সত্যজিৎ রায়ের গল্পসমূহ

ব্রাউন সাহেবের বাড়ি || Brown Saheber Bari by Satyajit Ray
ব্রাউন সাহেবের ডায়রিটি হাতে আসার পর থেকেই ব্যাঙ্গালোর যাবার একটা

কানাইয়ের কথা || Kanai-er Kotha by Satyajit Ray
নসু কবরেজ প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে বলরামের নাড়ি ধরে বসে

ম্যাকেঞ্জি ফ্রুট || Myakenji Fruit by Satyajit Ray
১. ম্যাকেঞ্জি সাহেবের বাগানে আশ্চর্য গাছটা আবিষ্কার করলেন নিশিকান্তবাবু। সাহেব

সেপ্টোপাসের খিদে || Satyajit Ray
কড়া নাড়ার আওয়াজ পেয়ে আপনা থেকেই মুখ থেকে একটা বিরক্তিসূচক

বর্ণান্ধ || Barnandha by Satyajit Ray
দুষ্প্রাপ্য বইখানাকে বগলে গুঁজে পুরনো বইয়ের দোকানের ভ্যাপসা মলিন পরিবেশ

তারিণীখুড়ো ও বেতাল || Tarinikhuro o Betal by Satyajit Ray
শ্রাবণ মাস, দিনটা ঘোলাটে, সকাল থেকে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে,

গণৎকার তারিণীখুড়ো || Satyajit Ray
তারিণীখুড়োর এক ভাইপো এক চা কোম্পানিতে ভাল কাজ করে, সে

মোল্লা নাসিরুদ্দিনের আরো গল্প || Satyajit Ray
১. একদিন এক জ্ঞাতি এসে নাসিরুদ্দিনকে একটা হাঁস উপহার দিলে।

কুটুম-কাটাম || Kutum Katam by Satyajit Ray
কোথায় পেলি এটা? আমাদের বাড়ির কাছেই ছিল, বলল দিলীপ। একটা

বহুরূপী || Bohurupi by Satyajit Ray
নিউ মহামায়া কেবিনের একটি চেয়ার দখল করে হাফ কাপ চা

মহিম সান্যালের ঘটনা || Mahim Sanyaler Ghotona by Satyajit Ray
তারিণীখুড়ো তাকিয়াটা বুকের কাছে টেনে নিয়ে বললেন, চমকালের কথা তো

স্পটলাইট || Spotlight by Satyajit Ray
ছোটনাগপুরের এই ছোট্ট শহরটায় পুজোর ছুটি কাটাতে আমরা আগেও অনেকবার

বৃহচ্চঞ্চু || Brihachhanchu by Satyajit Ray
ওল্ড কোর্ট হাউস স্ট্রিটে তাঁর আপিসের যেখানে বসে তুলসীবাবু কাজ

নতুন বন্ধু || Natun Bandhu by Satyajit Ray
বর্ধমান স্টেশনের রেস্টোর্যান্টে ভদ্রলোক নিজেই যেচে এসে আলাপ করলেন। ফ্রেঞ্চকাট

সহদেববাবুর পোট্রেট || Sahadeb Babur Portrait by Satyajit Ray
যেটার আগে নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সেই মিরজা গালিব

অতিথি || Atithi by Satyajit Ray
মন্টু কদিন থেকেই শুনেছে তার মা-বাবার মধ্যে কথা হচ্ছে দাদুকে

বিষফুল || Bishphool by Satyajit Ray
ওদিকে যাবেন না বাবু! জগন্ময়বাবু চমকে উঠলেন। কাছাকাছির মধ্যে যে

খগম || Khagam by Satyajit Ray
পেট্রোম্যাক্সের আলোতে বসে ডিনার খাচ্ছি, সবেমাত্র ডালনার ডিমে একটা কামড়

সহযাত্রী || Sahajatri by Satyajit Ray
ত্রিদিববাবুর সাধারণত একটা হালকা বই পড়েই সময়টা কেটে যায়। কলকাতা

পুরস্কার || Puraskar by Satyajit Ray
বয়স চব্বিশ, লম্বা, রোগাটে। হাত-পা রোগা, মুখখানা শীর্ণ, পকেটের দশা

রতন আর লক্ষ্মী || Ratan Aar Lakshmi by Satyajit Ray
ঠিক কখন থেকে রতনের মনটা খুশিতে ভরে আছে সেটা রতন

ধুমলগড়ের হাণ্টিং লজ || Satyajit Ray
মাথায় অনেকরকম উদ্ভট শখ চাপে মানুষের, বললেন তারিণীখুড়ো, কিন্তু আমার

ব্রজবুড়ো || Brajaburo by Satyajit Ray
শঙ্কর চৌধুরী আধখানা হাতের রুটি ছিঁড়ে ডালে চুবিয়ে মুখে পুরে

নরিস সাহেবের বাংলো || Satyajit Ray
তারিণীখুড়োকে ঘিরে আমরা পাঁচ বন্ধু বসেছি, বাদলা দিন, সন্ধে হব-হব,

তারিণীখুড়ো ও ঐন্দ্রজালিক || Satyajit Ray
কই, আর সব কই? বললেন তারিণীখুড়ো। সব্বাইকে খবর দে, নইলে

অক্ষয়বাবুর শিক্ষা || Akshaybabur Sikhsha by Satyajit Ray
অক্ষয়বাবু ছেলের হাত থেকে লেখাটা ফেরত নিলেন। কী রে–এটাও চলবে

নিতাইবাবুর ময়না || Nitaibabur Moyna by Satyajit Ray
নিতাইবাবুর অনেকদিনের শখ একটা ময়না কেনার। তাঁর বন্ধু শশাঙ্ক সেনের

রামধনের বাঁশি || Ramdhaner Banshi by Satyajit Ray
রামধনের লোকটাকে চেনা চেনা লাগায় আরেকটু কাছে গিয়ে একটা গাছের

রতনবাবু আর সেই লোকটা || Satyajit Ray
ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নেমে এদিক ওদিক দেখে রতনবাবুর মনে একটা

নিতাই ও মহাপুরুষ || Nitai o Mahapurush by Satyajit Ray
কোনও এক জ্ঞানী ব্যক্তি বলে গেছেন যে মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই

পিন্টুর দাদু || Pintur Dadu by Satyajit Ray
পিন্টুর আপসোস এইখানেই। তার বন্ধুদের মধ্যে অনেকেরই দাদু আছে, কিন্তু

ময়ূরকণ্ঠি জেলি || Mayurkanthi Jelly by Satyajit Ray
শশাঙ্ক টেবিলের উপর থেকে খাতাটা তুলে নিল। নীল মলাটের ছোট

গগন চৌধুরীর স্টুডিও || Satyajit Ray
একটা ফ্ল্যাট দিনের বেলা দেখে পছন্দ হলেও, সেখানে গিয়ে থাকা

ভূতো || Bhooto by Satyajit Ray
নবীনকে দ্বিতীয়বার হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হল। অক্রূরবাবুর মন ভেজানো

বারীন ভৌমিকের ব্যারাম || Satyajit Ray
কন্ডাকটরের নির্দেশমতো ডি কামরায় ঢুকে বারীন ভৌমিক তাঁর সুটকেসটা সিটের

আর্যশেখরের জন্ম ও মৃত্যু || Satyajit Ray
অনেকের মতে আর্যশেখর ছিলেন যাকে ইংরাজিতে বলে চাইল্ড প্রডিজি। তাঁর

চিলেকোঠা || Chilekotha by Satyajit Ray
ন্যাশনাল হাইওয়ে নাম্বার ফর্টি থেকে ডাইনে রাস্তা ধরে দশ কিলোমিটার
