কালের চাকা ঘূর্ণায়মান যে আলোক আঁধার পথে,
জীবন ধারাও সেই আবর্তে ঘোরে ভাগ্যের রথে।
যুগ যুগ ধরে চক্রের ন্যায় চলছে কালের গতি,
ভূত-বর্তমান- ভবিষ্যৎ কালের নিয়ম রীতি।
কাল আবর্তে যুগ বিবর্ত শাশ্বত প্রথা কত,
সত্য, ত্রেতা ও দ্বাপর গিয়ে আজ কলি শাসন রত।
সৃষ্টি- স্থিতি- লয়, কাল প্রবাহে আজও বিদ্যমান,
স্রষ্টা চালিত কাল আবর্ত চলছে আবহমান।
কিছু পাওয়া ও দেওয়া নিয়েই জীবনযাত্রা পালা,
উদয়- অস্ত অর্কের ন্যায় সময় প্রবাহে চলা।
পৃথ্বী যেমন আপন খেয়ালে চক্রাকারেতে ঘোরে,
সভ্যতারও গতি তেমনিই ঘূর্ণিত চরাচরে।
সৃষ্টিকর্তা জীবজগৎ কে মায়ায় মোহিত রাখে,
চক্রনেমির মাঝে পড়ে জীব মোহাচ্ছন্ন থাকে।
মায়ার খেলাই কালের চক্র অনাদি প্রবাহমান,
মোহাবিষ্ট সমাজ সভ্যতা কালে আবর্তমান।
ঝরনার ন্যায় প্রবাহিত কাল আর তো না ফিরে আসে,
সময়ের কাজ সময়ে না করলে পন্ড যে বিলাসে।
কালের প্রবাহ এগিয়ে চলে যে অতীতকে ফেলে রোজ,
নিজ তালে মেতে অনন্ত পথে ঠিকানার নেই খোঁজ।
নিয়ত কালের ঘূর্ণনে জীবনেও হয় বদল,
শিশু থেকে ক্রমে বার্ধক্য যে কাল বিবর্ত ফল।
বিধির বিধানে নিরবধি চলে কালচক্রের খেলা,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে, পলে অণুপলে জীবনধারন বেলা।
