এই যে খেয়ালে, বেখায়ালে তোমায় ডাক দিই,
দূরে থেকেও কাছে আসি।
তোমাকে ভালোবেসে কাছে এসেছি যতটা,
ঠিক ততটাই তোমার থেকে দূরে যেতে পারি একরাশ অভিমান নিয়ে।
বুকে নুড়ি পাথর চাপিয়ে হাসি মুখে ঘুরি ফিরি,
মনের ব্যথা তুচ্ছ করে এগিয়ে চলেছি নিরুদ্দেশের পথে।
আমার আমি ছন্নছাড়া, আপনজন কে আর আছে?
রক্তিম কুসুমের মতো তুমি সূর্য!
তুমিই চন্দ্র!
তুমি না উঠলে আমার একলা আকাশ ঘণ আঁধারে ছেয়ে থাকে!
তোমায় মনে করাতে হবে,
তবে তুমি সূর্যের আলোয় আমায় আলোকিত করবে?
মুখে হাসি ফোটাবে?
সুর্যমুখি পাপড়ি মেলে ফুটবে!
কই আর কারো ও ক্ষেত্রে ভুল হয় না।
তুমি তো ঠিক যত্ন নাও,
মেঘ ঝড় ঝঞ্ঝা সরিয়ে আলো দিয়ে।
আমার সকল ভালোলাগা, দুর্দান্ত প্রেম, উপহার সমুহ রাখা থাকে লোকচক্ষুর আড়ালে!
রজনীগন্ধা কেন বেলী ফুলের দিকে ঝুকলো,
সূর্যমুখী তাতে বলো কি যায় আসে!!
