তোমার আসার আশায় দু’চার শীতের
শস্যহীন ফসলের জ্বর তো নস্যি ,
এগারো রিখটার কাঁপুনিতে এক চুলও নড়বো না
কথা দিলাম ও আমার পরমা আনন্দধাত্রী ।
ধৈর্যের ধমনী বেয়ে ভেসে যাক শবরীর স্রোত ।
সম্পূর্ণ সমর্পণের আগে নিজেকে যোগ্য করার যজ্ঞে
কয়েক জাতক জন্ম আহূতি দিতেও রাজী ।
প্রতিদিনের মূল্যহীন মৃত্যুর চেয়ে
শ্রীরাধার বিরহ টানের মতো পূর্ণ ভালোবাসার
আশ্চর্য স্বাদ নিয়ে চলে যেতে চাই ।
হে আমার আরাধ্যা আনন্দদায়িনী ,
আমাকে প্রস্তুতির পাল খাটানোর সময় দেবে তো !
জানি তুমি স্বয়ং যুদ্ধ শোকে
ভুগে ভুগে খাঁ খাঁ কঙ্কাল ।
তোমার শুকনো তিতাসের খিদে
ভরে উঠুক সুখ স্মৃতির বাদল বদরে ।
তোমার অশেষ আরোগ্য না হলে
আমার শীষের আনন্দ স্বপ্ন জিইয়ে রাখবে কে !
