হারামজাদা চোরেরা! তোমাদের রক্ত চাই!
অপরাজনীতি তোমাদের কালো দাঁত—গরিবের গলা ছিঁড়ে!
আমাদের ছেলের লাশ রাস্তায় পচে, তোমরা পেট ভরে হাসো!
“জনতার জন্য”? থুথু তোমাদের মুখে—লুটের থলি হাতে!
ভোট কিনে দাস বানাও, স্বপ্ন মেরে বিকাশ বেচো!
তোমাদের সুটে আমাদের রক্তের দাগ—পোড়াই তোমাদের জীবন্ত!
ক্ষুধায় আমরা মরি, তোমরা পার্টিতে নাচো—মরো গুলিতে, কুত্তার বাচ্চারা!
আমি বিদ্রোহী—হাতে লাঠি, চোখে আগুন, রক্তে বিষ!
রাজপথে দাঁড়াই: “নামো! মরো! তোমাদের মাথা কাটব!”
সংসদ পুড়িয়ে ছাই—আগুন ছুঁড়ব তোমাদের গায়ে!
পতাকা ছিঁড়ে গলায় বেঁধে ঝুলাব—চোরের লাশ রাস্তায়!
ব্যাঙ্ক লুট করে দেব গরিবের হাতে—তোমাদের ধন ছাই!
নেতাদের বাড়ি ভেঙে, মেয়েদের ধর্ষণ করে—তোমাদের যা করেছ!
ভোট নয়—রক্ত! বিপ্লব! উঠো, ভাঙো, পোড়াও!
জনতার আগুন জ্বালাও—সব চোর পুড়ে যাক!
অপরাজনীতি তোমাদের মায়ের যোনির বিষ!
শিক্ষা লুটে, হাসপাতাল বেচে, ছেলেদের গুলি করে!
বিকাশ? বিষ! তোমাদের সব মুখে থুথু—মুখে লাঠি মারব!
আমরা উঠব—হাজার লাঠি, লক্ষ আগুন নিয়ে ছুটব!
সংসদে ঢুকে তোমাদের গলা কেটে রক্ত পান করব!
আইন ছিঁড়ে, সংবিধান লিখব আমাদের রক্তে—জনতার রাজ!
কোনো চোর বাঁচবে না—সবাই মরবে, ছাই হবে!
ভয় পাও, কুত্তার বাচ্চারা—বিদ্রোহের ঝড় এলো!
গরিবের রক্ত আগুন—অজেয়, অমর, রক্তাক্ত!
অপরাজনীতি মরবে—আমরা জিতব রক্তে, আগুনে!
তোমাদের লাশে নতুন দুনিয়া গড়ব—ক্ষুধার্তদের রাজ্য!
চিৎকার করো! লড়ো! মারো! জিতো!
জয় জনতার! জয় বিপ্লবের! চিরকাল—রক্তে ভেজা!
উঠো! ছুটো! পোড়াও! মরো না—খুন করো!
অপরাজনীতি শেষ—বিদ্রোহ চিরকাল!
