তোমার নামের রোদ্দুরে লিখেছিলাম
এক জীবন উপন্যাস,
সমস্ত অধ্যায় জুড়ে চিত্রায়িত বিচিত্র রঙের সমাহার।
তোমাকে নিয়ে রোদের কার্নিশ ভেঙে অলক মেঘের মত আমি
শান্ত নদীর বুকে ঝুকে পড়া লাল গোধূলি হতে চেয়েছিলাম।
চেয়েছিলাম রামধনুর মতন
সাতনরি হারে নিজেকে জড়াতে,
পদ্ম পাতায় হীরের দ্যুতি চাইনি,
চাইনি নাগমনির বিষ স্পর্শে আলোকিত হতে।
কিন্তু পারলাম কই ?
পেলামনা তোমার জীয়ন স্পর্শ মোহময়ে
হেলায় ফেলে বাউল মনে –
রইলে তুমি ভীষণ রকম বিবাগী হয়ে।
আমি হৃদয়ের আছন্নতায় বিবশ শরীরে
পেলাম পলাশের বৈভব,
রুক্ষ অবেলায় আবারও এগিয়ে গেলাম
নতুন ভুলের দিকে ,
ঠোঁটের কোণে সম্মোহনী আহ্বানে।
ভুলে ভরা জীবন বারবার একই ভুলে প্রেম রিক্ত হৃদয়ের শূন্যতাকে পূর্ণতা দেওয়ার আশায়,
ফোটাতে চেয়েছিল ঊষর ভূমিতে-
রক্ত লাল গোলাপ।
যার বিন্দুবিন্দু চোখের জলে আজ
মায়াবন বিহারিনী পলি জমাট ;
পুরাতন স্মৃতি বুকের মাঝে কাঁটা হয়ে
রাজত্ব করছে শুধু কিছু ক্যাকটাস ।
স্বপ্ন নীল দিগন্তে খুঁজেছিল তার ঠিকানা
আকাশের কাছে !
তখন কি আর জানত
গান্ধারী হয়ে রোদ গেছে বিদেশ ভ্রমণে?
