শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

হারানো জিনিস || Shirshendu Mukhopadhyay
হারানো জিনিস নস্যির কৌটোটা কোথায় যে রাখলেন সুধন্য, কিছুতেই খুঁজে

গণ্ডগোল || Shirshendu Mukhopadhyay
গণ্ডগোল (Gandogol) রামী কেমন মেয়ে তাও কুমুদ জানে না। অথচ

রাজার গল্প || Shirshendu Mukhopadhyay
রাজার গল্প চৈত্র সংক্রান্তির দিন রাজা তাঁর মুকুট এবং সিংহাসন

চিড়িয়াখানা || Shirshendu Mukhopadhyay
চিড়িয়াখানা (Chidiyakhana) –ইঃ বাবা রে। এই শালো মানুষ খায়। গেঁয়ো

সম্পর্ক || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পর্ক (Sampark) লাচ্চু আমেরিকায় গিয়েছিল জাহাজে। তখন তার কুড়ি বছর

সংলাপ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংলাপ (Sanlap) পেটে গ্যাস হয়, বুঝলেন! খুব গ্যাস হয়। সেটা

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

একটা দুটো বেড়াল || Shirshendu Mukhopadhyay
একটা দুটো বেড়াল (Ekta Duto Beral) চুষিদের বাড়িতে কোনও বেড়াল

আমেরিকা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমেরিকা (America) আমেরিকায় নামবার আগে ভালো করে দাঁত মেজে নিও।

ক্রিকেট || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রিকেট (Cricket) হরিবোল বুড়ো এসে ওই বসে আছে শিমুল গাছের

ছেলেটা কাঁদছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ছেলেটা কাঁদছে (Cheleta Kandche) গজপতি হাট বসিয়েছে তেজোময়ীর জমিতে। গেল

ক্রীড়াভূমি || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রীড়াভূমি (Crirabhumi) নিজের ভিতরই আছে এক অলৌকিক। কখনও-কখনও তাকে টের

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

নবদুর্গা || Shirshendu Mukhopadhyay
নবদুর্গা (Naba Durga) গরু দুইতে নারু আসছে ওই যে। বৈষ্ণবদীঘির

আমি সুমন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমি সুমন (Ami Suman) আমি জানি ভিনি আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসে

সম্পূর্ণতা || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পূর্ণতা (Sampurnata) ঠিক পুরুষের মতো গলায় একজন বয়স্কা নার্স চেঁচিয়ে

পারিজাত ও ছোটকাকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পারিজাত ও ছোটকাকা আপনি কি পুলিশের লোক? কেন বলুন তো!

লড়াই || Shirshendu Mukhopadhyay
লড়াই (Lorai) পালান আমাদের খেতে কাজ করে। সে ভালো লোক

মশা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা (Mosha) রক্ত খেয়ে মশাটা টুপটুপে হয়ে আছে। ধামা পেটটা

মুনিয়ার চারদিক || Shirshendu Mukhopadhyay
মুনিয়ার চারদিক লেবুগাছের গোড়া থেকে মুখ তুলল কালো একটা সাপ।

বনমালীর বিষয় || Shirshendu Mukhopadhyay
বনমালীর বিষয় এইখানে বনমালী বাগান করেছে। বাগানের মাঝখানটিতে তার লাল

দৈত্যের বাগানে শিশু || Shirshendu Mukhopadhyay
দৈত্যের বাগানে শিশু যৌবনকালটা লালুর কেটেছে মামদোবাজিতে। মামদোভূতের ধড় আছে,

আমাকে দেখুন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমাকে দেখুন (Amake Dekhun) দয়া করে আমাকে একবার দেখুন। এই

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

অবেলায় || Shirshendu Mukhopadhyay
অবেলায় (Abelai) ব্রতীন খুব ভোরবেলায় আমি ঘুম থেকে উঠেছিলাম। ঘুম

ইচ্ছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ইচ্ছে (Ichhe) দেশলাইয়ের কাঠির অর্ধেক ভেঙে দাঁত খুঁচিয়েছিল কখন। বিড়ি

খেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলা (Khela) খুব ভোরে ইনডোর সুইমিং পুলের ধারে তিনি এসে

সংবাদ : ১৯৭৬ || Shirshendu Mukhopadhyay
সংবাদ : ১৯৭৬ বিশ্ব সেবার কুলু মানালিতে বেড়াচ্ছে যাচ্ছে। দুর্গাপুরে

পোকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পোকা (Poka) রিক্তা ধীরে-ধীরে উঠে দাঁড়াল। অন্তহীন ক্লান্তি। হৃতসর্বম্বের মতো

জ্যোৎস্নায় || Shirshendu Mukhopadhyay
জ্যোৎস্নায় (Jyotsnay) বিলেত থেকে মোট দেড়খানা চিঠি লিখতে পেরেছিল লেবু।

মৃণালকান্তির আত্মচরিত || Shirshendu Mukhopadhyay
মৃণালকান্তির আত্মচরিত ভূমিকা মৃণালকান্তি আমাকে অনেক গলিখুঁজি, চোরাপথ, ভাঁটিখানা, বেশ্যাদের

পুনশ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
পুনশ্চ (Punascha) বিজু বলল—আমি যাচ্ছি না। সুচেতা বিজুর থুতনিতে আঙুল

সাদা ঘুড়ি || Shirshendu Mukhopadhyay
সাদা ঘুড়ি (Sada Ghuri) ওই যে কালো ঘুড়িটা লাট খেয়ে

আমরা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমরা (Amra) সেবার গ্রীষ্মকালের শেষদিকে দিন চারেক ইনফ্লুয়েঞ্জাতে ভুগে উঠলেন

যতীনবাবুর চাকর || Shirshendu Mukhopadhyay
যতীনবাবুর চাকর (Jatinbabur Chakar) যতীনবাবু পানুকে খুব ভালো করে চেনেন

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

ডুবুরি || Shirshendu Mukhopadhyay
ডুবুরি (Duburi) আঁচিয়ে এসে ঘরে ঢুকতেই থমকে গেল টুনু। বাঁশের

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

গর্ভনগরের কথা | Shirshendu Mukhopadhyay
গর্ভনগরের কথা (Garvanagarer Kotha) লিফটের দরজার কাছে এক বুড়ো মানুষ

দুর্ঘটনা || Shirshendu Mukhopadhyay
দুর্ঘটনা (Durghatana) ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে অংশু যখন নানা ব্যথা-বেদনা সত্ত্বেও

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

খগেনবাবু || Shirshendu Mukhopadhyay
খগেনবাবু (Khagenbabu) নলতাপুরের বাসে ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ সামনের দিকে খগেনবাবুকে

বন্ধুর অসুখ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্ধুর অসুখ (Bandhur Osukh) অনিন্দ্যর অসুখ করেছে শুনে দেখতে গিয়েছিলাম।

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

পটুয়া নিবারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
পটুয়া নিবারণ (Potua Nibaran) আমাদের নিবারণ কর্মকার ছিলেন আঁকিয়ে মানুষ।

ঘরের পথ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঘরের পথ (Ghorer Path) আমার বাবা গিয়েছিল বিদেশে, রোজগার করতে।

খেলার ছল || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলার ছল (Khelar Chol) মিঠুর গোলগাল মোটামোটা দুটো পায়ের একটা

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

গঞ্জের মানুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
গঞ্জের মানুষ (Gonjer Manush) রাজা ফকিরচাঁদের ঢিবির ওপর দিনটা শেষ

ওষুধ || Shirshendu Mukhopadhyay
ওষুধ (Osudh) উকিলবাবু এখনও আসেননি। মক্কেলরা বসে-বসে মশা মারছে। দুর্গাপদ

আশ্চর্য প্রদীপ || Shirshendu Mukhopadhyay
আশ্চর্য প্রদীপ (Ashcharya Pradip) অনিকেত চাকরি করে একটা আধা-বিদেশি ফার্মে,

হাওয়া বন্দুক || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বন্দুক দিন যায়। থাকে কথা। মণিকার দিন যায়। কিন্তু

পুরোনো চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো চিঠি (Purono Chithi) নিশুতরাতে এসেছিল এক ডাকপিয়োন। দরজা খুলে

সুখের দিন || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখের দিন (Sukher Din) মহারাজ, আমাদের সেইসব সুখের দিন কোথায়

সোনার ঘোড়া || Shirshendu Mukhopadhyay
সোনার ঘোড়া (Sonar Ghora) তিনটে খরগোশ তুরতুর করে মাটি ভাঙে

