এসেছে বর্ষার শেষে শরতের কাল
অমল ধবল মেঘ বিরাজে অম্বরে
পাল তুলে অবিরাম দূর অজানায়
ধেয়ে চলে বিচঞ্চল থরে ও বিথরে।
বিশ্বকর্মা পূজা দিনে সোনা রোদে মেলা
রকমারি ঘুড়ি খেলা চলে নভ গায়,
পেটকাটি চাঁদিয়াল কত রূপ ঘুড়ি
সুতোর প্যাঁচের সাথে লড়াই জমায়।
ছেলে বুড়ো হুল্লোড়ে মাতে সারাদিন,
ভোকাট্টা হলেই ঘুড়ি নেবে তারা লুটে,
চাতকের মত তাই চেয়ে রয় নভে
কেটে গেলে ঘুড়ি পিছে দ্রুত সবে ছুটে।
ঘুড়ি খেলায় মাতন বিশ্বকর্মা স্মরে
তিনি হন কারিগর যন্ত্র স্থাপত্যের,
গড়েন উড়ন্ত রথ দেবতার তরে
তাই এই ঘুড়ি খেলা হয় মাহাত্ম্যের।
বিশ্বকর্মার সৃষ্টির মর্যাদা স্মরণে
বাহারি ঘুড়ির খেলা আকাশের মাঝে,
প্রচলিত প্রথা মেনে চলে এই খেলা
শতাব্দী আগের রীতি দৃপ্ত হয়ে রাজে।