গানের মাষ্টার মশায় || Nitish Burman
মাষ্টার মশায়, সেই ছোটবেলায় কবেআপনাকে দেখেছি মনে পড়ে না,আসলে আমরা…
মাষ্টার মশায়, সেই ছোটবেলায় কবেআপনাকে দেখেছি মনে পড়ে না,আসলে আমরা…
রক্তের সম্বন্ধ আজ ফস্কা গেরোবজ্র আঁটুনিতে দেয়না ধরা।নেই যেথায় কর্তব্যের…
মেয়ে এলো বাপের বাড়িসবাই করে তাড়াতাড়ি।অফিসে বাবা ঘরে মা’রথেকে-থেকে চিন্তা…
দশ ঘোড়া দশ দিকে টানেনেই কোনো নিয়ন্ত্রণ।তাইতো ঘোড়ার লাগাম লাগিকরি…
মস্তকে মোর হিমালয় সাজেপদতলে সুবিশাল সমুদ্র বিরাজে।পশ্চিমে নির্ভীক মারাঠা বীরপূর্বে…
এই বৃহন্নলা সময়ে আরনতুন দিনের সূর্যের সন্ধান করি না,যখন ভাই-ভাইকে…
“একে কি বাঁচা বলে ? “যে যার মতন করেবাঁচতে চাইছে…
কিনেছি দুই বিঘা জমিবাবুর বাগের কাছেবাবু বলেন, জানিস নৃপেনজমি দরকার…
হঠাৎ স্বামী দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়াতে সংসারে চরম দুর্দিন–সঞ্চিত পুঁজি…
কালো মেঘে আলপনা দেয়সাদা বকের দল,বৃষ্টি নামবে ধরার বুকেদেখবি তো…
রথযাত্রা জনশূন্যলোকজন তো নাই,কোথায় গেল হট্টগোলকাঁদতে থাকি ভাই। ভক্তরাতো লুটায়ে…
ঠিক ঠিক এই জায়গাতে মুনিয়া কে ওরা ছিঁড়ে ফালাফালা করেছিল—চৌদ্দ…
ইলশে গুঁড়ি ইলশে গুঁড়িবৃষ্টি এলেই পরেপদ্মার মাঝি গান ধরে যেইলিশ…
কাঠবিড়ালি ভাবছে বসেছানা গেছে চায়নাদেশে বলে পড়াশোনাএকদম নাকি হয়না। গিন্নি…
কতটা পথ হাঁটলে পথিক হওয়া যাবে?কতটা উদাসীন হলে বিবাগী বলবে?কতটা…
অনুচ্চারিত ভালোবাসারা যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে—ঘুমন্ত সব স্বপ্নগুলো শতদল হয়ে…
মুক্তির ধ্বজা উড়ছে শূন্য থেকে মহাশূন্যে—একাকীত্বের পরম স্বাদ বিপুল জন…
পুরাতন দর্পণ ক্ষয়ে গেছে পারদের প্রলেপ,আঁকিবুঁকি আবছা দাগ,একদা স্বপ্ন দেখেছিলাম..ছবির…
চল্লিশ পেরিয়ে এসেছি সেই কবে মনে নেই আজ,,চুলে কাশফুলের শুভ্রতার…
তাকিয়ে দেখি পেছনেই শূন্যতাধাবমান ভয়ানক আগ্রাসনে।এত এত শূন্যের বুকে শূন্যের…
যেন-তেন-প্রকারেণফাঁক গলে অগ্রে শুধুই গমন!কার কিবা সাধ্যি আছেসাধের ভেতর আগুন…
রতি-বিলাসিতায় সুখী সুখী বাতাসেচতুরতা মুখ থুবড়ে পড়ে।এ কি মহারাজ! শুধুই…
যেখানে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস জলপ্রপাতের মতননামছে ধেয়ে হৃদয়ের সবখানটা জুড়ে,সেখানেই বাঁচার…
মন জানালা দিলাম খুলে,চেনা আটপৌরে চৌকাঠের পরিধির বাইরে,সরলরৈখিক জীবন ছেঁকে…
আবেশের রেশ হতে থাকে সঞ্চারিত;বৃষ্টির রোমান্টিক পশলায় দুটি মন অণুক্ষণ,নির্জন…
মুখ ঢেকে আছে মুখোশে,মন তবু খুঁজে চলে মেধাবী চোখ;দীর্ঘশ্বাস জড়িয়ে…
সময় পেলে সুখ কুড়োতে থাকি,অসময়ে অসুখের ভীষণ সমান্তরাল বাড়বাড়ন্ত,বিশ্বাসের নাভিকুন্ড…
প্রতিদিন চলে একটু একটু করেঅসম্পূর্ণ বৃত্তকে পূর্ণতা দেবার অসফল প্রচেষ্টা…
কষ্টটা সয়ে যেতেই যতটুকু সময়এরপর তো এন্তার মনও হবে স্নায়ূসহা,অনাবাদী…
আয়ূষ্মান চাঁদের শরীর জুড়ে,কলঙ্কের তিলক রেখেছে এঁকে ,চোখ দুটো জেগেই…
রেখে যাস এক নিপাট জলছাপ,আমি খুঁজে নেব মুক্তো,মাটির সোঁদা গন্ধে…
আমি বৃহন্নলা .. সমাজ আমাকে দিয়েছে সরিয়ে স্নেহের হাত দেয়নি…