সত্যজিৎ রায়ের গল্পসমূহ

শিল্পী || Shilpi by Satyajit Ray
অবনীশ ছবিটার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল। অয়েল পেন্টিং। একজন মাঝবয়সি

সুজন হরবোলা || Sujan Harabola by Satyajit Ray
সুজনের বাড়ির পিছনেই ছিল একটা সজনে গাছ। তাতে থাকত একটা

সদানন্দের খুদে জগৎ || Sadanander Khude Jagat by Satyajit Ray
আজ আমার মনটা বেশ খুশি-খুশি, তাই ভাবছি এইবেলা তোমাদের সব

সাধনবাবুর সন্দেহ || Sadhanbabur Sandeha by Satyajit Ray
সাধনবাবু একদিন সন্ধ্যাবেলা কাজ থেকে ফিরে তাঁর ঘরে ঢুকে দেখলেন

স্পটলাইট || Spotlight by Satyajit Ray
ছোটনাগপুরের এই ছোট্ট শহরটায় পুজোর ছুটি কাটাতে আমরা আগেও অনেকবার

কাগতাড়ুয়া || Kagtadua by Satyajit Ray
মৃগাঙ্কবাবুর সন্দেহটা যে অমূলক নয় সেটা প্রমাণ হল পানাগড়ের কাছাকাছি

পুরস্কার || Puraskar by Satyajit Ray
বয়স চব্বিশ, লম্বা, রোগাটে। হাত-পা রোগা, মুখখানা শীর্ণ, পকেটের দশা

বিপিন চৌধুরীর স্মৃতিভ্রম || Satyajit Ray
নিউ মার্কেটের কালীচরণের দোকান থেকে প্রতি সোমবার আপিস-ফেরতা বই কিনে

ম্যাকেঞ্জি ফ্রুট || Myakenji Fruit by Satyajit Ray
১. ম্যাকেঞ্জি সাহেবের বাগানে আশ্চর্য গাছটা আবিষ্কার করলেন নিশিকান্তবাবু। সাহেব

বর্ণান্ধ || Barnandha by Satyajit Ray
দুষ্প্রাপ্য বইখানাকে বগলে গুঁজে পুরনো বইয়ের দোকানের ভ্যাপসা মলিন পরিবেশ

ফার্স্ট ক্লাস কামরা || First Class Kamra by Satyajit Ray
আগের আমলের ফার্স্ট ক্লাস কামরাবাথরুম সমেত ফোর বার্থ বা সিক্স

লোড শেডিং || Load Shedding by Satyajit Ray
ফণীবাবু তাঁর গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে থেকেই আঁচ করলেন যে

লখনৌর ডুয়েল || Lucknow-er Duel by Satyajit Ray
ডুয়েল মানে জানিস? জিজ্ঞেস করলেন তারিণীখুড়ো। বাঃ, ডুয়েল মানে জানব

মিঃ শাসমলের শেষ রাত্রি || Satyajit Ray
মিঃ শাসমল আরাম কেদারাটায় গা এলিয়ে দিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস

গগন চৌধুরীর স্টুডিও || Satyajit Ray
একটা ফ্ল্যাট দিনের বেলা দেখে পছন্দ হলেও, সেখানে গিয়ে থাকা

খগম || Khagam by Satyajit Ray
পেট্রোম্যাক্সের আলোতে বসে ডিনার খাচ্ছি, সবেমাত্র ডালনার ডিমে একটা কামড়

বাতিকবাবু || Batikbabu by Satyajit Ray
বাতিকবাবুর আসল নামটা জিজ্ঞেস করাই হয়নি। পদবি মুখার্জি। চেহারা একবার

অপদার্থ || Apadartha by Satyajit Ray
অপদার্থ কথাটা অনেক লোক সম্বন্ধে অনেক সময়ই ব্যবহার করা হয়ে

শিশু সাহিত্যিক || Shishu Sahityik by Satyajit Ray
ছোটদের মাসিক পত্রিকা বহুরূপী এক বছর হল বেরোচ্ছে। সম্পাদক সুপ্রকাশ

রণ্টুর দাদু || Rantur Dadu by Satyajit Ray
রন্টুর বয়স পনেরো, কিন্তু এর মধ্যেই তার গানের গলা হয়েছে

লাখপতি || Lakhpati by Satyajit Ray
ত্রিদিব চৌধুরী আর থাকতে না পেরে বিরক্তভাবে বেয়ারাকে ডাকার বোতামটা

খেলোয়াড় তারিণীখুড়ো || Kheloar Tarinikhuro by Satyajit Ray
ডিসেম্বরের ঊনত্রিশে, শীতটা পড়েছে বেশ জাঁকিয়ে। সন্ধেবেলা তারিণীখুড়ো এলেন গলায়

অভিরাম || Abhiram by Satyajit Ray
তোমার নাম কী? অভিরাম সাউ, বাবু। তোমার বাড়ি কোথায়? উলুইপুর

মৃগাঙ্কবাবুর ঘটনা || Mrigankababur Ghotona
মৃগাঙ্কবাবু তাঁর সহকর্মী সলিল বসাকের কাছ থেকে প্রথম জানতে পারলেন

প্রসন্ন স্যার || Prasanna Sir by Satyajit Ray
অর্ধেন্দু সেনগুপ্ত সাতদিনের ছুটি নিয়ে শিমুলতলায় এসেছে। সে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং

সবুজ মানুষ || Sobuj Manush by Satyajit Ray
আমি যার কথা লিখতে যাচ্ছি তার সঙ্গে সবুজ মানুষের কোনও

ডুমনিগড়ের মানুষখেকো || Satyajit Ray
আমি তখন ছিলাম ডুমনিগড় নেটিভ স্টেটের ম্যানেজার, বললেন তারিণীখুড়ো। ডুমনিগড়

দুই বন্ধু || Dui Bandhu by Satyajit Ray
মহিম বাঁ হাতের কবজি ঘুরিয়ে হাতের ঘড়িটার দিকে এক ঝলক

ব্লু-জন গহ্বরের বিভীষিকা || Satyajit Ray
১৯০৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সাউথ কেনসিংটনের ৩৬ নং আপার কভেন্ট্রি

শিবু আর রাক্ষসের কথা || Satyajit Ray
অ্যাই শিবু–এদিকে শোন। শিবুর ইস্কুল যাবার পথে ফটিকদা তাকে প্রায়ই

চিলেকোঠা || Chilekotha by Satyajit Ray
ন্যাশনাল হাইওয়ে নাম্বার ফর্টি থেকে ডাইনে রাস্তা ধরে দশ কিলোমিটার

তারিণীখুড়ো ও বেতাল || Tarinikhuro o Betal by Satyajit Ray
শ্রাবণ মাস, দিনটা ঘোলাটে, সকাল থেকে টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে,

দুই ম্যাজিশিয়ান || Dui Magician by Satyajit Ray
পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো। সুরপতি ট্রাঙ্কগুলো গুনে

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ || Satyajit Ray
আমার ঘটনাটা কেউ বিশ্বাস করবে বলে বিশ্বাস হয় না। না

নীল আতঙ্ক || Neel Atanka by Satyajit Ray
আমার নাম অনিরুদ্ধ বোস। আমার বয়স উনত্রিশ। এখনও বিয়ে করিনি।

পিকুর ডায়রি || Pikur Dairy by Satyajit Ray
আমি ডাইরি লিখছি। আমি আমার নীল নতুন নীল খাতায় ডাইরি

