সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

স্বামীর আত্মা || Samaresh Majumdar
স্বামীর আত্মা সকালবেলার সদ্য চায়ের কাপ শেষ করেছে সৌরভ, বেল

কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই || Samaresh Majumdar
কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই এক চৈত্রের দুপুরে জনমানবহীন

রাজার মতো যাওয়া || Samaresh Majumdar
রাজার মতো যাওয়া আজকাল রাত না ফুরোতেই ঘুম ভেঙে যায়।

প্রেমে ওঠা || Samaresh Majumdar
প্রেমে ওঠা প্রেমে পড়লেন পতিতপাবন পাল। সহকর্মীরা ডাকত ট্রিপল পি

জন্ম বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
জন্ম বৃত্তান্ত একটু আস্তে হাঁটো! ঠিক আছে। উঁহু, ঠিক নেই।

ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ || Samaresh Majumdar
ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ চেয়ারে বসে দুলছিল দ্বিজদাস। সেই ভোররাত থেকে

আশ্চর্য প্রদীপ || Samaresh Majumdar
আশ্চর্য প্রদীপ ঠা-ঠা রোদ্দুরে ছেলেটা হাঁটছিল। শামবাটির খাল পেরিয়ে রাস্তাটা

আকাশের আড়ালে আকাশ || Samaresh Majumdar
আকাশের আড়ালে আকাশ মাঠঘাট পেরিয়ে ছুটতে-ছুটতে ট্রেনটা বিকেল শেষ করে

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

জঠর || Samaresh Majumdar
জঠর কুঁচকে যাওয়া পাটসিলকের ঝোলা পাঞ্জাবি খাটো ধুতি আর প্রায়

পুতুলের খেলা || Samaresh Majumdar
পুতুলের খেলা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন বড় অফিসারকে ধরে দিল্লির বঙ্গভবনে

ফুলের মধ্যে সাপ || Samaresh Majumdar
ফুলের মধ্যে সাপ রাস্তাটা যেখানে ঘোড়ার নালের মতো বাঁক মেরেছে

কালরাত্রি || Samaresh Majumdar
কালরাত্রি টিফিনের সময় ক্লাসে কেউই থাকে না। কাত্যায়নী টিফিনের বাক্স

আঙরাভাসা || Samaresh Majumdar
আঙরাভাসা তারপরে এক সময় দিনটাও ফুরিয়ে গেল। আমাদের বাড়ির সামনে

কাঁকলাস || Samaresh Majumdar
কাঁকলাস বিলিতি মদ দিয়ে ভিজিয়ে রাখলে পায়ের শুকনো চামড়া নরম

নিশির ডাক || Samaresh Majumdar
নিশির ডাক টেলিফোনটা যেন আর্তনাদ করছিল। ওটা আছে হল ঘরে।

সহাবস্থান || Samaresh Majumdar
সহাবস্থান এখন বিকেল। ব্যালকনিতে চেয়ার পেতে বসেছিলেন দিব্যজ্যোতি। সামনে চোখ

বদরক্ত || Samaresh Majumdar
বদরক্ত দিনরাত ঝুপঝুপ বৃষ্টি তবু মানুষের আসা বন্ধ হচ্ছে না।

পত্ৰজাত প্রেম || Samaresh Majumdar
পত্ৰজাত প্রেম সকালের ডাকে চিঠিটা এসেছিল। অফিসে বেরুবার সময় লেটার

চর, শহর এবং একটি বেকুফ || Samaresh Majumdar
চর, শহর এবং একটি বেকুফ দিনরাত এখানে হাওয়া উথালপাথাল হয়।

ললাট লিখন || Samaresh Majumdar
ললাট লিখন গ্রামের নাম ত্রিশূল। মোটামুটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কিন্তু জমিদার

গ্রীষ্মকাল এসে গেছে ||Samaresh Majumdar
গ্রীষ্মকাল এসে গেছে বন্ধ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করলেন রবার্ট

শূকরছানা || Samaresh Majumdar
শূকরছানা কুকুরগুলোর খাওয়া দেখছিল ছেলেটা। তিনটে জিভ একসঙ্গে পড়ছে থালাতে,

সল্টলেকের বাড়ি || Samaresh Majumdar
সল্টলেকের বাড়ি শ্রাদ্ধ-শান্তি চুকে যাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে

হৃদয়ঙ্গম || Samaresh Majumdar
হৃদয়ঙ্গম বিছানায় শুয়েই সূর্য টের পেল বউদি দাদাকে তাতাচ্ছে। ওপাশের

তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা || Samaresh Majumdar
তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা সরকারি হাসপাতাল হলেও ঘরে

জীবনে যেমনটি হয় || Samaresh Majumdar
জীবনে যেমনটি হয় চিত্তপ্রিয় চ্যাটার্জি অবসর নিয়েছেন বছর ছয়েক হল

হিম আগুন || Samaresh Majumdar
হিম আগুন গত কয়েকদিনের মধ্যে গত রাতেই বোধহয় ঠান্ডাটা কট্টর

মানুষের মেটে || Samaresh Majumdar
মানুষের মেটে এতকাল বাবুর যত রোগ ছিল মনে, এবার শরীরেও।

তিন সিংহ ধান খায় || Samaresh Majumdar
তিন সিংহ ধান খায় প্রথম দর্শনে লোকটিকে সন্ন্যাসী বলিয়া মনে

জনতোষণ || Samaresh Majumdar
জনতোষণ আমাদের পাড়ার শিবু ঘোষ এখন ফিল্ম লাইনে ভালো টাকা

বর্ণপরিচয় || Samaresh Majumdar
বর্ণপরিচয় তারাপদ বিশ্বাস, হৃদয়পুরের তারাপদ বিশ্বাসের মাথায় ব্যাপারটা কিছুতেই ঢোকে

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

বেনোজল || Samaresh Majumdar
বেনোজল স্টেশনটা পেরিয়ে শানবাঁধানো রিকশার চত্বরটায় পা দিতেই চমক লেগেছিল।

দুলতে-দুলতে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দুলতে-দুলতে যাওয়া বাড়িটা খুঁজে বের করতে বেশ সন্ধে হয়ে গেল।

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার

আদ্যশ্রাদ্ধ || Samaresh Majumdar
আদ্যশ্রাদ্ধ প্রথম এসেছিল অমল। দিল্লি থেকে প্লেনেই উড়ে আসবে ভেবেছিল,

স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ || Samaresh Majumdar
স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ প্রায় আঠারো বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম

যুদ্ধক্ষেত্রে একজন || Samaresh Majumdar
যুদ্ধক্ষেত্রে একজন ছয় ক্রোশ কাদা ভেঙে জোড়খালি গাঁয়ে বাইরের লোক

প্রতিপালন || Samaresh Majumdar
প্রতিপালন কি আশ্চর্য, তোমার ওই মিডল ক্লাস মানসিকতা এখনও গেল

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

শেষ ঘণ্টা বেজে গেল || Samaresh Majumdar
শেষ ঘণ্টা বেজে গেল যিনি বলেছিলেন লাবণ্য না থাকলে সৌন্দর্য

রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি || Samaresh Majumdar
রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি সুধা বলেছিল, পুরুষজাতটাকে বাপু কোনওদিন

ম্লান-অম্লান || Samaresh Majumdar
ম্লান-অম্লান নিরাপদ বসুকে এই কাহিনির নায়ক বলা যাবে না। অথচ

বঙ্গ আমার জননী || Samaresh Majumdar
বঙ্গ আমার জননী আমার দোয়েল পাখি দুটোর দিকে তাকিয়ে ইমনের

শান্তিজল || Samaresh Majumdar
শান্তিজল তার সুটকেসটা নেওয়ার জন্যে হাত বাড়িয়ে অনুপ বলল, দে।

জিয়োনো মাছ || Samaresh Majumdar
জিয়োনো মাছ চা চুরির জন্য চাকরিটা চলে গেল বংশীর। অথচ

ভ্রমণ বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
ভ্রমণ বৃত্তান্ত সেই যে, কে যেন বলেছিলেন, অনেক হল, এবার

জননী || Samaresh Majumdar
জননী তিন-তিনটে শকুন মাথার ওপর পাক খেয়ে গেল। খুব কাছাকাছি

গুরুচণ্ডালী কথা || Samaresh Majumdar
গুরুচণ্ডালী কথা সেই দ্বিপ্রহরবেলা হইতে সমগ্র শহর এবং নিকটস্থ গ্রামগুলি

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

সে এবং জীবনানন্দ দাশ || Samaresh Majumdar
সে এবং জীবনানন্দ দাশ এখানে হাওয়ারা হাওয়াদের মতো বয়ে যায়।

পুলিশের নাম বসন্ত || Samaresh Majumdar
পুলিশের নাম বসন্ত ট্রামবাস চলতে শুরু করে দেয় দুটো নাগাদ,

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে



