
কি করে বলো দিন থেকে রাত্রি কাটে!
এই সামান্য কথাটি কতো রকম ভাবে,
তোমাকে বলতে আর বোঝাতে চেয়েছি!
তুমি তখন সংযমী হবার মন্ত্রে দীক্ষা দিলে।
বললে হোক না কথা কম বলা,
কিংবা সাড়া না পাওয়া!
আমি তো রয়েছি ভিতরে,বাহিরে,
যেমন করে কৃষ্ণ কোত্থাও না থেকেও,
রাধার অন্তরে নীল যাপন করে।
তাই তো তোমায় সুর্যার্ঘ্য দিয়ে,
সুর্যমুখীর মতো পরিস্ফুটিত হয়েছি।
অস্ফুট স্বরে বলতে চেয়েছি
লাল সুতোর ধাগায় অপেক্ষার ব্রত পালন যে আমারও আছে।
আকন্দ ফুলের মালা গেঁথে,
চন্দন বেলপাতা সহযোগে পুজো করেছি।
পাখিরাও নিশ্চিন্তে আশ্রয় খোঁজে,
বট বৃক্ষের ছায়ামাখা কোলে!
শুধু মানুষই পায় না কোথাও মনের আশ্রয়!
প্রিয় মানুষটির কাছে আশ্রয়ের প্রশ্রয়!
প্রথম পরিচয়ে কি বলেছিলে,
তোমার মনে কি পড়ে?
হয়তো সবই গেছো ভুলে!
বলেছিলে,”যা গেছে তা যাক চলে’।
পরস্পরের আন্তরিকতায়,
আমরা নীল মেঘে আপনজন হয়েছি।
তবুও তুমি মেঘে লেখা স্মৃতির জলে মেঘ হাতড়াও,
মেঘ বালিকা তখন উড়ে চলেছে উড়ো মেঘের দলে।
অতীত আর ভবিষ্যতের মাঝে আমি দাঁড়িয়ে আছি,
গাছের মতো ভালোবেসে।।
