অবুঝ ছায়ার মতো কেবলই লেপ্টে থাকি সার্বিক জীবনের জিনে ।
জীবনের রাত্রি হলে অসহায় ঝরে যাই একা ,
কখনোবা স্বপ্নের ঘুমে কখনও বিনিদ্র ভোরে কা কা !
ঠিক মধ্য দুপুরে কোথায় লুকোবো বলে সোজা মাতৃজঠরে ,
আবারও জন্ম হয় যাপনের রৌদ্র জাগালে ।
উপদ্রুত বৃষ্টি বেগে ছিটকে ফের বীজের বাগানে ।
আর কতবার মেঘজন্ম নিলে শুদ্ধ ঝর্না হবো , যুধিষ্ঠির ?
হেঁটেছি দীর্ঘ পথ পৌনঃপুনিক
চড়াইয়ের কষ্ট পেয়ে তরতর উৎরাই সুখে ।
ফসলের আলো আল থেকে
নির্জন খাঁ খাঁ আলেয়াকে ছুঁয়ে অন্ধকার নাগরিক রোম
— এক বিচিত্র বোধসেতু কাঁধে নিয়ে
দাঁড়িয়ে রয়েছি ভ্রান্ত পৌরাণিক ভীড়ে ।
আর নয় , জীর্ণ ছায়ার থেকে বিযুক্ত করে
নতুন বিস্ময় দিতে ছক্কবাজির নাচে
অভিযাত্রী করো , ধাতুরিয়া ।
