শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

লুলু || Shirshendu Mukhopadhyay
লুলু (Lulu) লুলুই হচ্ছে সবকিছুর মূলে। লুলু আসলে কে বা

হরণ || Shirshendu Mukhopadhyay
হরণ (Horon) হ্যালো! হ্যালো! –হ্যাঁ, হ্যাঁ, বলুন না। আচ্ছা, এটা

গঞ্জের মানুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
গঞ্জের মানুষ (Gonjer Manush) রাজা ফকিরচাঁদের ঢিবির ওপর দিনটা শেষ

দুর্ঘটনা || Shirshendu Mukhopadhyay
দুর্ঘটনা (Durghatana) ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে অংশু যখন নানা ব্যথা-বেদনা সত্ত্বেও

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

আরোগ্য || Shirshendu Mukhopadhyay
আরোগ্য (Aragya) আরোগ্য! একেই কি আরোগ্য বলে? কে জানে! নার্সিংহোমের

সম্পূর্ণতা || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পূর্ণতা (Sampurnata) ঠিক পুরুষের মতো গলায় একজন বয়স্কা নার্স চেঁচিয়ে

আমরা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমরা (Amra) সেবার গ্রীষ্মকালের শেষদিকে দিন চারেক ইনফ্লুয়েঞ্জাতে ভুগে উঠলেন

বাবা || Shirshendu Mukhopadhyay
বাবা (Baba) সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠেই দিদিমার কাছে শুনলাম, বহুকাল

মৃণালকান্তির আত্মচরিত || Shirshendu Mukhopadhyay
মৃণালকান্তির আত্মচরিত ভূমিকা মৃণালকান্তি আমাকে অনেক গলিখুঁজি, চোরাপথ, ভাঁটিখানা, বেশ্যাদের

মাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
মাসি (Masi) দু-হাতের দুটো বুড়ো আঙুল নেই বলে ফটকের আটকায়

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

পোকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পোকা (Poka) রিক্তা ধীরে-ধীরে উঠে দাঁড়াল। অন্তহীন ক্লান্তি। হৃতসর্বম্বের মতো

খগেনবাবু || Shirshendu Mukhopadhyay
খগেনবাবু (Khagenbabu) নলতাপুরের বাসে ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ সামনের দিকে খগেনবাবুকে

খবরের কাগজ || Shirshendu Mukhopadhyay
খবরের কাগজ (Khoborer Kagoj) বলা হয় ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত হবে।

বন্ধুর অসুখ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্ধুর অসুখ (Bandhur Osukh) অনিন্দ্যর অসুখ করেছে শুনে দেখতে গিয়েছিলাম।

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

পটুয়া নিবারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
পটুয়া নিবারণ (Potua Nibaran) আমাদের নিবারণ কর্মকার ছিলেন আঁকিয়ে মানুষ।

বয়স || Shirshendu Mukhopadhyay
বয়স (Boyos) তখন দিন শুরু হত স্মৃতিশূন্যভাবে। অতীত বা ভবিষ্যৎ

হাওয়া বন্দুক || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বন্দুক দিন যায়। থাকে কথা। মণিকার দিন যায়। কিন্তু

সুখদুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখদুঃখ (Sukhdukhha) লোকটা সারা দিন তার খেতে কাজ করে। একা-একা

উকিলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
উকিলের চিঠি (Ukiler Chithi) ও মিছরি, তোর নামে একটা উকিলের

ইচ্ছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ইচ্ছে (Ichhe) দেশলাইয়ের কাঠির অর্ধেক ভেঙে দাঁত খুঁচিয়েছিল কখন। বিড়ি

পাত্রী || Shirshendu Mukhopadhyay
পাত্রী (Patri) কে ও? শিবাই নাকি রে? যে আজ্ঞে। শিবাই-ই

উত্তরের ব্যালকনি || Shirshendu Mukhopadhyay
উত্তরের ব্যালকনি (Uttarer Balcony) ব্যালকনিতে দাঁড়ালে লোকটাকে দেখা যায়। উলটোদিকের

আশ্চর্য প্রদীপ || Shirshendu Mukhopadhyay
আশ্চর্য প্রদীপ (Ashcharya Pradip) অনিকেত চাকরি করে একটা আধা-বিদেশি ফার্মে,

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

সাহেবের তলোয়ার || Shirshendu Mukhopadhyay
সাহেবের তলোয়ার গোঁসাইনি? –আইজ্ঞা। –আইলানি? –আইজ্ঞা আইলাম। –বহ বহ, খবর

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

বৃষ্টিতে নিশিকান্ত || Shirshendu Mukhopadhyay
বৃষ্টিতে নিশিকান্ত কেচ্ছাকেলেঙ্কারির মতো বৃষ্টি হচ্ছে কদিন। জলের ফোঁটা লক্ষ

জ্যোৎস্নায় || Shirshendu Mukhopadhyay
জ্যোৎস্নায় (Jyotsnay) বিলেত থেকে মোট দেড়খানা চিঠি লিখতে পেরেছিল লেবু।

আমেরিকা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমেরিকা (America) আমেরিকায় নামবার আগে ভালো করে দাঁত মেজে নিও।

তৃতীয় পক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
তৃতীয় পক্ষ (Tritiya Paksha) একদম আনকোরা, টাটকা, নতুন বউকে নিয়ে

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

ভুল || Shirshendu Mukhopadhyay
ভুল (Vul) আগস্ট মাসের এক সকালবেলায় বিধুভূষণ নামক চল্লিশ–পঁয়তাল্লিশ বছর

পুরোনো চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো চিঠি (Purono Chithi) নিশুতরাতে এসেছিল এক ডাকপিয়োন। দরজা খুলে

দূরত্ব || Shirshendu Mukhopadhyay
দূরত্ব (Duratwa) মন্দার টেবিলের ওপর শুয়ে ছিল। থার্ড পিরিয়ড তার

হরীতকী || Shirshendu Mukhopadhyay
হরীতকী (Haritaki) আজ এই পূর্ণিমা রাতে টিউশনি সেরে ফেরার পথে

শুক্লপক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
শুক্লপক্ষ (Shulapaksha) রাজা চলেছেন ভিখারির ছদ্মবেশে। ভিখারির চীরবাস পরনে, গায়ে

পুনশ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
পুনশ্চ (Punascha) বিজু বলল—আমি যাচ্ছি না। সুচেতা বিজুর থুতনিতে আঙুল

লক্ষ্মীপ্যাঁচা || Shirshendu Mukhopadhyay
লক্ষ্মীপ্যাঁচা ওঃ, এ যে, একেবারে হরিপদ জিনিস রে! আজ্ঞে, ভালো

বন্দুকবাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্দুকবাজ (Bandukbaj) পল্টনের একটাই গুণ ছিল। সে খুব ভালো বন্দুকবাজ।

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

নীলুর দুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
নীলুর দুঃখ (Neelur Dukhha) সক্কালবেলাতেই নীলুর বিশ চাক্কি ঝাঁক হয়ে

খেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলা (Khela) খুব ভোরে ইনডোর সুইমিং পুলের ধারে তিনি এসে

শেষ বেলায় || Shirshendu Mukhopadhyay
শেষ বেলায় (Shesh Belai) নেত্য, নেত্যগোপাল সামন্তর বাড়িটা এদিকে কোথায়

হারানো জিনিস || Shirshendu Mukhopadhyay
হারানো জিনিস নস্যির কৌটোটা কোথায় যে রাখলেন সুধন্য, কিছুতেই খুঁজে

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

চারুলালের আত্মহত্যা || Shirshendu Mukhopadhyay
চারুলালের আত্মহত্যা (Charulatar Atmahatya) ট্রাম থেকে হিরণ দেখল প্রেসিডেন্সি কলেজের

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ ভূষণ একটু দূর থেকে


