সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

ভগীরথ || Samaresh Majumdar
ভগীরথ চিৎ হয়ে শুয়েছিল শিবনাথ। পা থেকে চাদরটা কপাল অবধি

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

ললাট লিখন || Samaresh Majumdar
ললাট লিখন গ্রামের নাম ত্রিশূল। মোটামুটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কিন্তু জমিদার

বঙ্গ আমার জননী || Samaresh Majumdar
বঙ্গ আমার জননী আমার দোয়েল পাখি দুটোর দিকে তাকিয়ে ইমনের

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

চার দেওয়াল এবং একটি খাট || Samaresh Majumdar
চার দেওয়াল এবং একটি খাট ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে

শিশিরের জল || Samaresh Majumdar
শিশিরের জল দমদম এয়ারপোর্ট থেকে বেরোবার আগে তার পাসপোর্ট দেখে

রাজার মতো যাওয়া || Samaresh Majumdar
রাজার মতো যাওয়া আজকাল রাত না ফুরোতেই ঘুম ভেঙে যায়।

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

রুদ্রায়ণ || Samaresh Majumdar
রুদ্রায়ণ দুপুর একটু গড়ালেই এখানে ঠান্ডা হাওয়া বয়। সঙ্গে-সঙ্গে চারপাশে

আপনা মাংসে হরিণা বৈরী || Samaresh Majumdar
আপনা মাংসে হরিণা বৈরী আজ সকালে যখন বেলটা বেজেছিল তখন

ফুলের মধ্যে সাপ || Samaresh Majumdar
ফুলের মধ্যে সাপ রাস্তাটা যেখানে ঘোড়ার নালের মতো বাঁক মেরেছে

শিহরণ || Samaresh Majumdar
শিহরণ শক্তিব্রতবাবু মুখ তুলে কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখলেন। এই ভয়ংকর গরমেও

নিস্তার নৌকো || Samaresh Majumdar
নিস্তার নৌকো দক্ষিণ খোলা বাড়িটা তৈরি করতে সুধাময়ের একটু বেশি

তিন সিংহ ধান খায় || Samaresh Majumdar
তিন সিংহ ধান খায় প্রথম দর্শনে লোকটিকে সন্ন্যাসী বলিয়া মনে

বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বেঁচে থাকা ট্র্যাঙ্গুলার পার্কের সামনে অবনীভূষণ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। আশেপাশের

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

জননী || Samaresh Majumdar
জননী তিন-তিনটে শকুন মাথার ওপর পাক খেয়ে গেল। খুব কাছাকাছি

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

জীবন যখন উদাস || Samaresh Majumdar
জীবন যখন উদাস অস্বস্তি শুরু হয়েছিল দিন পাঁচেক আগে। তখন

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

টাটকা বরফের মাছ || Samaresh Majumdar
টাটকা বরফের মাছ ঠিক তিনদিনে মুকুন্দর গায়ের চামড়া মোটা হয়ে

খেয়ালি || Samaresh Majumdar
খেয়ালি জংশন স্টেশন থেকে দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেন ধরলে ঠিক

আঁচড় || Samaresh Majumdar
আঁচড় এখন দিনদুপুরেই বাড়িটাকে ভূতুড়ে বলে মনে হয়। এই বাড়ির

খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে || Samaresh Majumdar
খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে পরীক্ষাটা ছিল চাকরির। দেওয়ার সময়েই বুঝতে

হয়তো পরের পূর্ণিমায় || Samaresh Majumdar
হয়তো পরের পূর্ণিমায় আকাশের দিকে মুখ তুলে দেখছিল সে। রাগি

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি || Samaresh Majumdar
দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি সিগারেটের তামাক সরু তার দিয়ে

গ্রীষ্মকাল এসে গেছে ||Samaresh Majumdar
গ্রীষ্মকাল এসে গেছে বন্ধ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করলেন রবার্ট

স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ || Samaresh Majumdar
স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ প্রায় আঠারো বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম

শিকার কাহিনি || Samaresh Majumdar
শিকার কাহিনি আঠারো বছরের এই বাড়িটার মালিক পাণ্ডেজি। অত্যন্ত সজ্জন

পুতুলের খেলা || Samaresh Majumdar
পুতুলের খেলা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন বড় অফিসারকে ধরে দিল্লির বঙ্গভবনে

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

দুলতে-দুলতে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দুলতে-দুলতে যাওয়া বাড়িটা খুঁজে বের করতে বেশ সন্ধে হয়ে গেল।

প্রতীক্ষার পুরুষ || Samaresh Majumdar
প্রতীক্ষার পুরুষ যে ট্রেনের পৌঁছবার কথা বিকেল তিনটেয়, সেটা এল

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

জীবনে যেমনটি হয় || Samaresh Majumdar
জীবনে যেমনটি হয় চিত্তপ্রিয় চ্যাটার্জি অবসর নিয়েছেন বছর ছয়েক হল

আশ্চর্য প্রদীপ || Samaresh Majumdar
আশ্চর্য প্রদীপ ঠা-ঠা রোদ্দুরে ছেলেটা হাঁটছিল। শামবাটির খাল পেরিয়ে রাস্তাটা

কাঠঠোকরা || Samaresh Majumdar
কাঠঠোকরা দপ্তর থেকে ইস্যু করা পাশ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তেও একটা

অন্নপ্রাশন || Samaresh Majumdar
অন্নপ্রাশন ফুলের বাগানে হেঁটে বেড়াচ্ছে উমাপদ, এমন ভঙ্গিতে চারপাশে তাকাল।

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার
