অভিমানী বর্ষা কেন কেঁদে ভাসাস
টাপুর টুপুর ছন্দের নূপুর ফোঁটায় ধরে
তেরছা ভাবে পড়িস দেখি টিনের চালে
রজতশুভ্র উজল রঙের ফোঁটায় ভরে।
রবি তখন বাদলা মেঘের অন্ধকারে
কালো ছায়ার তলে ঢাকা পৃথ্বী দেখি,
গোমড়া মুখে রাগে তখন সূয্যি ঠাকুর
কালো চাদর জড়ায় গায়ে বিস্ময় একি!
বাদল শেষে মাদল বাজে তপন তাপে
অভিমানী বর্ষা তখন উজল রূপে,
কান্নাকাটি বন্ধ হলো সন্ধি মাঝে,
ভাব করেছে রবির সাথে তাইতো চুপে।
হঠাৎ কালো ঈশান কোণে মেঘে জমা
দমকা হাওয়ায় লণ্ডভণ্ড গাছের নাচে,
কালবৈশাখী রুদ্র রূপে এসে পড়ে,
ভাঙল বৃক্ষ প্রবল বৃষ্টি ক্যামনে বাঁচে।
অভিমানী বর্ষা কেমন পাল্টে গেল
নিম্নচাপের প্রবল তাড়ায় ফুঁসে ওঠে,
সামাল সামাল রবে ভরে ঘরে বাইরে,
নীড়ের পাখি ভয়ের চোটে বাচ্চা ঠোঁটে।
