সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

গ্রীষ্মকাল এসে গেছে ||Samaresh Majumdar
গ্রীষ্মকাল এসে গেছে বন্ধ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করলেন রবার্ট

খেয়ালি || Samaresh Majumdar
খেয়ালি জংশন স্টেশন থেকে দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেন ধরলে ঠিক

বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বেঁচে থাকা ট্র্যাঙ্গুলার পার্কের সামনে অবনীভূষণ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। আশেপাশের

প্রাকৃতিক || Samaresh Majumdar
প্রাকৃতিক পঁচাত্তরে পড়তে আর তিনমাস; কিন্তু স্বপ্নেন্দুর মাথার একটি চুলও

জঠর || Samaresh Majumdar
জঠর কুঁচকে যাওয়া পাটসিলকের ঝোলা পাঞ্জাবি খাটো ধুতি আর প্রায়

জিয়োনো মাছ || Samaresh Majumdar
জিয়োনো মাছ চা চুরির জন্য চাকরিটা চলে গেল বংশীর। অথচ

রাজার মতো যাওয়া || Samaresh Majumdar
রাজার মতো যাওয়া আজকাল রাত না ফুরোতেই ঘুম ভেঙে যায়।

সল্টলেকের বাড়ি || Samaresh Majumdar
সল্টলেকের বাড়ি শ্রাদ্ধ-শান্তি চুকে যাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে

দিয়ে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দিয়ে যাওয়া মেঝেতে পাতা বিছানায় শোয়া বিজনের একদম অভ্যেস নেই,

আঁচড় || Samaresh Majumdar
আঁচড় এখন দিনদুপুরেই বাড়িটাকে ভূতুড়ে বলে মনে হয়। এই বাড়ির

প্রতীক্ষার পুরুষ || Samaresh Majumdar
প্রতীক্ষার পুরুষ যে ট্রেনের পৌঁছবার কথা বিকেল তিনটেয়, সেটা এল

পুলিশের নাম বসন্ত || Samaresh Majumdar
পুলিশের নাম বসন্ত ট্রামবাস চলতে শুরু করে দেয় দুটো নাগাদ,

হিম আগুন || Samaresh Majumdar
হিম আগুন গত কয়েকদিনের মধ্যে গত রাতেই বোধহয় ঠান্ডাটা কট্টর

স্বপ্নের রথে রপ্তানি || Samaresh Majumdar
স্বপ্নের রথে রপ্তানি ব্যাপারটা কীরকম? যে সন্ধেয় একটু পানভোজন হয়

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

আকাশের আড়ালে আকাশ || Samaresh Majumdar
আকাশের আড়ালে আকাশ মাঠঘাট পেরিয়ে ছুটতে-ছুটতে ট্রেনটা বিকেল শেষ করে

চর, শহর এবং একটি বেকুফ || Samaresh Majumdar
চর, শহর এবং একটি বেকুফ দিনরাত এখানে হাওয়া উথালপাথাল হয়।

উৎসবের রাত || Samaresh Majumdar
উৎসবের রাত এখনও অনেক কিছু পারেন না প্রতিভা। এই যেমন,

জননী || Samaresh Majumdar
জননী তিন-তিনটে শকুন মাথার ওপর পাক খেয়ে গেল। খুব কাছাকাছি

ললাট লিখন || Samaresh Majumdar
ললাট লিখন গ্রামের নাম ত্রিশূল। মোটামুটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কিন্তু জমিদার

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

ফুলের মধ্যে সাপ || Samaresh Majumdar
ফুলের মধ্যে সাপ রাস্তাটা যেখানে ঘোড়ার নালের মতো বাঁক মেরেছে

স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ || Samaresh Majumdar
স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ প্রায় আঠারো বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম

দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি || Samaresh Majumdar
দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি সিগারেটের তামাক সরু তার দিয়ে

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই || Samaresh Majumdar
কুসুম আমি জানি তুমি ভালো নেই এক চৈত্রের দুপুরে জনমানবহীন

পত্ৰজাত প্রেম || Samaresh Majumdar
পত্ৰজাত প্রেম সকালের ডাকে চিঠিটা এসেছিল। অফিসে বেরুবার সময় লেটার

রুদ্রায়ণ || Samaresh Majumdar
রুদ্রায়ণ দুপুর একটু গড়ালেই এখানে ঠান্ডা হাওয়া বয়। সঙ্গে-সঙ্গে চারপাশে

তিন সিংহ ধান খায় || Samaresh Majumdar
তিন সিংহ ধান খায় প্রথম দর্শনে লোকটিকে সন্ন্যাসী বলিয়া মনে

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

বদরক্ত || Samaresh Majumdar
বদরক্ত দিনরাত ঝুপঝুপ বৃষ্টি তবু মানুষের আসা বন্ধ হচ্ছে না।

কালরাত্রি || Samaresh Majumdar
কালরাত্রি টিফিনের সময় ক্লাসে কেউই থাকে না। কাত্যায়নী টিফিনের বাক্স

হৃদয়ঙ্গম || Samaresh Majumdar
হৃদয়ঙ্গম বিছানায় শুয়েই সূর্য টের পেল বউদি দাদাকে তাতাচ্ছে। ওপাশের

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

আপনা মাংসে হরিণা বৈরী || Samaresh Majumdar
আপনা মাংসে হরিণা বৈরী আজ সকালে যখন বেলটা বেজেছিল তখন

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

আদ্যশ্রাদ্ধ || Samaresh Majumdar
আদ্যশ্রাদ্ধ প্রথম এসেছিল অমল। দিল্লি থেকে প্লেনেই উড়ে আসবে ভেবেছিল,

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

প্রেমে ওঠা || Samaresh Majumdar
প্রেমে ওঠা প্রেমে পড়লেন পতিতপাবন পাল। সহকর্মীরা ডাকত ট্রিপল পি

শূকরছানা || Samaresh Majumdar
শূকরছানা কুকুরগুলোর খাওয়া দেখছিল ছেলেটা। তিনটে জিভ একসঙ্গে পড়ছে থালাতে,

যুদ্ধক্ষেত্রে একজন || Samaresh Majumdar
যুদ্ধক্ষেত্রে একজন ছয় ক্রোশ কাদা ভেঙে জোড়খালি গাঁয়ে বাইরের লোক

বন্ধুর মতো || Samaresh Majumdar
বন্ধুর মতো ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে রঞ্জন বলল, এই বাড়ি।

পরিবর্তিত পরিস্থিতি || Samaresh Majumdar
পরিবর্তিত পরিস্থিতি রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন অবনীমোহন। তাঁর বাঁ-দিকে বাসব বসে

খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে || Samaresh Majumdar
খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে পরীক্ষাটা ছিল চাকরির। দেওয়ার সময়েই বুঝতে

বঙ্গ আমার জননী || Samaresh Majumdar
বঙ্গ আমার জননী আমার দোয়েল পাখি দুটোর দিকে তাকিয়ে ইমনের

ভ্রমণ বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
ভ্রমণ বৃত্তান্ত সেই যে, কে যেন বলেছিলেন, অনেক হল, এবার

গুরুচণ্ডালী কথা || Samaresh Majumdar
গুরুচণ্ডালী কথা সেই দ্বিপ্রহরবেলা হইতে সমগ্র শহর এবং নিকটস্থ গ্রামগুলি

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ || Samaresh Majumdar
ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ চেয়ারে বসে দুলছিল দ্বিজদাস। সেই ভোররাত থেকে

প্রতিপালন || Samaresh Majumdar
প্রতিপালন কি আশ্চর্য, তোমার ওই মিডল ক্লাস মানসিকতা এখনও গেল

রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি || Samaresh Majumdar
রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি সুধা বলেছিল, পুরুষজাতটাকে বাপু কোনওদিন

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

ভাসানের সুরে বোধনের গান || Samaresh Majumdar
ভাসানের সুরে বোধনের গান এই বাড়িটা তার পিতামহের তৈরি। সেকেলে

জায়গা নেই || Samaresh Majumdar
জায়গা নেই নিচে নেমে এল নিখিলেশ। সন্ধের পর শীতটা বেশ

নিশির ডাক || Samaresh Majumdar
নিশির ডাক টেলিফোনটা যেন আর্তনাদ করছিল। ওটা আছে হল ঘরে।

বেনোজল || Samaresh Majumdar
বেনোজল স্টেশনটা পেরিয়ে শানবাঁধানো রিকশার চত্বরটায় পা দিতেই চমক লেগেছিল।

বর্ণপরিচয় || Samaresh Majumdar
বর্ণপরিচয় তারাপদ বিশ্বাস, হৃদয়পুরের তারাপদ বিশ্বাসের মাথায় ব্যাপারটা কিছুতেই ঢোকে


