সর্বংসহা প্রকৃতি আছো তুমি নভ: জলে স্থলে মম অন্তরে
বিশ্বমানবেরে বিলায়েছো দান অকাতরে ।
নিয়েছি শুধু হয়েছি পুষ্ট আগাগোড়া মুড়ে তোমাতে ,
বার বার তাই ছুটে বেড়াই,চাই তোমায় একটু ছুঁতে।
কতটা ছুঁয়েছি জানিনা তার হিসাব মেলানো ভার;
দুহাত ভরে ছড়িয়ে রেখেছো তোমার উন্মুক্ত দ্বার !
আকাশে বাতাসে, ভূমি জলস্থলে ,কোথাও রাখনি ফাঁক;
মূর্খ আমরা অবুঝ জনতা তবু দেই সংহারের ডাক !
মানুষ হয়েও হইনি মানুষ,হয়েছি অমানুষের দাস ;
স্বার্থপরতার রোজনামচায় শুধুই প্রকৃতির ত্রাস !
প্রকৃতি আজ কাঁদে অঝোরে মানুষের বিমূঢ়তা দেখে;
ফুঁসতে থাকে অন্তর্যাতনায় নাগ ভৈরব বেশে ।
আপন ভালোমন্দ বুঝেও বোঝেনা মানুষ হয়েছে অন্ধ ;
হৃদয়ে বিবেক হয়না জাগ্রত,উদ্বেলিত ভালোমন্দ।
সংহারকারী মানুষ তুমি কবে হবে সংযত ?
সময় আছে গুটাও হাত, কর নিজেকে প্রতিহত ।
প্রকৃতির রোষে জ্বলছে দাবানল ক্ষতিগ্রস্ত নীলগ্রহ ;
প্রতিশোধ স্পৃহায় জানায় প্রকৃতি অবিরাম বিদ্রোহ !
মানুষ তোমার জেগে ঘুমিয়ে এখনো কি কাটবে সময়-
রুদ্র রূপে ধ্বংস লীলায় হবেনা কি চৈতন্য উদয় ?
মানুষ তুমি বাঁচাও প্রকৃতি যদি নিজে বাঁচতে চাও
বাঁচাও অরণ্য,বাঁচাও জলভূমি,বাঁচাও প্রকৃতির হৃদয়।
থাকতে দাও প্রকৃতি মাকে নিজের মনোহারিণী রূপে,
বন্ধ কর উগ্র আধুনিকতায় জীবন স্বার্থ ত্যাগে ।
