শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

অপেক্ষা || Shirshendu Mukhopadhyay
অপেক্ষা (Apeksha) মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে জানলার চৌকাঠে। দু-হাতে ধরে আছে

বাঘ || Shirshendu Mukhopadhyay
বাঘ (Bagh) এইখান দিয়ে একটু আগে একটা বাঘ হেঁটে গেছে।

সংবাদ : ১৯৭৬ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংবাদ : ১৯৭৬ বিশ্ব সেবার কুলু মানালিতে বেড়াচ্ছে যাচ্ছে। দুর্গাপুরে

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

ভুল || Shirshendu Mukhopadhyay
ভুল (Vul) আগস্ট মাসের এক সকালবেলায় বিধুভূষণ নামক চল্লিশ–পঁয়তাল্লিশ বছর

পারিজাত ও ছোটকাকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পারিজাত ও ছোটকাকা আপনি কি পুলিশের লোক? কেন বলুন তো!

সম্পর্ক || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পর্ক (Sampark) লাচ্চু আমেরিকায় গিয়েছিল জাহাজে। তখন তার কুড়ি বছর

আমরা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমরা (Amra) সেবার গ্রীষ্মকালের শেষদিকে দিন চারেক ইনফ্লুয়েঞ্জাতে ভুগে উঠলেন

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

দেখা হবে || Shirshendu Mukhopadhyay
দেখা হবে (Dekha Hobe) নকশি কাঁথার মতো বিচিত্র এক পৃথিবী

নীলুর দুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
নীলুর দুঃখ (Neelur Dukhha) সক্কালবেলাতেই নীলুর বিশ চাক্কি ঝাঁক হয়ে

আমি সুমন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমি সুমন (Ami Suman) আমি জানি ভিনি আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসে

আরোগ্য || Shirshendu Mukhopadhyay
আরোগ্য (Aragya) আরোগ্য! একেই কি আরোগ্য বলে? কে জানে! নার্সিংহোমের

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

বন্দুকবাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্দুকবাজ (Bandukbaj) পল্টনের একটাই গুণ ছিল। সে খুব ভালো বন্দুকবাজ।

রাজার গল্প || Shirshendu Mukhopadhyay
রাজার গল্প চৈত্র সংক্রান্তির দিন রাজা তাঁর মুকুট এবং সিংহাসন

অনুভব || Shirshendu Mukhopadhyay
অনুভব (Anubhab) সামনের বারান্দায় বসে খবরের কাগজ পড়তে পড়তেই হৃদয়ের

চিড়িয়াখানা || Shirshendu Mukhopadhyay
চিড়িয়াখানা (Chidiyakhana) –ইঃ বাবা রে। এই শালো মানুষ খায়। গেঁয়ো

মুনিয়ার চারদিক || Shirshendu Mukhopadhyay
মুনিয়ার চারদিক লেবুগাছের গোড়া থেকে মুখ তুলল কালো একটা সাপ।

ঝড় || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝড় (Jhor) একটা মেয়ে হাসি-হাসি মুখ করে একটা বিস্কুট খাচ্ছে–এই

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

সোনার ঘোড়া || Shirshendu Mukhopadhyay
সোনার ঘোড়া (Sonar Ghora) তিনটে খরগোশ তুরতুর করে মাটি ভাঙে

গঞ্জের মানুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
গঞ্জের মানুষ (Gonjer Manush) রাজা ফকিরচাঁদের ঢিবির ওপর দিনটা শেষ

সংলাপ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংলাপ (Sanlap) পেটে গ্যাস হয়, বুঝলেন! খুব গ্যাস হয়। সেটা

দূরত্ব || Shirshendu Mukhopadhyay
দূরত্ব (Duratwa) মন্দার টেবিলের ওপর শুয়ে ছিল। থার্ড পিরিয়ড তার

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

পেঁপেসেদ্ধ || Shirshendu Mukhopadhyay
পেঁপেসেদ্ধ যারা টিফিনে পেঁপেসেদ্ধ খায় আমি তাদের খুবই শ্রদ্ধা করি।

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

প্রতীক্ষার ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রতীক্ষার ঘর (Pratikshar Ghor) টিকটিকিরা জল খায় না। বলে নতুন

খেলার ছল || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলার ছল (Khelar Chol) মিঠুর গোলগাল মোটামোটা দুটো পায়ের একটা

নবদুর্গা || Shirshendu Mukhopadhyay
নবদুর্গা (Naba Durga) গরু দুইতে নারু আসছে ওই যে। বৈষ্ণবদীঘির

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে

ওষুধ || Shirshendu Mukhopadhyay
ওষুধ (Osudh) উকিলবাবু এখনও আসেননি। মক্কেলরা বসে-বসে মশা মারছে। দুর্গাপদ

একটা দুটো বেড়াল || Shirshendu Mukhopadhyay
একটা দুটো বেড়াল (Ekta Duto Beral) চুষিদের বাড়িতে কোনও বেড়াল

পুরোনো চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো চিঠি (Purono Chithi) নিশুতরাতে এসেছিল এক ডাকপিয়োন। দরজা খুলে

লুলু || Shirshendu Mukhopadhyay
লুলু (Lulu) লুলুই হচ্ছে সবকিছুর মূলে। লুলু আসলে কে বা

বয়স || Shirshendu Mukhopadhyay
বয়স (Boyos) তখন দিন শুরু হত স্মৃতিশূন্যভাবে। অতীত বা ভবিষ্যৎ

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

হরণ || Shirshendu Mukhopadhyay
হরণ (Horon) হ্যালো! হ্যালো! –হ্যাঁ, হ্যাঁ, বলুন না। আচ্ছা, এটা

তিন নম্বর বেঞ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
তিন নম্বর বেঞ্চ (Teen Number Bench) আচ্ছা, এটাই তো পূর্ব

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

শুক্লপক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
শুক্লপক্ষ (Shulapaksha) রাজা চলেছেন ভিখারির ছদ্মবেশে। ভিখারির চীরবাস পরনে, গায়ে

আমেরিকা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমেরিকা (America) আমেরিকায় নামবার আগে ভালো করে দাঁত মেজে নিও।

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

সাহেবের তলোয়ার || Shirshendu Mukhopadhyay
সাহেবের তলোয়ার গোঁসাইনি? –আইজ্ঞা। –আইলানি? –আইজ্ঞা আইলাম। –বহ বহ, খবর

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

আশ্চর্য প্রদীপ || Shirshendu Mukhopadhyay
আশ্চর্য প্রদীপ (Ashcharya Pradip) অনিকেত চাকরি করে একটা আধা-বিদেশি ফার্মে,

ইচ্ছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ইচ্ছে (Ichhe) দেশলাইয়ের কাঠির অর্ধেক ভেঙে দাঁত খুঁচিয়েছিল কখন। বিড়ি

খানাতল্লাশ || Shirshendu Mukhopadhyay
খানাতল্লাশ (Khanatallash) আসুন ইনস্পেকটর, আসুন! বলতে কী, একটা জীবন আমি

লক্ষ্মীপ্যাঁচা || Shirshendu Mukhopadhyay
লক্ষ্মীপ্যাঁচা ওঃ, এ যে, একেবারে হরিপদ জিনিস রে! আজ্ঞে, ভালো

বাবা || Shirshendu Mukhopadhyay
বাবা (Baba) সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠেই দিদিমার কাছে শুনলাম, বহুকাল

ক্রিকেট || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রিকেট (Cricket) হরিবোল বুড়ো এসে ওই বসে আছে শিমুল গাছের

পাত্রী || Shirshendu Mukhopadhyay
পাত্রী (Patri) কে ও? শিবাই নাকি রে? যে আজ্ঞে। শিবাই-ই

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

শেষ বেলায় || Shirshendu Mukhopadhyay
শেষ বেলায় (Shesh Belai) নেত্য, নেত্যগোপাল সামন্তর বাড়িটা এদিকে কোথায়


