সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

সন্ধেবেলার মানুষ || Samaresh Majumdar
সন্ধেবেলার মানুষ পরদা উঠলে দেখা গেল মঞ্চ অন্ধকার। কয়েক মুহূর্ত

ভ্রমণ বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
ভ্রমণ বৃত্তান্ত সেই যে, কে যেন বলেছিলেন, অনেক হল, এবার

গ্রীষ্মকাল এসে গেছে ||Samaresh Majumdar
গ্রীষ্মকাল এসে গেছে বন্ধ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করলেন রবার্ট

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

শিশিরের জল || Samaresh Majumdar
শিশিরের জল দমদম এয়ারপোর্ট থেকে বেরোবার আগে তার পাসপোর্ট দেখে

হৃদয়ঙ্গম || Samaresh Majumdar
হৃদয়ঙ্গম বিছানায় শুয়েই সূর্য টের পেল বউদি দাদাকে তাতাচ্ছে। ওপাশের

জীবনে যেমনটি হয় || Samaresh Majumdar
জীবনে যেমনটি হয় চিত্তপ্রিয় চ্যাটার্জি অবসর নিয়েছেন বছর ছয়েক হল

হয়তো পরের পূর্ণিমায় || Samaresh Majumdar
হয়তো পরের পূর্ণিমায় আকাশের দিকে মুখ তুলে দেখছিল সে। রাগি

হিম আগুন || Samaresh Majumdar
হিম আগুন গত কয়েকদিনের মধ্যে গত রাতেই বোধহয় ঠান্ডাটা কট্টর

বেনোজল || Samaresh Majumdar
বেনোজল স্টেশনটা পেরিয়ে শানবাঁধানো রিকশার চত্বরটায় পা দিতেই চমক লেগেছিল।

আঙরাভাসা || Samaresh Majumdar
আঙরাভাসা তারপরে এক সময় দিনটাও ফুরিয়ে গেল। আমাদের বাড়ির সামনে

পত্ৰজাত প্রেম || Samaresh Majumdar
পত্ৰজাত প্রেম সকালের ডাকে চিঠিটা এসেছিল। অফিসে বেরুবার সময় লেটার

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

চার দেওয়াল এবং একটি খাট || Samaresh Majumdar
চার দেওয়াল এবং একটি খাট ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে

জিয়োনো মাছ || Samaresh Majumdar
জিয়োনো মাছ চা চুরির জন্য চাকরিটা চলে গেল বংশীর। অথচ

হিপিরা এসেছিল || Samaresh Majumdar
হিপিরা এসেছিল কাল রাতের বুলেটিনে বি বি সি বলেছিল আজ

প্রাকৃতিক || Samaresh Majumdar
প্রাকৃতিক পঁচাত্তরে পড়তে আর তিনমাস; কিন্তু স্বপ্নেন্দুর মাথার একটি চুলও

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

অন্নপ্রাশন || Samaresh Majumdar
অন্নপ্রাশন ফুলের বাগানে হেঁটে বেড়াচ্ছে উমাপদ, এমন ভঙ্গিতে চারপাশে তাকাল।

দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি || Samaresh Majumdar
দেশলাইয়ের বাক্স এবং নির্বারুদ কাঠি সিগারেটের তামাক সরু তার দিয়ে

জননী || Samaresh Majumdar
জননী তিন-তিনটে শকুন মাথার ওপর পাক খেয়ে গেল। খুব কাছাকাছি

নিশির ডাক || Samaresh Majumdar
নিশির ডাক টেলিফোনটা যেন আর্তনাদ করছিল। ওটা আছে হল ঘরে।

মানুষের মেটে || Samaresh Majumdar
মানুষের মেটে এতকাল বাবুর যত রোগ ছিল মনে, এবার শরীরেও।

বর্ণপরিচয় || Samaresh Majumdar
বর্ণপরিচয় তারাপদ বিশ্বাস, হৃদয়পুরের তারাপদ বিশ্বাসের মাথায় ব্যাপারটা কিছুতেই ঢোকে

ভগীরথ || Samaresh Majumdar
ভগীরথ চিৎ হয়ে শুয়েছিল শিবনাথ। পা থেকে চাদরটা কপাল অবধি

নিস্তার নৌকো || Samaresh Majumdar
নিস্তার নৌকো দক্ষিণ খোলা বাড়িটা তৈরি করতে সুধাময়ের একটু বেশি

কাঠঠোকরা || Samaresh Majumdar
কাঠঠোকরা দপ্তর থেকে ইস্যু করা পাশ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তেও একটা

সহাবস্থান || Samaresh Majumdar
সহাবস্থান এখন বিকেল। ব্যালকনিতে চেয়ার পেতে বসেছিলেন দিব্যজ্যোতি। সামনে চোখ

পিতা-পুত্র উপাখ্যান || Samaresh Majumdar
পিতা-পুত্র উপাখ্যান ডুডুয়ার সতীশ রায় মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘দূর

জায়গা নেই || Samaresh Majumdar
জায়গা নেই নিচে নেমে এল নিখিলেশ। সন্ধের পর শীতটা বেশ

প্রতীক্ষার পুরুষ || Samaresh Majumdar
প্রতীক্ষার পুরুষ যে ট্রেনের পৌঁছবার কথা বিকেল তিনটেয়, সেটা এল

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

ললাট লিখন || Samaresh Majumdar
ললাট লিখন গ্রামের নাম ত্রিশূল। মোটামুটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। কিন্তু জমিদার

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার

তবু জীবন অগাধ || Samaresh Majumdar
তবু জীবন অগাধ তুমি ভুল বুঝলেই নিশ্বাস ভারী হয়। বারোতলা

ম্লান-অম্লান || Samaresh Majumdar
ম্লান-অম্লান নিরাপদ বসুকে এই কাহিনির নায়ক বলা যাবে না। অথচ

মানুষের মতো || Samaresh Majumdar
মানুষের মতো এই বাড়ি ওর। মাঝে-মাঝে নিজের কাছেই কেমন অস্বস্তিকর

বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা কর্তামশাই জমিটা কিনে দিয়ে বলেছিলেন, ‘হারা, সারাজীবন

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা || Samaresh Majumdar
তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা সরকারি হাসপাতাল হলেও ঘরে

রুদ্রায়ণ || Samaresh Majumdar
রুদ্রায়ণ দুপুর একটু গড়ালেই এখানে ঠান্ডা হাওয়া বয়। সঙ্গে-সঙ্গে চারপাশে

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

টাটকা বরফের মাছ || Samaresh Majumdar
টাটকা বরফের মাছ ঠিক তিনদিনে মুকুন্দর গায়ের চামড়া মোটা হয়ে

বদরক্ত || Samaresh Majumdar
বদরক্ত দিনরাত ঝুপঝুপ বৃষ্টি তবু মানুষের আসা বন্ধ হচ্ছে না।

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

খেয়ালি || Samaresh Majumdar
খেয়ালি জংশন স্টেশন থেকে দুপুর সাড়ে বারোটার ট্রেন ধরলে ঠিক

খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে || Samaresh Majumdar
খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে পরীক্ষাটা ছিল চাকরির। দেওয়ার সময়েই বুঝতে

বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বেঁচে থাকা ট্র্যাঙ্গুলার পার্কের সামনে অবনীভূষণ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। আশেপাশের

উৎসবের রাত || Samaresh Majumdar
উৎসবের রাত এখনও অনেক কিছু পারেন না প্রতিভা। এই যেমন,

দুলতে-দুলতে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দুলতে-দুলতে যাওয়া বাড়িটা খুঁজে বের করতে বেশ সন্ধে হয়ে গেল।

পুলিশের নাম বসন্ত || Samaresh Majumdar
পুলিশের নাম বসন্ত ট্রামবাস চলতে শুরু করে দেয় দুটো নাগাদ,

জীবন যখন উদাস || Samaresh Majumdar
জীবন যখন উদাস অস্বস্তি শুরু হয়েছিল দিন পাঁচেক আগে। তখন

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

জনতোষণ || Samaresh Majumdar
জনতোষণ আমাদের পাড়ার শিবু ঘোষ এখন ফিল্ম লাইনে ভালো টাকা

আপনা মাংসে হরিণা বৈরী || Samaresh Majumdar
আপনা মাংসে হরিণা বৈরী আজ সকালে যখন বেলটা বেজেছিল তখন

ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ || Samaresh Majumdar
ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ চেয়ারে বসে দুলছিল দ্বিজদাস। সেই ভোররাত থেকে

জন্ম বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
জন্ম বৃত্তান্ত একটু আস্তে হাঁটো! ঠিক আছে। উঁহু, ঠিক নেই।

গুরুচণ্ডালী কথা || Samaresh Majumdar
গুরুচণ্ডালী কথা সেই দ্বিপ্রহরবেলা হইতে সমগ্র শহর এবং নিকটস্থ গ্রামগুলি


