সত্যজিৎ রায়ের গল্পসমূহ

জুটি || Juti by Satyajit Ray
আজ আমি একজন ফিল্মস্টারের কথা বলতে যাচ্ছি, চায়ে চুমুক দিয়ে

রণ্টুর দাদু || Rantur Dadu by Satyajit Ray
রন্টুর বয়স পনেরো, কিন্তু এর মধ্যেই তার গানের গলা হয়েছে

ভূতো || Bhooto by Satyajit Ray
নবীনকে দ্বিতীয়বার হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হল। অক্রূরবাবুর মন ভেজানো

ব্রজবুড়ো || Brajaburo by Satyajit Ray
শঙ্কর চৌধুরী আধখানা হাতের রুটি ছিঁড়ে ডালে চুবিয়ে মুখে পুরে

অনাথবাবুর ভয় || Anathbabur Bhoy by Satyajit Ray
অনাথবাবুর সঙ্গে আমার আলাপ ট্রেনের কামরায়। আমি যাচ্ছিলাম রঘুনাথপুর, হাওয়াবদলের

খেলোয়াড় তারিণীখুড়ো || Kheloar Tarinikhuro by Satyajit Ray
ডিসেম্বরের ঊনত্রিশে, শীতটা পড়েছে বেশ জাঁকিয়ে। সন্ধেবেলা তারিণীখুড়ো এলেন গলায়

টেলিফোন || Telephone by Satyajit Ray
ক্রিং-ক্রিং…ক্রিং ক্রিং…ক্রিং ক্রিং… বীরেশবাবু বিরক্ত হয়ে খাটের পাশের টেবিলের ওপর

খগম || Khagam by Satyajit Ray
পেট্রোম্যাক্সের আলোতে বসে ডিনার খাচ্ছি, সবেমাত্র ডালনার ডিমে একটা কামড়

লোড শেডিং || Load Shedding by Satyajit Ray
ফণীবাবু তাঁর গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে থেকেই আঁচ করলেন যে

মহারাজা তারিণীখুড়ো || Maharaja Tarinikhuro by Satyajit Ray
আজ আপনার কপালে ভ্রূকুটি কেন খুড়ো? জিজ্ঞেস করল ন্যাপলা। এটা

পিন্টুর দাদু || Pintur Dadu by Satyajit Ray
পিন্টুর আপসোস এইখানেই। তার বন্ধুদের মধ্যে অনেকেরই দাদু আছে, কিন্তু

গঙ্গারামের কপাল || GGangaramer Kopal by Satyajit Ray
নদীর ধারে খোলামকুচি দিয়ে ব্যাঙবাজি খেলতে খেলতে হঠাৎ গঙ্গারামের চোখে

মৃগাঙ্কবাবুর ঘটনা || Mrigankababur Ghotona
মৃগাঙ্কবাবু তাঁর সহকর্মী সলিল বসাকের কাছ থেকে প্রথম জানতে পারলেন

সেপ্টোপাসের খিদে || Satyajit Ray
কড়া নাড়ার আওয়াজ পেয়ে আপনা থেকেই মুখ থেকে একটা বিরক্তিসূচক

কানাইয়ের কথা || Kanai-er Kotha by Satyajit Ray
নসু কবরেজ প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে বলরামের নাড়ি ধরে বসে

শিশু সাহিত্যিক || Shishu Sahityik by Satyajit Ray
ছোটদের মাসিক পত্রিকা বহুরূপী এক বছর হল বেরোচ্ছে। সম্পাদক সুপ্রকাশ

ধাপ্পা || Dhappa by Satyajit Ray
চার্লস ওয়েকম্যানের হিস্ট্রি অফ ম্যাজিক আপনার ক ভল্যুম ছিল? সমরেশ

রতনবাবু আর সেই লোকটা || Satyajit Ray
ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নেমে এদিক ওদিক দেখে রতনবাবুর মনে একটা

মোল্লা নাসিরুদ্দিনের আরো গল্প || Satyajit Ray
১. একদিন এক জ্ঞাতি এসে নাসিরুদ্দিনকে একটা হাঁস উপহার দিলে।

ঈশ্বরের ন লক্ষ কোটি নাম || Satyajit Ray
আপনাদের অর্ডারটা একটু অস্বাভাবিক ধরনের, বিস্ময়ের মাত্রাটা যথাসম্ভব কমিয়ে বললেন

কাগতাড়ুয়া || Kagtadua by Satyajit Ray
মৃগাঙ্কবাবুর সন্দেহটা যে অমূলক নয় সেটা প্রমাণ হল পানাগড়ের কাছাকাছি

নরিস সাহেবের বাংলো || Satyajit Ray
তারিণীখুড়োকে ঘিরে আমরা পাঁচ বন্ধু বসেছি, বাদলা দিন, সন্ধে হব-হব,

তারিণীখুড়ো ও ঐন্দ্রজালিক || Satyajit Ray
কই, আর সব কই? বললেন তারিণীখুড়ো। সব্বাইকে খবর দে, নইলে

বিপিন চৌধুরীর স্মৃতিভ্রম || Satyajit Ray
নিউ মার্কেটের কালীচরণের দোকান থেকে প্রতি সোমবার আপিস-ফেরতা বই কিনে

বহুরূপী || Bohurupi by Satyajit Ray
নিউ মহামায়া কেবিনের একটি চেয়ার দখল করে হাফ কাপ চা

কনওয়েকাস্লের প্রেতাত্মা || Satyajit Ray
তারিণীখুড়ো তাঁর এক্সপোর্ট কোয়ালিটি বিড়িতে দুটো টান দিয়ে বললেন, ভূতের

নিতাই ও মহাপুরুষ || Nitai o Mahapurush by Satyajit Ray
কোনও এক জ্ঞানী ব্যক্তি বলে গেছেন যে মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই

অনুকূল || Anukul by Satyajit Ray
এর একটা নাম আছে তো? নিকুঞ্জবাবু জিজ্ঞেস করলেন। আজ্ঞে হ্যাঁ,

সাধনবাবুর সন্দেহ || Sadhanbabur Sandeha by Satyajit Ray
সাধনবাবু একদিন সন্ধ্যাবেলা কাজ থেকে ফিরে তাঁর ঘরে ঢুকে দেখলেন

অঙ্ক স্যার, গোলাপীবাবু আর টিপু || Satyajit Ray
টিপু ভূগোলের বইটা বন্ধ করে ঘড়ির দিকে দেখল। সাতচল্লিশ মিনিট

পুরস্কার || Puraskar by Satyajit Ray
বয়স চব্বিশ, লম্বা, রোগাটে। হাত-পা রোগা, মুখখানা শীর্ণ, পকেটের দশা

প্রসন্ন স্যার || Prasanna Sir by Satyajit Ray
অর্ধেন্দু সেনগুপ্ত সাতদিনের ছুটি নিয়ে শিমুলতলায় এসেছে। সে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং

চিলেকোঠা || Chilekotha by Satyajit Ray
ন্যাশনাল হাইওয়ে নাম্বার ফর্টি থেকে ডাইনে রাস্তা ধরে দশ কিলোমিটার

মঙ্গলই স্বর্গ || Mangal-i Swarga by Satyajit Ray
মহাকাশ থেকে রকেটটা নেমে আসছে তার গন্তব্যস্থলের দিকে। এতদিন সেটা

গল্পবলিয়ে তারিণীখুড়ো || Satyajit Ray
তোরা তো আমাকে গল্পবলিয়ে বলেই জানিস, বললেন তারিণীখুড়ো, কিন্তু এই

কুটুম-কাটাম || Kutum Katam by Satyajit Ray
কোথায় পেলি এটা? আমাদের বাড়ির কাছেই ছিল, বলল দিলীপ। একটা

বারীন ভৌমিকের ব্যারাম || Satyajit Ray
কন্ডাকটরের নির্দেশমতো ডি কামরায় ঢুকে বারীন ভৌমিক তাঁর সুটকেসটা সিটের
