দেসা মিশ্র
পরিচিতি
—————————
নাম : দেসা মিশ্র
জন্মস্থান-বাঁকুড়া জেলায় (মামার বাড়ি)।জন্ম তারিখ-২৪/৭/১৯৯২
দেশের বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ মিঠিপুর।নাম দেসা মিশ্র ,বাবা দেবাশীষ পান্ডে, মা সারদা পান্ডে। স্বামী – বিশ্বজিত মিশ্র,ছেলে ও মেয়ে – কৃতি মিশ্র,কৃষ্ণেন্দু মিশ্র।
বেড়ে ওঠা স্কুল কলেজের পড়াশোনা বহরমপুর মুর্শিদাবাদে।বহরমপুর গার্লস কলেজ থেকে দর্শন বিভাগ নিয়ে বি এ পাশ করেছি।গত ১১ বছর যাবৎ বিবাহ সুত্রে জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা। ছোট থেকেই মায়ের মুখে নানা গল্প কবিতা ও কবিদের জিবনী শুনে শুনে মনে একটা কাল্পনিক জগতের সূচনা হয়েছিল।ধীরে ধীরে সেই ভালোলাগা থেকেই লেখালেখির সুত্রপাত।সাহিত্যের প্রত্যেকটা অঙ্গ পড়তে ভালোলাগে। গল্প কবিতা দুই লিখতেই ভীষণ ভালো লাগে কিন্তু সময়ের অভাবে গল্প খুব অল্পই লেখা হয় বেশি লিখি কবিতা। কয়েকটি সমাজসেবামূলক সংস্থার সাথে যুক্ত থাকতে পেরে ভীষন ভালো লাগে।পরবর্তীতেও জনকল্যাণ মূলক কাজ করতে ইচ্ছুক। বিভিন্ন পত্র পত্রিকাতে লেখা দিই।অনেক কবিতা ছাপা অক্ষরে আলাপিমন পত্রিকা,জিরোবাউন্ডারি পত্রিকা,নীল কাগজের নৌকা পত্রিকা ও কলমে মিতালি সাহিেত্যর পত্রিকাতে প্রকাশ পেয়েছে। প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ-“ওয়ান গ্লাস অব হেভেন” প্রকাশিত হয়েছে পালক প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা প্রকাশনি থেকে। পাঠকগনের মন জয় করেছে এই বইটি।
লেখিকার সৃষ্টি

দিশারী || Desha Mishra
চৌকাঠ পার করে আর কতটা হাঁটলেসূর্যজানিনা অগুনতি পাঁকের সিঁড়িতেমনের পা

দেবদারু শহর || Desha Mishra
একটা শহরের খোঁজে ক্লান্ত যার বুকের বাম দিকে জীবন্ত গোলাপচোখে

তাই ভালোবাসি || Desha Mishra
রাত চাদরের নীচেচোখ বন্দ করে শুয়ে থাকে রঙিন বাড়ি গুলোঅথচভেতরের

সূর্যের আশীর্বাদ || Desha Mishra
পায়ের তলা থেকে হঠাৎ এক একটা সিঁড়ি সরে যাচ্ছেমায়া নগরীঅদৃশ্য

কোনটা নেবেন? || Desha Mishra
একটা বোবা কালা অন্ধ সুন্দরী পুতুল চাই দারুণ উপকারী যন্ত্রআপনার

ছড়া-বিজয়া || Desha Mishra
দিন গুলো সব হারিয়ে গেছেমুড়কি নাড়ু ঘুমে ঢাকামুঠোফোনেই চলতে থাকেতোমার

ওয়ান গ্লাস অফ হেভেন || Desha Mishra
জীবন ভাঙতে গিয়েঅগুনতি মৃত্যু পেয়েছি আর সেগুলো তেচুমুক দিতে দিতে

ভালোবাসলে || Desha Mishra
করোটি তে আসমানএক ভ্রুতে সূর্যঅন্য ভ্রুতে চাঁদভ্রু যুগলের মাঝেনিস্পাপ অপেক্ষা

কাপ প্লেট || Desha Mishra
কাপের ঘুম ভাঙলেইবিষধর সরীসৃপের তান্ডব সময়ের দেহেউগ্র পোশাক নিয়মেরক্লান্ত এ

হার্ট শার্পনার || Desha Mishra
তারপর এভাবেই প্রতিদিনছিঁড়ে গেছেকালো শড়ীর ভয়ঙ্করডানা দগদগে ঘানবজাতক সেই ছেড়া

দীর্ঘশ্বাসের তাজমহল || Desha Mishra
খোঁপা খুলে রেখেছিড্রয়ারে চাপ চাপ কান্না জমছে তুমি চাঁদ এখনঅট্টহাসি

সকাল লিখতে বসেছি || Desha Mishra
অন্ধকার ঘরেএকটা সকাললিখতে বসেছি শরীরের সব তেজজড়ো করেছিদুই আঙুলে কালো

আলো || Desha Mishra
দেওয়ালআদৃশ্য করতেভীষন যুদ্ধ চোখের পর্দা সরতেইঅনাদ্য নীল চাদরজড়িয়ে ধরে আলোর

প্রাণহীন মঞ্চ || Desha Mishra
১ মিউ মিউ শিখিয়েএখান যদি আশা করোবনের রাজা হবেতবেদারুণ নাটক

ভাঙাচোর…নতুন জন্মের জন্য|| Desha Mishra
রাতের বালিশে দিন ভাঙতে বসিনিজেকেও কখনো ভীষণ হালকাআবার তার উল্টোলাগে

নীলকন্ঠ || Desha Mishra
ওদের কালো ধাগায় বিশ্বাসপর্দায় নেশাদেওয়ালের শখ লতানো সবুজ গাছটার দেহকেটে

পূর্ণ স্নান || Desha Mishra
প্রত্যেকের এই অর্ধ স্নানের জন্যঅমাবস্যাঅসুখ প্রতিক্ষণ একটা সরল মসৃণ পথেরসূচনা

নেলপলিশের জন্ম রোজ || Desha Mishra
বন্ধ দুয়ার যাক না খুলেনীল পাহাড়ের আসুক ডাককাজের বোঝা অনেক

কিছু সুখ খুঁজে নিতে হয় || Desha Mishra
সরে যাওয়া বা ছেড়ে যাওয়া কি এতোই সোজা পাশের দেওেয়াল

তমস্বিনী || Desha Mishra
সোজা পথ ভালোবাসিআলো যেমন তবু আঁধার জুড়েচিন্তা ভাঙে নিঃশব্দেঅনেক ক্ষয়ের

রক্ত পেরিয়ে গোলাপ || Desha Mishra
নীলে যখন ডুবিয়ে দিই ডানারঙের নেশায় কালো সমুদ্রফণা মেলে দাঁড়ায়

শিক্ষক দিবস || Desha Mishra
সময়ের কোলে মাথা রেখে দুই সন্তান…প্রকৃতি পুরুষ।রোজ তাঁদের প্রনাম করি,আজ


















