সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

পত্ৰজাত প্রেম || Samaresh Majumdar
পত্ৰজাত প্রেম সকালের ডাকে চিঠিটা এসেছিল। অফিসে বেরুবার সময় লেটার

ফুলের মধ্যে সাপ || Samaresh Majumdar
ফুলের মধ্যে সাপ রাস্তাটা যেখানে ঘোড়ার নালের মতো বাঁক মেরেছে

জনতোষণ || Samaresh Majumdar
জনতোষণ আমাদের পাড়ার শিবু ঘোষ এখন ফিল্ম লাইনে ভালো টাকা

গ্রীষ্মকাল এসে গেছে ||Samaresh Majumdar
গ্রীষ্মকাল এসে গেছে বন্ধ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করলেন রবার্ট

শিহরণ || Samaresh Majumdar
শিহরণ শক্তিব্রতবাবু মুখ তুলে কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখলেন। এই ভয়ংকর গরমেও

প্রেমে ওঠা || Samaresh Majumdar
প্রেমে ওঠা প্রেমে পড়লেন পতিতপাবন পাল। সহকর্মীরা ডাকত ট্রিপল পি

চর, শহর এবং একটি বেকুফ || Samaresh Majumdar
চর, শহর এবং একটি বেকুফ দিনরাত এখানে হাওয়া উথালপাথাল হয়।

রুদ্রায়ণ || Samaresh Majumdar
রুদ্রায়ণ দুপুর একটু গড়ালেই এখানে ঠান্ডা হাওয়া বয়। সঙ্গে-সঙ্গে চারপাশে

নিস্তার নৌকো || Samaresh Majumdar
নিস্তার নৌকো দক্ষিণ খোলা বাড়িটা তৈরি করতে সুধাময়ের একটু বেশি

কেউটের জাত || Samaresh Majumdar
কেউটের জাত সাধারণত খুব সক্কালে ঘুম ভাঙে রতনের। তখন একটা

চার দেওয়াল এবং একটি খাট || Samaresh Majumdar
চার দেওয়াল এবং একটি খাট ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে

বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বেঁচে থাকা ট্র্যাঙ্গুলার পার্কের সামনে অবনীভূষণ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। আশেপাশের

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

আশ্চর্য প্রদীপ || Samaresh Majumdar
আশ্চর্য প্রদীপ ঠা-ঠা রোদ্দুরে ছেলেটা হাঁটছিল। শামবাটির খাল পেরিয়ে রাস্তাটা

আদ্যশ্রাদ্ধ || Samaresh Majumdar
আদ্যশ্রাদ্ধ প্রথম এসেছিল অমল। দিল্লি থেকে প্লেনেই উড়ে আসবে ভেবেছিল,

শান্তিজল || Samaresh Majumdar
শান্তিজল তার সুটকেসটা নেওয়ার জন্যে হাত বাড়িয়ে অনুপ বলল, দে।

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার

শূকরছানা || Samaresh Majumdar
শূকরছানা কুকুরগুলোর খাওয়া দেখছিল ছেলেটা। তিনটে জিভ একসঙ্গে পড়ছে থালাতে,

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

সন্ধেবেলার মানুষ || Samaresh Majumdar
সন্ধেবেলার মানুষ পরদা উঠলে দেখা গেল মঞ্চ অন্ধকার। কয়েক মুহূর্ত

জননী || Samaresh Majumdar
জননী তিন-তিনটে শকুন মাথার ওপর পাক খেয়ে গেল। খুব কাছাকাছি

কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই || Samaresh Majumdar
কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই এক চৈত্রের দুপুরে জনমানবহীন

উৎসবের রাত || Samaresh Majumdar
উৎসবের রাত এখনও অনেক কিছু পারেন না প্রতিভা। এই যেমন,

অক্টোপাস || Samaresh Majumdar
অক্টোপাস এই মেঘ অসময়ের। তবু দু-দুটো দিন এঁটুলির মতো লেগে

নিজের সঙ্গে খেলা || Samaresh Majumdar
নিজের সঙ্গে খেলা কাল সারারাত ওরা বৃষ্টিতে ভিজেছে। এই ঘন

প্রতীক্ষার পুরুষ || Samaresh Majumdar
প্রতীক্ষার পুরুষ যে ট্রেনের পৌঁছবার কথা বিকেল তিনটেয়, সেটা এল

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

শিকার কাহিনি || Samaresh Majumdar
শিকার কাহিনি আঠারো বছরের এই বাড়িটার মালিক পাণ্ডেজি। অত্যন্ত সজ্জন

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

প্রাকৃতিক || Samaresh Majumdar
প্রাকৃতিক পঁচাত্তরে পড়তে আর তিনমাস; কিন্তু স্বপ্নেন্দুর মাথার একটি চুলও

প্রতিপালন || Samaresh Majumdar
প্রতিপালন কি আশ্চর্য, তোমার ওই মিডল ক্লাস মানসিকতা এখনও গেল

সে এবং জীবনানন্দ দাশ || Samaresh Majumdar
সে এবং জীবনানন্দ দাশ এখানে হাওয়ারা হাওয়াদের মতো বয়ে যায়।

জীবন যখন উদাস || Samaresh Majumdar
জীবন যখন উদাস অস্বস্তি শুরু হয়েছিল দিন পাঁচেক আগে। তখন

রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি || Samaresh Majumdar
রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি সুধা বলেছিল, পুরুষজাতটাকে বাপু কোনওদিন

হয়তো পরের পূর্ণিমায় || Samaresh Majumdar
হয়তো পরের পূর্ণিমায় আকাশের দিকে মুখ তুলে দেখছিল সে। রাগি

জায়গা নেই || Samaresh Majumdar
জায়গা নেই নিচে নেমে এল নিখিলেশ। সন্ধের পর শীতটা বেশ

পরিবর্তিত পরিস্থিতি || Samaresh Majumdar
পরিবর্তিত পরিস্থিতি রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন অবনীমোহন। তাঁর বাঁ-দিকে বাসব বসে

ভগীরথ || Samaresh Majumdar
ভগীরথ চিৎ হয়ে শুয়েছিল শিবনাথ। পা থেকে চাদরটা কপাল অবধি

মানুষের মতো || Samaresh Majumdar
মানুষের মতো এই বাড়ি ওর। মাঝে-মাঝে নিজের কাছেই কেমন অস্বস্তিকর

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

রাজার মতো যাওয়া || Samaresh Majumdar
রাজার মতো যাওয়া আজকাল রাত না ফুরোতেই ঘুম ভেঙে যায়।

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

সহাবস্থান || Samaresh Majumdar
সহাবস্থান এখন বিকেল। ব্যালকনিতে চেয়ার পেতে বসেছিলেন দিব্যজ্যোতি। সামনে চোখ

তৃতীয় নয়ন || Samaresh Majumdar
তৃতীয় নয়ন পলাশপুরে আমার বাবা কাজ করতেন। ও-অঞ্চলের সমস্ত চা-বাগানগুলোর

হিম আগুন || Samaresh Majumdar
হিম আগুন গত কয়েকদিনের মধ্যে গত রাতেই বোধহয় ঠান্ডাটা কট্টর

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ || Samaresh Majumdar
ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ চেয়ারে বসে দুলছিল দ্বিজদাস। সেই ভোররাত থেকে

ভ্রমণ বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
ভ্রমণ বৃত্তান্ত সেই যে, কে যেন বলেছিলেন, অনেক হল, এবার

তিন সিংহ ধান খায় || Samaresh Majumdar
তিন সিংহ ধান খায় প্রথম দর্শনে লোকটিকে সন্ন্যাসী বলিয়া মনে

মানুষের মেটে || Samaresh Majumdar
মানুষের মেটে এতকাল বাবুর যত রোগ ছিল মনে, এবার শরীরেও।

বন্ধুর মতো || Samaresh Majumdar
বন্ধুর মতো ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে রঞ্জন বলল, এই বাড়ি।

জোড়া পা || Samaresh Majumdar
জোড়া পা কেউ একজন সাইকেলে এসে গাছতলায় বলে গেল, লাইনের

স্বপ্নের রথে রপ্তানি || Samaresh Majumdar
স্বপ্নের রথে রপ্তানি ব্যাপারটা কীরকম? যে সন্ধেয় একটু পানভোজন হয়

জঠর || Samaresh Majumdar
জঠর কুঁচকে যাওয়া পাটসিলকের ঝোলা পাঞ্জাবি খাটো ধুতি আর প্রায়

আকাশের আড়ালে আকাশ || Samaresh Majumdar
আকাশের আড়ালে আকাশ মাঠঘাট পেরিয়ে ছুটতে-ছুটতে ট্রেনটা বিকেল শেষ করে

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

পিতা-পুত্র উপাখ্যান || Samaresh Majumdar
পিতা-পুত্র উপাখ্যান ডুডুয়ার সতীশ রায় মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘দূর

