উপন্যাস
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
অনীশ দেবের উপন্যাস
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস
আশাপূর্ণা দেবীর উপন্যাস
তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস
বাণী বসুর উপন্যাস
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
বুদ্ধদেব গুহর উপন্যাস
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের উপন্যাস
সত্যজিৎ রায়ের উপন্যাস
সমরেশ বসুর উপন্যাস
সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস
সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস
হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস
নারায়ণ সান্যালের উপন্যাস
মতি নন্দীর উপন্যাস
মলয় রায়চৌধুরীর উপন্যাস
সিদ্ধার্থ ঘোষের উপন্যাস
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস
সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের উপন্যাস
হেমেন্দ্রকুমার রায়ের উপন্যাস
নিমাই ভট্টাচার্যের উপন্যাস
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস

দৃষ্টি প্রদীপ || Bibhutibhushan Bandyopadhyay
শ্রাবণ মাসের প্রথমে ১৩. শ্রাবণ মাসের প্রথমে আমার পাঠশালা গেল

দম্পতি || Bibhutibhushan Bandyopadhyay
শোভারাণীর বাড়ী ভড়মশায় সটান গিয়া শোভারাণীর বাড়ী উঠিলেন। চাকরের নিকট

গঙ্গা || Samaresh Basu
শ্রাবণ্যে টোটা শ্রাবণ্যে টোটা খলখল করে বেড়াচ্ছে গঙ্গায়। অনেক মাছমারা

পাতক || Samaresh Basu
রাগে ঘৃণায় অনিচ্ছায় আর হতাশায় রাগে ঘৃণায় অনিচ্ছায় আর হতাশায়

স্বীকারোক্তি || Samaresh Basu
ছুরিটা তেমনই লাগানোই ছিল ০৭. কী বললেন, ছুরিটা তেমনই লাগানোই

অপরিচিত || Samaresh Basu
বিকেলবেলা চায়ের টেবিলে বিকেলবেলা চায়ের টেবিলে শিবেন আবার দেখা পেল

ফটিকচাঁদ || Satyajit Ray
ব্যারিস্টার শরদিন্দু সান্যালের বাড়িতে পরের রবিবারে সকাল। ব্যারিস্টার শরদিন্দু সান্যালের

মাস্টার অংশুমান || Satyajit Ray
গুণ্ডাদের আস্তানার শুটিংটা গুণ্ডাদের আস্তানার শুটিংটা বিকেল সাড়ে চারটায় শেষ

পদ্মা নদীর মাঝি || Manik Bandopadhyay
পদ্মা নদীর মাঝি – ৯ গ্রাম ছাড়িবার তিন সপ্তাহ পরে

হলুদ নদী সবুজ বন || Manik Bandopadhyay
মাঝরাত্রি পার হয়ে গিয়েছে মাঝরাত্রি পার হয়ে গিয়েছে। আকাশে সঞ্চারিত

চতুষ্কোণ || Manik Bandopadhyay
জীবন তো খেলার জিনিস নয় মানুষের রিণির জন্য সকলের গভীর

অরক্ষণীয়া || Saratchandra Chattopadhyay
অরক্ষণীয়া – ০৯ নয় চৈত্রের শেষের কয়টা দিন বলিয়া ছোটবৌয়ের

রাধারাণী || Bankimchandra Chattopadhyay
রাধারাণী – ০৮ অষ্টম পরিচ্ছেদ রাধারাণীর আজ্ঞা পাইয়া, দেওয়ানজি আসিয়া

চন্দ্রশেখর || Bankimchandra Chattopadhyay
চন্দ্রশেখর – ষষ্ঠ খণ্ড ষষ্ঠ খণ্ড সিদ্ধি প্রথম পরিচ্ছেদ :

বিষবৃক্ষ || Bankimchandra Chattopadhyay
বিষবৃক্ষ – ৪১-৫০ একচত্বারিংশত্তম পরিচ্ছেদ : হীরার আয়ি “হীরার আয়ি

ইন্দিরা || Bankimchandra Chattopadhyay
ইন্দিরা – ২১-২২ একবিংশতিতম পরিচ্ছেদ : সেকালে যেমন ছিল কালাদীঘির

কৃষ্ণকান্তের উইল || Bankimchandra Chattopadhyay
কৃষ্ণকান্তের উইল – ২য় খণ্ড – ১১ একাদশ পরিচ্ছেদ :

মৃণালিনী || Bankimchandra Chattopadhyay
মৃণালিনী – ০৪ চতুর্থ খণ্ডপ্রথম পরিচ্ছেদ : ঊর্ণনাভ যতক্ষণ মৃণালিনীর

রজনী || Bankimchandra Chattopadhyay
রজনী – ৫ পঞ্চম খণ্ডঅমরনাথের কথা প্রথম পরিচ্ছেদ এই অন্ধ

সীতারাম || Bankimchandra Chattopadhyay
সীতারাম – ৩য় খণ্ড – ১১-১৫ একাদশ পরিচ্ছেদ সেই যে

দুর্গেশনন্দিনী || Bankimchandra Chattopadhyay
দুর্গেশনন্দিনী – ২য় খণ্ড – ১৬-২২ ষোড়শ পরিচ্ছেদ : দাসী

কপালকুণ্ডলা || Bankimchandra Chattopadhyay
কপালকুণ্ডলা – ০৪ প্রথম পরিচ্ছেদ : শয়নাগারে “রাধিকার বেড়ী ভাঙ্গ,

আনন্দমঠ || Bankimchandra Chattopadhyay
আনন্দমঠ – ৪র্থ খণ্ড প্রথম পরিচ্ছেদ সেই রজনীতে হরিধ্বনিতে সে

দেবী চৌধুরাণী || Bankimchandra Chattopadhyay
দেবী চৌধুরাণী – PART-3 একাদশ পরিচ্ছেদ তখন ভূতনাথে যাইবার উদ্যোগ

বউ-ঠাকুরানীর হাট || Rabindranath Tagore
বউ-ঠাকুরানীর হাট ৩৬-৩৭ ষট্ত্রিংশ পরিচ্ছেদ আজ লোকজনেরা ভারি ব্যস্ত। চারিদিকে

মালঞ্চ || Rabindranath Tagore
মালঞ্চ ০৯ “রোশনি!”“কী খোঁখী।”“কাল থেকে সরলাকে দেখছি নে কেন।”“সে কী

দুই বোন || Dui Bon by Rabindranath Tagore
নীরদ (Nirad) – Dui Bon ব্যাঙ্কে-জমা টাকায় সওয়ার হয়ে এ

যোগাযোগ || Rabindranath Tagore
যোগাযোগ ৪১-৪৩ ৪১মীটিঙে এইবার মধুসূদনের প্রথম হার। এ পর্যন্ত ওর

শেষের কবিতা || Rabindranath Tagore
লাবণ্য-তর্ক (Labonya Torko) যোগমায়া বললেন, “মা লাবণ্য, তুমি ঠিক বুঝেছ?”

গ্যাংটকে গণ্ডগোল (১৯৭০) – ফেলুদা || Satyajit Ray
আমাদের হোটেলের রান্না আমাদের হোটেলটা অন্যদিক দিয়ে খুব একটা কিছু

ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা (১৯৭৫) – ফেলুদা || Satyajit Ray
পলাশী স্টেশনের দিকে যেতে কাল রাত্তিরের বৃষ্টিতে ভেজা রাস্তা দিয়ে

ছিন্নমস্তার অভিশাপ (১৯৭৮) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ফেলুদার ঘরেই চা এনে দিল ফেলুদার ঘরেই চা এনে দিল

জয় বাবা ফেলুনাথ (১৯৭৫) || Satyajit Ray
আকাশ মেঘে ছেয়ে আছে পরদিন সকালে উঠে দেখি আকাশ মেঘে

টিনটোরেটোর যীশু (১৯৮২) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ছবিটা কি লোপাট হয়ে গেল আমরা আধা ঘণ্টার মধ্যেই বেরিয়ে

ডাঃ মুনসীর ডায়রি (১৯৯০) – ফেলুদা || Satyajit Ray
পেঙ্গুইন যে ডায়রিটা ছাপছিল পেঙ্গুইন যে ডায়রিটা ছাপছিল সেটা ১৯৮৯

দার্জিলিং জমজমাট (১৯৮৬) – ফেলুদা || Satyajit Ray
পরিচয় হয়েছিল আমাদের পরিচয় হয়েছিল আমাদের—আপনার মনে আছে বোধহয়? হ্যাঁ

নয়ন রহস্য (১৯৯০) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ভারত সফর পরদিন সকালে কাগজ খুলে দেখি, তরফদার সম্বন্ধে খবর

নেপোলিয়নের চিঠি (১৯৮১) – ফেলুদা || Satyajit Ray
এ বি সি ডি – এশিয়া’জ বেস্ট ক্রাইম ডিটেক্টর অনিরুদ্ধ

ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি (১৯৬৫) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি – ৭ম পর্ব রাত্রে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।সকালে খাবার

বাক্স-রহস্য (১৯৭২) – ফেলুদা || Satyajit Ray
দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখেছি আমি দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখেছি, এবারে

বাদশাহী আংটি (১৯৬৬) – ফেলুদা || Satyajit Ray
সন্ধ্যা হয়ে এসেছে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। কামরার বাতিগুলো এইমাত্র জ্বলেছে।

বোম্বাইয়ের বোম্বেটে (১৯৭৬) – ফেলুদা || Satyajit Ray
লালমোহনবাবু ডিনারে লালমোহনবাবু ডিনারে বিশেষ সুবিধে করতে পারলেন না, কারণ

বোসপুকুরে খুনখারাপি (১৯৮৫) – ফেলুদা || Satyajit Ray
দারোগা মণিলাল পোদ্দারের ফোন রবিবার সকালে দারোগা মণিলাল পোদ্দারের ফোন

ভূস্বর্গ ভয়ংকর (১৯৮৭) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ঘণ্টা তিনেক ধরে জেরা চালাল পুলিশ ঘণ্টা তিনেক ধরে জেরা

যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে (১৯৮০) – ফেলুদা || Satyajit Ray
পুরনো অ্যাডভেঞ্চারগুলো সম্বন্ধে আলোচনা কলকাতায় আমাদের বাড়িতে বসে আমি আর

রবার্টসনের রুবি (১৯৯১) – ফেলুদা || Satyajit Ray
এক আশ্চর্য ঘটনা বিকালে এক আশ্চর্য ঘটনা। ইনস্পেক্টর চৌবে পাঁচটা

রয়েল বেঙ্গল রহস্য (১৯৭৪) – ফেলুদা || Satyajit Ray
তড়িৎবাবুর মৃতদেহ যেখানে তড়িৎবাবুর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল, আমরা সেইখানে এসে

লন্ডনে ফেলুদা (১৯৮৯) – ফেলুদা || Satyajit Ray
হোটেলে আত্মহত্যা টাইমসের বিজ্ঞাপনের ফল যে মিস্টার ক্রিপস-এর আসাতেই শেষ

শকুন্তলার কণ্ঠহার (১৯৮৮) – ফেলুদা || Satyajit Ray
অর্ধেক মামলার সমাধান কোনও একটা মামলার মাঝখানে ফেলুদাকে এত নিষ্কর্মা

শেয়াল-দেবতা রহস্য (১৯৬৯) – ফেলুদা || Satyajit Ray
শেয়াল-দেবতা রহস্য – ০৪ পরদিন সকালে ফেলুদা প্রথম নীলমণি সানালকে

সমাদ্দারের চাবি (১৯৭৩) – ফেলুদা || Satyajit Ray
সমাদ্দারের চাবি – ৫ ‘আগে লেখ— মৃত ব্যক্তির নাম কী

সোনার কেল্লা (১৯৭১) – ফেলুদা || Satyajit Ray
স্টেশন বলতে একটা প্ল্যাটফর্ম স্টেশন বলতে একটা প্ল্যাটফর্ম, আর একটা

হত্যাপুরী (১৯৭৯) – ফেলুদা || Satyajit Ray
হোটেলে এসে মাথায় বরফ হোটেলে এসে মাথায় বরফ দিয়ে ফেলুদার

গোসাঁইপুর সরগরম (১৯৭৬) – ফেলুদা || Satyajit Ray
হাতে হাতকড়া পাঁচ মিনিটের মধ্যেও তুলসীবাবু এলেন না দেখে মৃগাঙ্কবাবু

গোলাপী মুক্তা রহস্য (১৯৮৯) – ফেলুদা || Satyajit Ray
গোলাপী মুক্তা সগৌরবে বিরাজমান কাশীর মতো থমথমে রাত খুব কম

গোলকধাম রহস্য (১৯৮০) – ফেলুদা || Satyajit Ray
শব্দভেদী বাণ আপনি চললেন নাকি? গোলোকধামের গেট দিয়ে ঢুকে দেখি

গোরস্থানে সাবধান (১৯৭৭) – ফেলুদা || Satyajit Ray
বাজা-ঘড়ি বা চাইমিং ক্লক বাজা-ঘড়ি বা চাইমিং ক্লক অনেক শুনেছি,

কৈলাসে কেলেঙ্কারি (১৯৭৩) – ফেলুদা || Satyajit Ray
ফিল্ম কোম্পানির লোকেরা খাদের মাথা থেকে যখন নীচে নামলাম ততক্ষণে


