সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

ললাট লিখন || Samaresh Majumdar
ললাট লিখন গ্রামের নাম ত্রিশূল। মোটামুটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কিন্তু জমিদার

চর, শহর এবং একটি বেকুফ || Samaresh Majumdar
চর, শহর এবং একটি বেকুফ দিনরাত এখানে হাওয়া উথালপাথাল হয়।

তবু জীবন অগাধ || Samaresh Majumdar
তবু জীবন অগাধ তুমি ভুল বুঝলেই নিশ্বাস ভারী হয়। বারোতলা

গুরুচণ্ডালী কথা || Samaresh Majumdar
গুরুচণ্ডালী কথা সেই দ্বিপ্রহরবেলা হইতে সমগ্র শহর এবং নিকটস্থ গ্রামগুলি

প্রাকৃতিক || Samaresh Majumdar
প্রাকৃতিক পঁচাত্তরে পড়তে আর তিনমাস; কিন্তু স্বপ্নেন্দুর মাথার একটি চুলও

আপনা মাংসে হরিণা বৈরী || Samaresh Majumdar
আপনা মাংসে হরিণা বৈরী আজ সকালে যখন বেলটা বেজেছিল তখন

বন্ধুর মতো || Samaresh Majumdar
বন্ধুর মতো ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে রঞ্জন বলল, এই বাড়ি।

চার দেওয়াল এবং একটি খাট || Samaresh Majumdar
চার দেওয়াল এবং একটি খাট ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা কর্তামশাই জমিটা কিনে দিয়ে বলেছিলেন, ‘হারা, সারাজীবন

কাঠঠোকরা || Samaresh Majumdar
কাঠঠোকরা দপ্তর থেকে ইস্যু করা পাশ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তেও একটা

তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা || Samaresh Majumdar
তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা সরকারি হাসপাতাল হলেও ঘরে

খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে || Samaresh Majumdar
খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে পরীক্ষাটা ছিল চাকরির। দেওয়ার সময়েই বুঝতে

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

নিস্তার নৌকো || Samaresh Majumdar
নিস্তার নৌকো দক্ষিণ খোলা বাড়িটা তৈরি করতে সুধাময়ের একটু বেশি

যুদ্ধক্ষেত্রে একজন || Samaresh Majumdar
যুদ্ধক্ষেত্রে একজন ছয় ক্রোশ কাদা ভেঙে জোড়খালি গাঁয়ে বাইরের লোক

স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ || Samaresh Majumdar
স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ প্রায় আঠারো বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

প্রেমে ওঠা || Samaresh Majumdar
প্রেমে ওঠা প্রেমে পড়লেন পতিতপাবন পাল। সহকর্মীরা ডাকত ট্রিপল পি

বঙ্গ আমার জননী || Samaresh Majumdar
বঙ্গ আমার জননী আমার দোয়েল পাখি দুটোর দিকে তাকিয়ে ইমনের

কেউটের জাত || Samaresh Majumdar
কেউটের জাত সাধারণত খুব সক্কালে ঘুম ভাঙে রতনের। তখন একটা

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

জীবন যখন উদাস || Samaresh Majumdar
জীবন যখন উদাস অস্বস্তি শুরু হয়েছিল দিন পাঁচেক আগে। তখন

প্রতিপালন || Samaresh Majumdar
প্রতিপালন কি আশ্চর্য, তোমার ওই মিডল ক্লাস মানসিকতা এখনও গেল

ম্লান-অম্লান || Samaresh Majumdar
ম্লান-অম্লান নিরাপদ বসুকে এই কাহিনির নায়ক বলা যাবে না। অথচ

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

দুলতে-দুলতে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দুলতে-দুলতে যাওয়া বাড়িটা খুঁজে বের করতে বেশ সন্ধে হয়ে গেল।

শিশিরের জল || Samaresh Majumdar
শিশিরের জল দমদম এয়ারপোর্ট থেকে বেরোবার আগে তার পাসপোর্ট দেখে

নিজের সঙ্গে খেলা || Samaresh Majumdar
নিজের সঙ্গে খেলা কাল সারারাত ওরা বৃষ্টিতে ভিজেছে। এই ঘন

জঠর || Samaresh Majumdar
জঠর কুঁচকে যাওয়া পাটসিলকের ঝোলা পাঞ্জাবি খাটো ধুতি আর প্রায়

হঠাৎ হয়ে যায় || Samaresh Majumdar
হঠাৎ হয়ে যায় দক্ষিণের বারান্দায় বেতের চেয়ারে শরীরটাকে ছেড়ে দিয়ে

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার

সে এবং জীবনানন্দ দাশ || Samaresh Majumdar
সে এবং জীবনানন্দ দাশ এখানে হাওয়ারা হাওয়াদের মতো বয়ে যায়।

স্বামীর আত্মা || Samaresh Majumdar
স্বামীর আত্মা সকালবেলার সদ্য চায়ের কাপ শেষ করেছে সৌরভ, বেল

পিতা-পুত্র উপাখ্যান || Samaresh Majumdar
পিতা-পুত্র উপাখ্যান ডুডুয়ার সতীশ রায় মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘দূর

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

পুলিশের নাম বসন্ত || Samaresh Majumdar
পুলিশের নাম বসন্ত ট্রামবাস চলতে শুরু করে দেয় দুটো নাগাদ,

দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি || Samaresh Majumdar
দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি সিগারেটের তামাক সরু তার দিয়ে

শূকরছানা || Samaresh Majumdar
শূকরছানা কুকুরগুলোর খাওয়া দেখছিল ছেলেটা। তিনটে জিভ একসঙ্গে পড়ছে থালাতে,

কাঁকলাস || Samaresh Majumdar
কাঁকলাস বিলিতি মদ দিয়ে ভিজিয়ে রাখলে পায়ের শুকনো চামড়া নরম

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

ভাসানের সুরে বোধনের গান || Samaresh Majumdar
ভাসানের সুরে বোধনের গান এই বাড়িটা তার পিতামহের তৈরি। সেকেলে

শিহরণ || Samaresh Majumdar
শিহরণ শক্তিব্রতবাবু মুখ তুলে কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখলেন। এই ভয়ংকর গরমেও

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

জিয়োনো মাছ || Samaresh Majumdar
জিয়োনো মাছ চা চুরির জন্য চাকরিটা চলে গেল বংশীর। অথচ

শিকার কাহিনি || Samaresh Majumdar
শিকার কাহিনি আঠারো বছরের এই বাড়িটার মালিক পাণ্ডেজি। অত্যন্ত সজ্জন

ইঁদুরের কল || Samaresh Majumdar
ইঁদুরের কল নিরাপদ একজন বাঙালি প্রৌঢ়ের নাম, যার কোনও উজ্জ্বল

জীবনে যেমনটি হয় || Samaresh Majumdar
জীবনে যেমনটি হয় চিত্তপ্রিয় চ্যাটার্জি অবসর নিয়েছেন বছর ছয়েক হল

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

সহাবস্থান || Samaresh Majumdar
সহাবস্থান এখন বিকেল। ব্যালকনিতে চেয়ার পেতে বসেছিলেন দিব্যজ্যোতি। সামনে চোখ

উৎসবের রাত || Samaresh Majumdar
উৎসবের রাত এখনও অনেক কিছু পারেন না প্রতিভা। এই যেমন,

আকাশের আড়ালে আকাশ || Samaresh Majumdar
আকাশের আড়ালে আকাশ মাঠঘাট পেরিয়ে ছুটতে-ছুটতে ট্রেনটা বিকেল শেষ করে

আদ্যশ্রাদ্ধ || Samaresh Majumdar
আদ্যশ্রাদ্ধ প্রথম এসেছিল অমল। দিল্লি থেকে প্লেনেই উড়ে আসবে ভেবেছিল,

বেনোজল || Samaresh Majumdar
বেনোজল স্টেশনটা পেরিয়ে শানবাঁধানো রিকশার চত্বরটায় পা দিতেই চমক লেগেছিল।

হিম আগুন || Samaresh Majumdar
হিম আগুন গত কয়েকদিনের মধ্যে গত রাতেই বোধহয় ঠান্ডাটা কট্টর

জন্ম বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
জন্ম বৃত্তান্ত একটু আস্তে হাঁটো! ঠিক আছে। উঁহু, ঠিক নেই।

টাটকা বরফের মাছ || Samaresh Majumdar
টাটকা বরফের মাছ ঠিক তিনদিনে মুকুন্দর গায়ের চামড়া মোটা হয়ে


