“ইচ্ছে ঘুড়ি বাঁধন ছিঁড়ে আপন মনে ভাসে,
খেয়াল মত খোলা হাওয়া দিচ্ছে দোলা কাশে”।
উড়তে উড়তে নেচে বেড়ায় চাঁদের বাড়ির দেশে,
ঠাকুরমাকে খুশি করে গীতি ছন্দের রেশে।
ইচ্ছে ঘুড়ি মন কেমনের বাহন হয়ে আসে,
পেঁজা তুলোয় আকাশ ভরা শরৎ কালীন মাসে।
প্রতি ঘরে উঁকি মারে সুসংবাদটি নিতে,
জামা কাপড় দিচ্ছে নতুন খবর পৌঁছে দিতে।
বস্তিবাসী বেজায় খুশি দৌড়ে সবাই যাবে,
কুপন হাতে সারি দিয়ে নতুন বস্ত্র পাবে।
বিকেল বেলায় খোলা মাঠে ওড়াবে যে ঘুড়ি,
কতরকম রঙিন কাগজ লাগায় লেজে জুড়ি।
উড়তে উড়তে সুদূর পানে পাড়ি দেবে যদি,
আঁতকে ওঠে পথের মাঝে আছে বিশাল নদী।
ওড়ার সময় ভোকাট্টা হয় সুতো জড়ায় গাছে,
বিপদ কাটে খোকন সোনার হাতে পড়ল পাছে।
উড়বে আবার ফরফর করে হাওয়ার তালে তালে,
কাশের মাঠে তখন দোলা রুপোর প্রভা জ্বালে।
পুজোর ঘন্টা বাজবে জোরে ঢাকের বাদ্য রবে,
সপরিবার দুর্গা মাতা পুজোর তরে ভবে।
