সকাল থেকে বৃষ্টি আহা! একটু স্বস্তি, বাপি খুশিতে চিৎকার করে ডাকে নয়না হবে নাকি পকোড়া চা, কিন্তু সাড়া শব্দ নেই, কোথায় রান্নাঘর থেকে সুর ভেসে আসবে “এমন বরষা ছিল সেদিন”।
না উঠতে হচ্ছে কি হলো মেমসাহেবের!
একি, নয়নার চোখে জল কেন? কি হলো তোমার, কাঁদছ কেন? আজ ফুঁপিয়ে বাবার বাৎসরিক মনে ছিল না। সেদিন ও এরকম বৃষ্টি ছিল তোমার মনে আছে। হু মনে নেই আবার, কি দুর্যোগ, গড়িয়ার শ্মশানে কাছে বলে নিয়ে গেলাম। তা ১১ বছর হলো বলো।
থাক তাহলে পকোড়া চা বাদ যাক। না না ; দিচ্ছি করে, আসলে বাবাও তো বৃষ্টির দিনে এরকম খেতে চাইতো।
কেন ছবিটা মুছতে গেলাম, আর নীচে লেখা তারিখ দেখতে পেলাম। তাইতো কেঁদে ফেললাম। সাংসারিক কাজের চাপে মনেও পড়ে না। তোমরা ফাদারস ডে তে সবাই যে মনে করো, ঠিক করো। তাদের স্মরণে দুটো চোখের জল ফেলতে পারি।
কেঁদো না, ছেলে মেয়ে দেখতে পারলে কেঁদে ভাসাবে। শক্ত হও,। ঠিক বলেছো। বাবা তুমি যেখানে আছো ভালো থেকো।
