শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে

লক্ষ্মীপ্যাঁচা || Shirshendu Mukhopadhyay
লক্ষ্মীপ্যাঁচা ওঃ, এ যে, একেবারে হরিপদ জিনিস রে! আজ্ঞে, ভালো

খানাতল্লাশ || Shirshendu Mukhopadhyay
খানাতল্লাশ (Khanatallash) আসুন ইনস্পেকটর, আসুন! বলতে কী, একটা জীবন আমি

বাঘ || Shirshendu Mukhopadhyay
বাঘ (Bagh) এইখান দিয়ে একটু আগে একটা বাঘ হেঁটে গেছে।

লুলু || Shirshendu Mukhopadhyay
লুলু (Lulu) লুলুই হচ্ছে সবকিছুর মূলে। লুলু আসলে কে বা

পোকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পোকা (Poka) রিক্তা ধীরে-ধীরে উঠে দাঁড়াল। অন্তহীন ক্লান্তি। হৃতসর্বম্বের মতো

হ্যাঁ || Shirshendu Mukhopadhyay
হ্যাঁ (Hyan) অধ্যাপক ঢোলাকিয়া অবশেষে এক জানুয়ারির শীতার্ত রাতে তার

সুখদুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখদুঃখ (Sukhdukhha) লোকটা সারা দিন তার খেতে কাজ করে। একা-একা

বানভাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
বানভাসি (Baanbhasi) পরশুদিন দুপুরে ভাত জুটেছিল। আর আজ এই রাতে।

উত্তরের ব্যালকনি || Shirshendu Mukhopadhyay
উত্তরের ব্যালকনি (Uttarer Balcony) ব্যালকনিতে দাঁড়ালে লোকটাকে দেখা যায়। উলটোদিকের

গণ্ডগোল || Shirshendu Mukhopadhyay
গণ্ডগোল (Gandogol) রামী কেমন মেয়ে তাও কুমুদ জানে না। অথচ

সংবাদ : ১৯৭৬ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংবাদ : ১৯৭৬ বিশ্ব সেবার কুলু মানালিতে বেড়াচ্ছে যাচ্ছে। দুর্গাপুরে

সোনার ঘোড়া || Shirshendu Mukhopadhyay
সোনার ঘোড়া (Sonar Ghora) তিনটে খরগোশ তুরতুর করে মাটি ভাঙে

মুনিয়ার চারদিক || Shirshendu Mukhopadhyay
মুনিয়ার চারদিক লেবুগাছের গোড়া থেকে মুখ তুলল কালো একটা সাপ।

ক্রিকেট || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রিকেট (Cricket) হরিবোল বুড়ো এসে ওই বসে আছে শিমুল গাছের

ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ ভূষণ একটু দূর থেকে

প্রিয় মধুবন || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রিয় মধুবন (Priyo Madhubon) মাথা অনেক শূন্য লাগছে আজকাল। অনেক

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

রাজার গল্প || Shirshendu Mukhopadhyay
রাজার গল্প চৈত্র সংক্রান্তির দিন রাজা তাঁর মুকুট এবং সিংহাসন

খেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলা (Khela) খুব ভোরে ইনডোর সুইমিং পুলের ধারে তিনি এসে

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

খবরের কাগজ || Shirshendu Mukhopadhyay
খবরের কাগজ (Khoborer Kagoj) বলা হয় ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত হবে।

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

সেই আমি, সেই আমি || Shirshendu Mukhopadhyay
সেই আমি, সেই আমি They all must fallIn the round

দৈত্যের বাগানে শিশু || Shirshendu Mukhopadhyay
দৈত্যের বাগানে শিশু যৌবনকালটা লালুর কেটেছে মামদোবাজিতে। মামদোভূতের ধড় আছে,

পুরোনো দেওয়াল || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো দেওয়াল (Purono Deowal) হাড় জিরজিরে রোগা ছেলের মতো ইট

চিহ্ন || Shirshendu Mukhopadhyay
চিহ্ন (Chinha) অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে জ্বলন্ত মোমবাতি। হলুদ আলোয় যেন

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

তৃতীয় পক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
তৃতীয় পক্ষ (Tritiya Paksha) একদম আনকোরা, টাটকা, নতুন বউকে নিয়ে

মাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
মাসি (Masi) দু-হাতের দুটো বুড়ো আঙুল নেই বলে ফটকের আটকায়

দোলা || Shirshendu Mukhopadhyay
দোলা (Dola) গাড়ি বদল করতে হয় মধুডিহি জংশনে। আর যে–গাড়ি

বুদ্ধিরাম || Shirshendu Mukhopadhyay
বুদ্ধিরাম (Buddhiram) বুদ্ধিরাম শিশিটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিল। লেবেলে ছাপ অক্ষর

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

আরোগ্য || Shirshendu Mukhopadhyay
আরোগ্য (Aragya) আরোগ্য! একেই কি আরোগ্য বলে? কে জানে! নার্সিংহোমের

চারুলালের আত্মহত্যা || Shirshendu Mukhopadhyay
চারুলালের আত্মহত্যা (Charulatar Atmahatya) ট্রাম থেকে হিরণ দেখল প্রেসিডেন্সি কলেজের

শুক্লপক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
শুক্লপক্ষ (Shulapaksha) রাজা চলেছেন ভিখারির ছদ্মবেশে। ভিখারির চীরবাস পরনে, গায়ে

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

কার্যকারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
কার্যকারণ (Karjakaron) রাত দুটোয় জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আমি সিগারেট জ্বাললুম।

স্বপ্নের ভিতরে মৃত্যু || Shirshendu Mukhopadhyay
স্বপ্নের ভিতরে মৃত্যু “This is the way the world endsNot

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

গঞ্জের মানুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
গঞ্জের মানুষ (Gonjer Manush) রাজা ফকিরচাঁদের ঢিবির ওপর দিনটা শেষ

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

জ্যোৎস্নায় || Shirshendu Mukhopadhyay
জ্যোৎস্নায় (Jyotsnay) বিলেত থেকে মোট দেড়খানা চিঠি লিখতে পেরেছিল লেবু।

চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
চিঠি (Chithi) ভূতটাকে আমি দেখেছিলাম পুরোনো পোস্ট–অফিসের বাড়িতে। সেই থেকে

জমা খরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
জমা খরচ (Joma Khoroch) কী বুঝছ মুখুজ্জে? চল্লিশ পেরিয়ে জীবনের

ঝড় || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝড় (Jhor) একটা মেয়ে হাসি-হাসি মুখ করে একটা বিস্কুট খাচ্ছে–এই

সম্পর্ক || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পর্ক (Sampark) লাচ্চু আমেরিকায় গিয়েছিল জাহাজে। তখন তার কুড়ি বছর

ভাগের অংশ || Shirshendu Mukhopadhyay
ভাগের অংশ (Bhager Angsho) ছাইদানিতে একটা বিড়ির টুকরো দেখে দীপ্তিময়

আমেরিকা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমেরিকা (America) আমেরিকায় নামবার আগে ভালো করে দাঁত মেজে নিও।

হাওয়া বদলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বদলের চিঠি বুধুয়াকে তোমার মনে আছে কিনা জানি না।


