শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

ভাগের অংশ || Shirshendu Mukhopadhyay
ভাগের অংশ (Bhager Angsho) ছাইদানিতে একটা বিড়ির টুকরো দেখে দীপ্তিময়

ঘণ্টাধ্বনি || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘণ্টাধ্বনি (Ghontadhwani) সাঁঝবেলাতে গোয়ালঘরে ধুনো দিতে গিয়ে কালিদাসী শুনতে পেল,

পটুয়া নিবারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
পটুয়া নিবারণ (Potua Nibaran) আমাদের নিবারণ কর্মকার ছিলেন আঁকিয়ে মানুষ।

খেলার ছল || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলার ছল (Khelar Chol) মিঠুর গোলগাল মোটামোটা দুটো পায়ের একটা

আশ্চর্য প্রদীপ || Shirshendu Mukhopadhyay
আশ্চর্য প্রদীপ (Ashcharya Pradip) অনিকেত চাকরি করে একটা আধা-বিদেশি ফার্মে,

লড়াই || Shirshendu Mukhopadhyay
লড়াই (Lorai) পালান আমাদের খেতে কাজ করে। সে ভালো লোক

উড়োজাহাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
উড়োজাহাজ (Urojahaj) অনেক ওপর দিয়ে মন্থর এক এরোপ্লেন উড়ে যায়।

হরীতকী || Shirshendu Mukhopadhyay
হরীতকী (Haritaki) আজ এই পূর্ণিমা রাতে টিউশনি সেরে ফেরার পথে

দুর্ঘটনা || Shirshendu Mukhopadhyay
দুর্ঘটনা (Durghatana) ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে অংশু যখন নানা ব্যথা-বেদনা সত্ত্বেও

চিহ্ন || Shirshendu Mukhopadhyay
চিহ্ন (Chinha) অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে জ্বলন্ত মোমবাতি। হলুদ আলোয় যেন

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

দূরত্ব || Shirshendu Mukhopadhyay
দূরত্ব (Duratwa) মন্দার টেবিলের ওপর শুয়ে ছিল। থার্ড পিরিয়ড তার

খানাতল্লাশ || Shirshendu Mukhopadhyay
খানাতল্লাশ (Khanatallash) আসুন ইনস্পেকটর, আসুন! বলতে কী, একটা জীবন আমি

মুনিয়ার চারদিক || Shirshendu Mukhopadhyay
মুনিয়ার চারদিক লেবুগাছের গোড়া থেকে মুখ তুলল কালো একটা সাপ।

ট্যাংকি সাফ || Shirshendu Mukhopadhyay
ট্যাংকি সাফ (Tanki Saaf) ট্যাংকি সাফ করতে ষাট টাকা চেয়েছিল

মৃণালকান্তির আত্মচরিত || Shirshendu Mukhopadhyay
মৃণালকান্তির আত্মচরিত ভূমিকা মৃণালকান্তি আমাকে অনেক গলিখুঁজি, চোরাপথ, ভাঁটিখানা, বেশ্যাদের

উত্তরের ব্যালকনি || Shirshendu Mukhopadhyay
উত্তরের ব্যালকনি (Uttarer Balcony) ব্যালকনিতে দাঁড়ালে লোকটাকে দেখা যায়। উলটোদিকের

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

লুলু || Shirshendu Mukhopadhyay
লুলু (Lulu) লুলুই হচ্ছে সবকিছুর মূলে। লুলু আসলে কে বা

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

হাওয়া বদলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বদলের চিঠি বুধুয়াকে তোমার মনে আছে কিনা জানি না।

চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
চিঠি (Chithi) ভূতটাকে আমি দেখেছিলাম পুরোনো পোস্ট–অফিসের বাড়িতে। সেই থেকে

বয়স || Shirshendu Mukhopadhyay
বয়স (Boyos) তখন দিন শুরু হত স্মৃতিশূন্যভাবে। অতীত বা ভবিষ্যৎ

বন্দুকবাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্দুকবাজ (Bandukbaj) পল্টনের একটাই গুণ ছিল। সে খুব ভালো বন্দুকবাজ।

মাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
মাসি (Masi) দু-হাতের দুটো বুড়ো আঙুল নেই বলে ফটকের আটকায়

আমাকে দেখুন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমাকে দেখুন (Amake Dekhun) দয়া করে আমাকে একবার দেখুন। এই

বাঘ || Shirshendu Mukhopadhyay
বাঘ (Bagh) এইখান দিয়ে একটু আগে একটা বাঘ হেঁটে গেছে।

তৃতীয় পক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
তৃতীয় পক্ষ (Tritiya Paksha) একদম আনকোরা, টাটকা, নতুন বউকে নিয়ে

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

আমেরিকা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমেরিকা (America) আমেরিকায় নামবার আগে ভালো করে দাঁত মেজে নিও।

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

ইচ্ছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ইচ্ছে (Ichhe) দেশলাইয়ের কাঠির অর্ধেক ভেঙে দাঁত খুঁচিয়েছিল কখন। বিড়ি

সংলাপ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংলাপ (Sanlap) পেটে গ্যাস হয়, বুঝলেন! খুব গ্যাস হয়। সেটা

ঝড় || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝড় (Jhor) একটা মেয়ে হাসি-হাসি মুখ করে একটা বিস্কুট খাচ্ছে–এই

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

ডুবুরি || Shirshendu Mukhopadhyay
ডুবুরি (Duburi) আঁচিয়ে এসে ঘরে ঢুকতেই থমকে গেল টুনু। বাঁশের

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

পেঁপেসেদ্ধ || Shirshendu Mukhopadhyay
পেঁপেসেদ্ধ যারা টিফিনে পেঁপেসেদ্ধ খায় আমি তাদের খুবই শ্রদ্ধা করি।

প্রতীক্ষার ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রতীক্ষার ঘর (Pratikshar Ghor) টিকটিকিরা জল খায় না। বলে নতুন

যতীনবাবুর চাকর || Shirshendu Mukhopadhyay
যতীনবাবুর চাকর (Jatinbabur Chakar) যতীনবাবু পানুকে খুব ভালো করে চেনেন

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

খগেনবাবু || Shirshendu Mukhopadhyay
খগেনবাবু (Khagenbabu) নলতাপুরের বাসে ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ সামনের দিকে খগেনবাবুকে

সাহেবের তলোয়ার || Shirshendu Mukhopadhyay
সাহেবের তলোয়ার গোঁসাইনি? –আইজ্ঞা। –আইলানি? –আইজ্ঞা আইলাম। –বহ বহ, খবর

সেই আমি, সেই আমি || Shirshendu Mukhopadhyay
সেই আমি, সেই আমি They all must fallIn the round

শুক্লপক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
শুক্লপক্ষ (Shulapaksha) রাজা চলেছেন ভিখারির ছদ্মবেশে। ভিখারির চীরবাস পরনে, গায়ে

সোনার ঘোড়া || Shirshendu Mukhopadhyay
সোনার ঘোড়া (Sonar Ghora) তিনটে খরগোশ তুরতুর করে মাটি ভাঙে

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

আমি সুমন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমি সুমন (Ami Suman) আমি জানি ভিনি আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসে

নবদুর্গা || Shirshendu Mukhopadhyay
নবদুর্গা (Naba Durga) গরু দুইতে নারু আসছে ওই যে। বৈষ্ণবদীঘির

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে
