অন্য বসন্ত || Desha Mishra
(আমার) ঘর এখন বড় হচ্ছেজানলা দরজা ত্যাগ করছেশেষ নিঃশ্বাসখুন হচ্ছে…
(আমার) ঘর এখন বড় হচ্ছেজানলা দরজা ত্যাগ করছেশেষ নিঃশ্বাসখুন হচ্ছে…
তোমাকে ফাঁকি দিইনি কোনদিননিজেকে নিখুঁত ভাবেই দিয়েছি তোমার অলংকারহীন দেহসাজাতে…
কি নরম পা ফেলে হেঁটে গেছে জোৎস্না নদী পথবায়ু পথস্থল…
ওই যে তোমার চোখছুঁয়ে যাচ্ছে সবুজের দেশফুল নদী পাহাড় ঝর্ণারাস্তা…
একটা অন্ধকার ভেতর ভেতরপুষ্ট হচ্ছেবুঝতে পারছিকিন্তুউপায় কি?বেশ দেখতে পাচ্ছিকাকের মাথার…
কলিজার ভেতরেহাহাকারের চারাগাছটা দিন বে-দিন বড় হচ্ছেতাকে সাজানো সুখ গুলোকেধরেছে…
ঘর ভর্তি অনাসৃষ্টি রাখাবাইরে সোনার তালাঅহংকারে কাক মুহূর্তেই ময়ূর চোখ…
সারা দিনের ক্ষতগুলোর জন্যওষুধ চাই দেহের দৌড় শেষেশুরু মনের দৌড়রাত…
নিজেকে খুব অগোছালো ভাবতামরঙিন কৌটোদের অসুখে কিন্তু ভেতরের এতো ভাঙচুর…
দেহের ঘরে ও বাইরে অমাবস্যার বৃষ্টিঅথচদেওেয়াল জুড়ে অগুন্তি চাঁদ শ্বাসকষ্ট…
তুমি ফিরে তাকালেআমার ভাঙাচোরা পৃথিবীরঙ মেখে জুড়ে যায়ঝরা ফুলকুঁড়ি হয়শুকিয়ে…
কয়েক জন্ম ধরে একদৃষ্টে তাকিয়ে বসে আছিতোমায় চিনব বলে ওই…
স্মৃতির কৌটো খুলে বসেছিআহা কত রঙিন প্যাকেটনীল সবুজ আকাশি… একেক…
রাতের উপর দিয়ে চলে যায় ট্রেনপরে থাকে কুচি কুচি ঘুমথেতলানো…
নাম না জানা অনেক ভিড়েহারিয়ে যাও তুমিভিড়ের মাঝে তোমায় আবিষ্কার…
একটা আমলকি দুপুরে বসেজাল ফেলি অতীতেউঠে আসে বহুরূপী সুরএর পথ…
টুপটাপ অন্ধকার ঝরে বুক জমিনেউড়ে গেছে শ্বেত পায়রা বহুদূর নীরবে…
রাত বাড়লেইচাঁদ পালকে ডুব দেয়অভিমানঅভিযোগ বাক্স বন্দী শব্দরামৃত্যু মেখেউৎসব সাজায়…
অন্ধকার ঘরে বসে আছি কয়েক জন্ম থেকেসামনে কোনো ফুল নেইপাখি…
মায়াবী অরণ্যে বাসচারিধারে সুগন্ধি ঝর্ণা ধারাঅথচহাত বাড়িয়ে তৃষ্ণা মেটাতে চাইলেইমুখ…
একলা আকাশ একাই কাঁদেএকলা আকাশ তোমার ছাদেআমি তুমি এক হলেইসে…
একটা অদৃশ্য সামপানের ছায়া দেখতে পাচ্ছিনিয়ে যাবে দূর অজানা জগতেমেঘের…
নিদ্রাহীন,কিছু ঘুম লেখো আজ চোখের সাগর জুড়েবলতে চেয়েছি বারে বারে…
কুয়াশা-পালক সুড়সুড়ি দেয় নাকেচঞ্চল হয় মনআররাত-মেয়েটি গালে হাত দিয়েবসে থাকে…
সেই ঘুমিয়েছি কবেকোটি বছর আগের পাতা ঝড়ার রাতে জানিনা কবে…
সব দীর্ঘশ্বাস বাক্সে ভরে মুখ বন্ধ করেছিএখন শুধু কিছু মুহুর্ত…
নিঃশব্দে শঙ্খ বাজে রোজতুমি আমি রেসের ঘোড়া দিনের আড়ালে লুকিয়ে…
শিশিরের লুকানো দাঁত নখবেরিয়ে আসলেইঘন হয়ে মৃত্যু নামেশরীর জুড়ে শব্দ…
তোমার সন্ধানই জীবনের ব্রত সূর্যোদয় থেকে অস্ত পযর্ন্ত খুঁজে বেড়ায়…
গোলাপি বকদের দেখেতৃষ্ণা লুকিয়ে লাল করলাম ঠোঁট আশেপাশে মানুষের মেলাহেঁটে…
হামাগুড়ির পররঙিন ডানাআনন্দ পৃথিবীতে ঝুলের অভাব নেই অস্ত্র হাতে অদৃশ্য…
বিষাদে পাহাড়ের মাংস খসেখসেকঙ্কাল তবু শুকনো ডালে উড়ে বসে ইচ্ছে-পাখি…