ভোরবেলা ঘুম ভাঙতেই || Shamsur Rahaman
এই যে আপনি আমার বাসার জানালার ভেতর দিয়েদৃষ্টি ছড়িয়ে দিচ্ছেন,…
এই যে আপনি আমার বাসার জানালার ভেতর দিয়েদৃষ্টি ছড়িয়ে দিচ্ছেন,…
আমাকে যেতেই হবে দূরে, বহু দূরে।যদি পা আমারএখন প্রবল হয়ে…
বহুদিন আগে একজন বৃদ্ধ এক বিকেলেরনম্র অবসরে শোনালেনআমাকে অজানা এক…
দেখছি আমার পাশ কাটিয়ে একটি লোক লাঠিহাতে খুব খোঁড়াতে খোঁড়াতেআমাকে…
কে তুমি এখন এই অবেলায় আমাকে ঘুমেরশান্তি থেকে জাগিয়ে তুলেছঅন্ধকারে?…
প্রতিদিন নিজেকে খণ্ডিত ক’রে বুঝে নিতে চাইএতকাল এত পথ হেঁটে,এত…
দেখছি এখন এই খানিক দূরেই পথে একবেজায় জখমি লোক প’ড়ে…
জয়ন্ত নন্দী : ছোটদের পত্রিকা হাউই-এর সম্পাদক তরুণ সান্যাল :…
ছোটনাগপুরের এই ছোট্ট শহরটায় পুজোর ছুটি কাটাতে আমরা আগেও অনেকবার…
কড়া নাড়ার আওয়াজ পেয়ে আপনা থেকেই মুখ থেকে একটা বিরক্তিসূচক…
সুজনের বাড়ির পিছনেই ছিল একটা সজনে গাছ। তাতে থাকত একটা…
সাধনবাবু একদিন সন্ধ্যাবেলা কাজ থেকে ফিরে তাঁর ঘরে ঢুকে দেখলেন…
ত্রিদিববাবুর সাধারণত একটা হালকা বই পড়েই সময়টা কেটে যায়। কলকাতা…
যেটার আগে নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সেই মিরজা গালিব…
আমি যার কথা লিখতে যাচ্ছি তার সঙ্গে সবুজ মানুষের কোনও…
আজ আমার মনটা বেশ খুশি-খুশি, তাই ভাবছি এইবেলা তোমাদের সব…
আমার এখন যে চেহারা দেখছিস, বললেন তারিণীখুড়ো, তা থেকে আমার…
ছোটদের মাসিক পত্রিকা বহুরূপী এক বছর হল বেরোচ্ছে। সম্পাদক সুপ্রকাশ…
অবনীশ ছবিটার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল। অয়েল পেন্টিং। একজন মাঝবয়সি…
অ্যাই শিবু–এদিকে শোন। শিবুর ইস্কুল যাবার পথে ফটিকদা তাকে প্রায়ই…
ফণীবাবু তাঁর গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে থেকেই আঁচ করলেন যে…
ত্রিদিব চৌধুরী আর থাকতে না পেরে বিরক্তভাবে বেয়ারাকে ডাকার বোতামটা…
ডুয়েল মানে জানিস? জিজ্ঞেস করলেন তারিণীখুড়ো। বাঃ, ডুয়েল মানে জানব…
রামধনের লোকটাকে চেনা চেনা লাগায় আরেকটু কাছে গিয়ে একটা গাছের…
ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নেমে এদিক ওদিক দেখে রতনবাবুর মনে একটা…
ঠিক কখন থেকে রতনের মনটা খুশিতে ভরে আছে সেটা রতন…
রন্টুর বয়স পনেরো, কিন্তু এর মধ্যেই তার গানের গলা হয়েছে…
১. ম্যাকেঞ্জি সাহেবের বাগানে আশ্চর্য গাছটা আবিষ্কার করলেন নিশিকান্তবাবু। সাহেব…
১. নাসিরুদ্দিনের বন্ধুরা একদিন তাকে বললে, চলো, আজ রাত্রে আমরা…
১. একদিন এক জ্ঞাতি এসে নাসিরুদ্দিনকে একটা হাঁস উপহার দিলে।…
মৃগাঙ্কবাবু তাঁর সহকর্মী সলিল বসাকের কাছ থেকে প্রথম জানতে পারলেন…
মিঃ শাসমল আরাম কেদারাটায় গা এলিয়ে দিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস…