শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

সুখের দিন || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখের দিন (Sukher Din) মহারাজ, আমাদের সেইসব সুখের দিন কোথায়

গঞ্জের মানুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
গঞ্জের মানুষ (Gonjer Manush) রাজা ফকিরচাঁদের ঢিবির ওপর দিনটা শেষ

অপেক্ষা || Shirshendu Mukhopadhyay
অপেক্ষা (Apeksha) মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে জানলার চৌকাঠে। দু-হাতে ধরে আছে

সংলাপ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংলাপ (Sanlap) পেটে গ্যাস হয়, বুঝলেন! খুব গ্যাস হয়। সেটা

আমি সুমন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমি সুমন (Ami Suman) আমি জানি ভিনি আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসে

পটুয়া নিবারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
পটুয়া নিবারণ (Potua Nibaran) আমাদের নিবারণ কর্মকার ছিলেন আঁকিয়ে মানুষ।

চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
চিঠি (Chithi) ভূতটাকে আমি দেখেছিলাম পুরোনো পোস্ট–অফিসের বাড়িতে। সেই থেকে

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

বন্দুকবাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্দুকবাজ (Bandukbaj) পল্টনের একটাই গুণ ছিল। সে খুব ভালো বন্দুকবাজ।

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

চিহ্ন || Shirshendu Mukhopadhyay
চিহ্ন (Chinha) অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে জ্বলন্ত মোমবাতি। হলুদ আলোয় যেন

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

ঘরের পথ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘরের পথ (Ghorer Path) আমার বাবা গিয়েছিল বিদেশে, রোজগার করতে।

হাওয়া বন্দুক || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বন্দুক দিন যায়। থাকে কথা। মণিকার দিন যায়। কিন্তু

সম্পর্ক || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পর্ক (Sampark) লাচ্চু আমেরিকায় গিয়েছিল জাহাজে। তখন তার কুড়ি বছর

ডুবুরি || Shirshendu Mukhopadhyay
ডুবুরি (Duburi) আঁচিয়ে এসে ঘরে ঢুকতেই থমকে গেল টুনু। বাঁশের

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

দেখা হবে || Shirshendu Mukhopadhyay
দেখা হবে (Dekha Hobe) নকশি কাঁথার মতো বিচিত্র এক পৃথিবী

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

হরণ || Shirshendu Mukhopadhyay
হরণ (Horon) হ্যালো! হ্যালো! –হ্যাঁ, হ্যাঁ, বলুন না। আচ্ছা, এটা

ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ ভূষণ একটু দূর থেকে

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

কার্যকারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
কার্যকারণ (Karjakaron) রাত দুটোয় জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আমি সিগারেট জ্বাললুম।

ক্রিকেট || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রিকেট (Cricket) হরিবোল বুড়ো এসে ওই বসে আছে শিমুল গাছের

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

সংবাদ : ১৯৭৬ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংবাদ : ১৯৭৬ বিশ্ব সেবার কুলু মানালিতে বেড়াচ্ছে যাচ্ছে। দুর্গাপুরে

ঘণ্টাধ্বনি || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘণ্টাধ্বনি (Ghontadhwani) সাঁঝবেলাতে গোয়ালঘরে ধুনো দিতে গিয়ে কালিদাসী শুনতে পেল,

পেঁপেসেদ্ধ || Shirshendu Mukhopadhyay
পেঁপেসেদ্ধ যারা টিফিনে পেঁপেসেদ্ধ খায় আমি তাদের খুবই শ্রদ্ধা করি।

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

পোকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পোকা (Poka) রিক্তা ধীরে-ধীরে উঠে দাঁড়াল। অন্তহীন ক্লান্তি। হৃতসর্বম্বের মতো

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

মুনিয়ার চারদিক || Shirshendu Mukhopadhyay
মুনিয়ার চারদিক লেবুগাছের গোড়া থেকে মুখ তুলল কালো একটা সাপ।

রাজার গল্প || Shirshendu Mukhopadhyay
রাজার গল্প চৈত্র সংক্রান্তির দিন রাজা তাঁর মুকুট এবং সিংহাসন

নীলুর দুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
নীলুর দুঃখ (Neelur Dukhha) সক্কালবেলাতেই নীলুর বিশ চাক্কি ঝাঁক হয়ে

উড়োজাহাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
উড়োজাহাজ (Urojahaj) অনেক ওপর দিয়ে মন্থর এক এরোপ্লেন উড়ে যায়।

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

হাওয়া বদলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বদলের চিঠি বুধুয়াকে তোমার মনে আছে কিনা জানি না।

চারুলালের আত্মহত্যা || Shirshendu Mukhopadhyay
চারুলালের আত্মহত্যা (Charulatar Atmahatya) ট্রাম থেকে হিরণ দেখল প্রেসিডেন্সি কলেজের

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে

পুরোনো দেওয়াল || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো দেওয়াল (Purono Deowal) হাড় জিরজিরে রোগা ছেলের মতো ইট

দৈত্যের বাগানে শিশু || Shirshendu Mukhopadhyay
দৈত্যের বাগানে শিশু যৌবনকালটা লালুর কেটেছে মামদোবাজিতে। মামদোভূতের ধড় আছে,

সেই আমি, সেই আমি || Shirshendu Mukhopadhyay
সেই আমি, সেই আমি They all must fallIn the round

খবরের কাগজ || Shirshendu Mukhopadhyay
খবরের কাগজ (Khoborer Kagoj) বলা হয় ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত হবে।

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

সুখদুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখদুঃখ (Sukhdukhha) লোকটা সারা দিন তার খেতে কাজ করে। একা-একা

জমা খরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
জমা খরচ (Joma Khoroch) কী বুঝছ মুখুজ্জে? চল্লিশ পেরিয়ে জীবনের

মাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
মাসি (Masi) দু-হাতের দুটো বুড়ো আঙুল নেই বলে ফটকের আটকায়

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

দোলা || Shirshendu Mukhopadhyay
দোলা (Dola) গাড়ি বদল করতে হয় মধুডিহি জংশনে। আর যে–গাড়ি

পুনশ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
পুনশ্চ (Punascha) বিজু বলল—আমি যাচ্ছি না। সুচেতা বিজুর থুতনিতে আঙুল

