শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

হরীতকী || Shirshendu Mukhopadhyay
হরীতকী (Haritaki) আজ এই পূর্ণিমা রাতে টিউশনি সেরে ফেরার পথে

ছেলেটা কাঁদছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ছেলেটা কাঁদছে (Cheleta Kandche) গজপতি হাট বসিয়েছে তেজোময়ীর জমিতে। গেল

প্রতীক্ষার ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রতীক্ষার ঘর (Pratikshar Ghor) টিকটিকিরা জল খায় না। বলে নতুন

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

উড়োজাহাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
উড়োজাহাজ (Urojahaj) অনেক ওপর দিয়ে মন্থর এক এরোপ্লেন উড়ে যায়।

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

চিহ্ন || Shirshendu Mukhopadhyay
চিহ্ন (Chinha) অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে জ্বলন্ত মোমবাতি। হলুদ আলোয় যেন

পুরোনো চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো চিঠি (Purono Chithi) নিশুতরাতে এসেছিল এক ডাকপিয়োন। দরজা খুলে

বানভাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
বানভাসি (Baanbhasi) পরশুদিন দুপুরে ভাত জুটেছিল। আর আজ এই রাতে।

বয়স || Shirshendu Mukhopadhyay
বয়স (Boyos) তখন দিন শুরু হত স্মৃতিশূন্যভাবে। অতীত বা ভবিষ্যৎ

আরোগ্য || Shirshendu Mukhopadhyay
আরোগ্য (Aragya) আরোগ্য! একেই কি আরোগ্য বলে? কে জানে! নার্সিংহোমের

বুদ্ধিরাম || Shirshendu Mukhopadhyay
বুদ্ধিরাম (Buddhiram) বুদ্ধিরাম শিশিটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিল। লেবেলে ছাপ অক্ষর

খবরের কাগজ || Shirshendu Mukhopadhyay
খবরের কাগজ (Khoborer Kagoj) বলা হয় ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত হবে।

চিড়িয়াখানা || Shirshendu Mukhopadhyay
চিড়িয়াখানা (Chidiyakhana) –ইঃ বাবা রে। এই শালো মানুষ খায়। গেঁয়ো

ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ ভূষণ একটু দূর থেকে

ভুল || Shirshendu Mukhopadhyay
ভুল (Vul) আগস্ট মাসের এক সকালবেলায় বিধুভূষণ নামক চল্লিশ–পঁয়তাল্লিশ বছর

সংলাপ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংলাপ (Sanlap) পেটে গ্যাস হয়, বুঝলেন! খুব গ্যাস হয়। সেটা

ঘণ্টাধ্বনি || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘণ্টাধ্বনি (Ghontadhwani) সাঁঝবেলাতে গোয়ালঘরে ধুনো দিতে গিয়ে কালিদাসী শুনতে পেল,

উকিলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
উকিলের চিঠি (Ukiler Chithi) ও মিছরি, তোর নামে একটা উকিলের

ওষুধ || Shirshendu Mukhopadhyay
ওষুধ (Osudh) উকিলবাবু এখনও আসেননি। মক্কেলরা বসে-বসে মশা মারছে। দুর্গাপদ

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

দেখা হবে || Shirshendu Mukhopadhyay
দেখা হবে (Dekha Hobe) নকশি কাঁথার মতো বিচিত্র এক পৃথিবী

নবদুর্গা || Shirshendu Mukhopadhyay
নবদুর্গা (Naba Durga) গরু দুইতে নারু আসছে ওই যে। বৈষ্ণবদীঘির

কার্যকারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
কার্যকারণ (Karjakaron) রাত দুটোয় জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আমি সিগারেট জ্বাললুম।

আমাকে দেখুন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমাকে দেখুন (Amake Dekhun) দয়া করে আমাকে একবার দেখুন। এই

হাওয়া বন্দুক || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বন্দুক দিন যায়। থাকে কথা। মণিকার দিন যায়। কিন্তু

খানাতল্লাশ || Shirshendu Mukhopadhyay
খানাতল্লাশ (Khanatallash) আসুন ইনস্পেকটর, আসুন! বলতে কী, একটা জীবন আমি

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

বনমালীর বিষয় || Shirshendu Mukhopadhyay
বনমালীর বিষয় এইখানে বনমালী বাগান করেছে। বাগানের মাঝখানটিতে তার লাল

ঘরের পথ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘরের পথ (Ghorer Path) আমার বাবা গিয়েছিল বিদেশে, রোজগার করতে।

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

ক্রিকেট || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রিকেট (Cricket) হরিবোল বুড়ো এসে ওই বসে আছে শিমুল গাছের

আমরা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমরা (Amra) সেবার গ্রীষ্মকালের শেষদিকে দিন চারেক ইনফ্লুয়েঞ্জাতে ভুগে উঠলেন

অবেলায় || Shirshendu Mukhopadhyay
অবেলায় (Abelai) ব্রতীন খুব ভোরবেলায় আমি ঘুম থেকে উঠেছিলাম। ঘুম

সুখদুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখদুঃখ (Sukhdukhha) লোকটা সারা দিন তার খেতে কাজ করে। একা-একা

হাওয়া বদলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বদলের চিঠি বুধুয়াকে তোমার মনে আছে কিনা জানি না।

দৈত্যের বাগানে শিশু || Shirshendu Mukhopadhyay
দৈত্যের বাগানে শিশু যৌবনকালটা লালুর কেটেছে মামদোবাজিতে। মামদোভূতের ধড় আছে,

ঝড় || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝড় (Jhor) একটা মেয়ে হাসি-হাসি মুখ করে একটা বিস্কুট খাচ্ছে–এই

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

ট্যাংকি সাফ || Shirshendu Mukhopadhyay
ট্যাংকি সাফ (Tanki Saaf) ট্যাংকি সাফ করতে ষাট টাকা চেয়েছিল

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

যতীনবাবুর চাকর || Shirshendu Mukhopadhyay
যতীনবাবুর চাকর (Jatinbabur Chakar) যতীনবাবু পানুকে খুব ভালো করে চেনেন

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

জ্যোৎস্নায় || Shirshendu Mukhopadhyay
জ্যোৎস্নায় (Jyotsnay) বিলেত থেকে মোট দেড়খানা চিঠি লিখতে পেরেছিল লেবু।

রাজার গল্প || Shirshendu Mukhopadhyay
রাজার গল্প চৈত্র সংক্রান্তির দিন রাজা তাঁর মুকুট এবং সিংহাসন

দুর্ঘটনা || Shirshendu Mukhopadhyay
দুর্ঘটনা (Durghatana) ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে অংশু যখন নানা ব্যথা-বেদনা সত্ত্বেও

বাঘ || Shirshendu Mukhopadhyay
বাঘ (Bagh) এইখান দিয়ে একটু আগে একটা বাঘ হেঁটে গেছে।

চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
চিঠি (Chithi) ভূতটাকে আমি দেখেছিলাম পুরোনো পোস্ট–অফিসের বাড়িতে। সেই থেকে

খেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলা (Khela) খুব ভোরে ইনডোর সুইমিং পুলের ধারে তিনি এসে

লক্ষ্মীপ্যাঁচা || Shirshendu Mukhopadhyay
লক্ষ্মীপ্যাঁচা ওঃ, এ যে, একেবারে হরিপদ জিনিস রে! আজ্ঞে, ভালো

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

গণ্ডগোল || Shirshendu Mukhopadhyay
গণ্ডগোল (Gandogol) রামী কেমন মেয়ে তাও কুমুদ জানে না। অথচ

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

পাত্রী || Shirshendu Mukhopadhyay
পাত্রী (Patri) কে ও? শিবাই নাকি রে? যে আজ্ঞে। শিবাই-ই


