শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমূহ

ক্রীড়াভূমি || Shirshendu Mukhopadhyay
ক্রীড়াভূমি (Crirabhumi) নিজের ভিতরই আছে এক অলৌকিক। কখনও-কখনও তাকে টের

খেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
খেলা (Khela) খুব ভোরে ইনডোর সুইমিং পুলের ধারে তিনি এসে

নীলুর দুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
নীলুর দুঃখ (Neelur Dukhha) সক্কালবেলাতেই নীলুর বিশ চাক্কি ঝাঁক হয়ে

আমি সুমন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমি সুমন (Ami Suman) আমি জানি ভিনি আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসে

লড়াই || Shirshendu Mukhopadhyay
লড়াই (Lorai) পালান আমাদের খেতে কাজ করে। সে ভালো লোক

ভেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
ভেলা (Vela) বিশশো পঁচাত্তর সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক সকালে আচমকা

ছেলেটা কাঁদছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ছেলেটা কাঁদছে (Cheleta Kandche) গজপতি হাট বসিয়েছে তেজোময়ীর জমিতে। গেল

ইচ্ছে || Shirshendu Mukhopadhyay
ইচ্ছে (Ichhe) দেশলাইয়ের কাঠির অর্ধেক ভেঙে দাঁত খুঁচিয়েছিল কখন। বিড়ি

বন্ধুর অসুখ || Shirshendu Mukhopadhyay
বন্ধুর অসুখ (Bandhur Osukh) অনিন্দ্যর অসুখ করেছে শুনে দেখতে গিয়েছিলাম।

খগেনবাবু || Shirshendu Mukhopadhyay
খগেনবাবু (Khagenbabu) নলতাপুরের বাসে ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ সামনের দিকে খগেনবাবুকে

তিন নম্বর বেঞ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
তিন নম্বর বেঞ্চ (Teen Number Bench) আচ্ছা, এটাই তো পূর্ব

নবদুর্গা || Shirshendu Mukhopadhyay
নবদুর্গা (Naba Durga) গরু দুইতে নারু আসছে ওই যে। বৈষ্ণবদীঘির

হলুদ আলোটি || Shirshendu Mukhopadhyay
হলুদ আলোটি অদ্ভুত এক আলোর ভিতরে ঘুম ভাঙে মনোরমার। রোজকার

সাঁঝের বেলা || Shirshendu Mukhopadhyay
সাঁঝের বেলা শুষনি শাক তুলতে গিয়ে খেতে সাপ দেখেছিল মেজো

অবেলায় || Shirshendu Mukhopadhyay
অবেলায় (Abelai) ব্রতীন খুব ভোরবেলায় আমি ঘুম থেকে উঠেছিলাম। ঘুম

আমাকে দেখুন || Shirshendu Mukhopadhyay
আমাকে দেখুন (Amake Dekhun) দয়া করে আমাকে একবার দেখুন। এই

উত্তরের ব্যালকনি || Shirshendu Mukhopadhyay
উত্তরের ব্যালকনি (Uttarer Balcony) ব্যালকনিতে দাঁড়ালে লোকটাকে দেখা যায়। উলটোদিকের

পুরোনো দেওয়াল || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো দেওয়াল (Purono Deowal) হাড় জিরজিরে রোগা ছেলের মতো ইট

ভুল || Shirshendu Mukhopadhyay
ভুল (Vul) আগস্ট মাসের এক সকালবেলায় বিধুভূষণ নামক চল্লিশ–পঁয়তাল্লিশ বছর

প্রতীক্ষার ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
প্রতীক্ষার ঘর (Pratikshar Ghor) টিকটিকিরা জল খায় না। বলে নতুন

ওষুধ || Shirshendu Mukhopadhyay
ওষুধ (Osudh) উকিলবাবু এখনও আসেননি। মক্কেলরা বসে-বসে মশা মারছে। দুর্গাপদ

হারানো জিনিস || Shirshendu Mukhopadhyay
হারানো জিনিস নস্যির কৌটোটা কোথায় যে রাখলেন সুধন্য, কিছুতেই খুঁজে

পুনশ্চ || Shirshendu Mukhopadhyay
পুনশ্চ (Punascha) বিজু বলল—আমি যাচ্ছি না। সুচেতা বিজুর থুতনিতে আঙুল

সম্পূর্ণতা || Shirshendu Mukhopadhyay
সম্পূর্ণতা (Sampurnata) ঠিক পুরুষের মতো গলায় একজন বয়স্কা নার্স চেঁচিয়ে

হাওয়া বন্দুক || Shirshendu Mukhopadhyay
হাওয়া বন্দুক দিন যায়। থাকে কথা। মণিকার দিন যায়। কিন্তু

লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা || Shirshendu Mukhopadhyay
লামডিঙের আশ্চর্য লোকেরা লামডিঙে খুবই অদ্ভুত–অদ্ভুত ধরনের ঘটনা ঘটত। এই

দৈত্যের বাগানে শিশু || Shirshendu Mukhopadhyay
দৈত্যের বাগানে শিশু যৌবনকালটা লালুর কেটেছে মামদোবাজিতে। মামদোভূতের ধড় আছে,

বিয়ের রাত || Shirshendu Mukhopadhyay
বিয়ের রাত (Biyer Raat) আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম

সাধুর ঘর || Shirshendu Mukhopadhyay
সাধুর ঘর (Sadhur Ghor) পাকুড় গাছের তলায় সাধুর ঘরে কে

সাইকেল || Shirshendu Mukhopadhyay
সাইকেল (Cycle) বউ দিয়ে সে কী করবে? তার দরকার একখানা

জমা খরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
জমা খরচ (Joma Khoroch) কী বুঝছ মুখুজ্জে? চল্লিশ পেরিয়ে জীবনের

সূত্রসন্ধান || Shirshendu Mukhopadhyay
সূত্রসন্ধান (Sutrasandhan) ছেলেবেলা থেকেই–অর্থাৎ যখন আমার বয়স ছয় কি সাত-তখন

মাসি || Shirshendu Mukhopadhyay
মাসি (Masi) দু-হাতের দুটো বুড়ো আঙুল নেই বলে ফটকের আটকায়

ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ || Shirshendu Mukhopadhyay
ঝুমকোলতার স্নানের দৃশ্য ও লম্বোদরের ঘাটখরচ ভূষণ একটু দূর থেকে

দোলা || Shirshendu Mukhopadhyay
দোলা (Dola) গাড়ি বদল করতে হয় মধুডিহি জংশনে। আর যে–গাড়ি

পারিজাত ও ছোটকাকা || Shirshendu Mukhopadhyay
পারিজাত ও ছোটকাকা আপনি কি পুলিশের লোক? কেন বলুন তো!

পুরোনো চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
পুরোনো চিঠি (Purono Chithi) নিশুতরাতে এসেছিল এক ডাকপিয়োন। দরজা খুলে

উড়োজাহাজ || Shirshendu Mukhopadhyay
উড়োজাহাজ (Urojahaj) অনেক ওপর দিয়ে মন্থর এক এরোপ্লেন উড়ে যায়।

আমার মেয়ের পুতুল || Shirshendu Mukhopadhyay
আমার মেয়ের পুতুল (Amar Meyer Putul) গাড়িটা থেমে আসছে। আমরা

আশ্চর্য প্রদীপ || Shirshendu Mukhopadhyay
আশ্চর্য প্রদীপ (Ashcharya Pradip) অনিকেত চাকরি করে একটা আধা-বিদেশি ফার্মে,

সুভাষিণী || Shirshendu Mukhopadhyay
সুভাষিণী (Subhashini) আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? না তো! আমি

সুখদুঃখ || Shirshendu Mukhopadhyay
সুখদুঃখ (Sukhdukhha) লোকটা সারা দিন তার খেতে কাজ করে। একা-একা

কার্যকারণ || Shirshendu Mukhopadhyay
কার্যকারণ (Karjakaron) রাত দুটোয় জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আমি সিগারেট জ্বাললুম।

আমরা || Shirshendu Mukhopadhyay
আমরা (Amra) সেবার গ্রীষ্মকালের শেষদিকে দিন চারেক ইনফ্লুয়েঞ্জাতে ভুগে উঠলেন

বৃষ্টিতে নিশিকান্ত || Shirshendu Mukhopadhyay
বৃষ্টিতে নিশিকান্ত কেচ্ছাকেলেঙ্কারির মতো বৃষ্টি হচ্ছে কদিন। জলের ফোঁটা লক্ষ

সেই আমি, সেই আমি || Shirshendu Mukhopadhyay
সেই আমি, সেই আমি They all must fallIn the round

হরীতকী || Shirshendu Mukhopadhyay
হরীতকী (Haritaki) আজ এই পূর্ণিমা রাতে টিউশনি সেরে ফেরার পথে

দেখা হবে || Shirshendu Mukhopadhyay
দেখা হবে (Dekha Hobe) নকশি কাঁথার মতো বিচিত্র এক পৃথিবী

মশা, ভূত ও সুরবালা || Shirshendu Mukhopadhyay
মশা, ভূত ও সুরবালা আমার বাথরুমে একটি লোনলি মশা আছে।

বাবা || Shirshendu Mukhopadhyay
বাবা (Baba) সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠেই দিদিমার কাছে শুনলাম, বহুকাল

স্বপ্নের ভিতরে মৃত্যু || Shirshendu Mukhopadhyay
স্বপ্নের ভিতরে মৃত্যু “This is the way the world endsNot

তোমার উদ্দেশে || Shirshendu Mukhopadhyay
তোমার উদ্দেশে (Tomar Uddeshye) “In search of you, in search

উকিলের চিঠি || Shirshendu Mukhopadhyay
উকিলের চিঠি (Ukiler Chithi) ও মিছরি, তোর নামে একটা উকিলের

খবরের কাগজ || Shirshendu Mukhopadhyay
খবরের কাগজ (Khoborer Kagoj) বলা হয় ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত হবে।

শুক্লপক্ষ || Shirshendu Mukhopadhyay
শুক্লপক্ষ (Shulapaksha) রাজা চলেছেন ভিখারির ছদ্মবেশে। ভিখারির চীরবাস পরনে, গায়ে

গণ্ডগোল || Shirshendu Mukhopadhyay
গণ্ডগোল (Gandogol) রামী কেমন মেয়ে তাও কুমুদ জানে না। অথচ

পরপুরুষ || Shirshendu Mukhopadhyay
পরপুরুষ (Parpurush) করালী গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। আর তারক বেরিয়েছিল বউ

চিহ্ন || Shirshendu Mukhopadhyay
চিহ্ন (Chinha) অন্ধকারে ভেসে যাচ্ছে জ্বলন্ত মোমবাতি। হলুদ আলোয় যেন

ছবি || Shirshendu Mukhopadhyay
ছবি (Chobi) পলাশের ঘরে দুটো বড় জানলা, পুবের জানলা দিয়ে

