সত্যজিৎ রায়ের গল্পসমূহ

শিশু সাহিত্যিক || Shishu Sahityik by Satyajit Ray
ছোটদের মাসিক পত্রিকা বহুরূপী এক বছর হল বেরোচ্ছে। সম্পাদক সুপ্রকাশ

বিপিন চৌধুরীর স্মৃতিভ্রম || Satyajit Ray
নিউ মার্কেটের কালীচরণের দোকান থেকে প্রতি সোমবার আপিস-ফেরতা বই কিনে

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ || Satyajit Ray
আমার ঘটনাটা কেউ বিশ্বাস করবে বলে বিশ্বাস হয় না। না

সেপ্টোপাসের খিদে || Satyajit Ray
কড়া নাড়ার আওয়াজ পেয়ে আপনা থেকেই মুখ থেকে একটা বিরক্তিসূচক

পুরস্কার || Puraskar by Satyajit Ray
বয়স চব্বিশ, লম্বা, রোগাটে। হাত-পা রোগা, মুখখানা শীর্ণ, পকেটের দশা

রতন আর লক্ষ্মী || Ratan Aar Lakshmi by Satyajit Ray
ঠিক কখন থেকে রতনের মনটা খুশিতে ভরে আছে সেটা রতন

সহদেববাবুর পোট্রেট || Sahadeb Babur Portrait by Satyajit Ray
যেটার আগে নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সেই মিরজা গালিব

মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প || Satyajit Ray
১. নাসিরুদ্দিনের বন্ধুরা একদিন তাকে বললে, চলো, আজ রাত্রে আমরা

চিলেকোঠা || Chilekotha by Satyajit Ray
ন্যাশনাল হাইওয়ে নাম্বার ফর্টি থেকে ডাইনে রাস্তা ধরে দশ কিলোমিটার

গণেশ মুৎসুদ্দির পোর্ট্রেট || Satyajit Ray
সুখময় সেনের বয়স পঁয়ত্রিশ। এই বয়সেই সে চিত্রকর হিসাবে বেশ

আর এক দফা মোল্লা নাসিরুদ্দিন || Satyajit Ray
১. নাসিরুদ্দিন রাস্তা দিয়ে হাঁটছে, পাশে ফুলে ফলে ভরা বাগিচা

কনওয়েকাস্লের প্রেতাত্মা || Satyajit Ray
তারিণীখুড়ো তাঁর এক্সপোর্ট কোয়ালিটি বিড়িতে দুটো টান দিয়ে বললেন, ভূতের

নিতাইবাবুর ময়না || Nitaibabur Moyna by Satyajit Ray
নিতাইবাবুর অনেকদিনের শখ একটা ময়না কেনার। তাঁর বন্ধু শশাঙ্ক সেনের

বর্ণান্ধ || Barnandha by Satyajit Ray
দুষ্প্রাপ্য বইখানাকে বগলে গুঁজে পুরনো বইয়ের দোকানের ভ্যাপসা মলিন পরিবেশ

টেরোড্যাকটিলের ডিম || Satyajit Ray
বদনবাবু আপিসের পর আর কার্জন পার্কে আসেন না। আগে ছিল

ডুমনিগড়ের মানুষখেকো || Satyajit Ray
আমি তখন ছিলাম ডুমনিগড় নেটিভ স্টেটের ম্যানেজার, বললেন তারিণীখুড়ো। ডুমনিগড়

মহারাজা তারিণীখুড়ো || Maharaja Tarinikhuro by Satyajit Ray
আজ আপনার কপালে ভ্রূকুটি কেন খুড়ো? জিজ্ঞেস করল ন্যাপলা। এটা

গণৎকার তারিণীখুড়ো || Satyajit Ray
তারিণীখুড়োর এক ভাইপো এক চা কোম্পানিতে ভাল কাজ করে, সে

লোড শেডিং || Load Shedding by Satyajit Ray
ফণীবাবু তাঁর গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে থেকেই আঁচ করলেন যে

রামধনের বাঁশি || Ramdhaner Banshi by Satyajit Ray
রামধনের লোকটাকে চেনা চেনা লাগায় আরেকটু কাছে গিয়ে একটা গাছের

জুটি || Juti by Satyajit Ray
আজ আমি একজন ফিল্মস্টারের কথা বলতে যাচ্ছি, চায়ে চুমুক দিয়ে

খগম || Khagam by Satyajit Ray
পেট্রোম্যাক্সের আলোতে বসে ডিনার খাচ্ছি, সবেমাত্র ডালনার ডিমে একটা কামড়

সাধনবাবুর সন্দেহ || Sadhanbabur Sandeha by Satyajit Ray
সাধনবাবু একদিন সন্ধ্যাবেলা কাজ থেকে ফিরে তাঁর ঘরে ঢুকে দেখলেন

বিষফুল || Bishphool by Satyajit Ray
ওদিকে যাবেন না বাবু! জগন্ময়বাবু চমকে উঠলেন। কাছাকাছির মধ্যে যে

অসমঞ্জবাবুর কুকুর || Satyajit Ray
হাসিমারায় বন্ধুর বাড়িতে ছুটি কাটাতে এসে অসমঞ্জবাবুর একটা অনেকদিনের শখ

প্রতিকৃতি || Pratikriti by Satyajit Ray
রঞ্জন পুরকায়স্থ কলকাতার একজন নামকরা চিত্রকর। শুধু কলকাতা কেন, তাঁর

কানাইয়ের কথা || Kanai-er Kotha by Satyajit Ray
নসু কবরেজ প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে বলরামের নাড়ি ধরে বসে

আবার মোল্লা নাসিরুদ্দিন || Satyajit Ray
১. রাজামশাই একদিন নাসিরুদ্দিনকে ডেকে বললেন, বনে গিয়ে ভাল্লুক মেরে

ব্রজবুড়ো || Brajaburo by Satyajit Ray
শঙ্কর চৌধুরী আধখানা হাতের রুটি ছিঁড়ে ডালে চুবিয়ে মুখে পুরে

অভিরাম || Abhiram by Satyajit Ray
তোমার নাম কী? অভিরাম সাউ, বাবু। তোমার বাড়ি কোথায়? উলুইপুর

সহযাত্রী || Sahajatri by Satyajit Ray
ত্রিদিববাবুর সাধারণত একটা হালকা বই পড়েই সময়টা কেটে যায়। কলকাতা

সবুজ মানুষ || Sobuj Manush by Satyajit Ray
আমি যার কথা লিখতে যাচ্ছি তার সঙ্গে সবুজ মানুষের কোনও

নিতাই ও মহাপুরুষ || Nitai o Mahapurush by Satyajit Ray
কোনও এক জ্ঞানী ব্যক্তি বলে গেছেন যে মানুষের মধ্যে বেশিরভাগই

বঙ্কুবাবুর বন্ধু || Bankubabur Bandhu by Satyajit Ray
বঙ্কুবাবুকে বুকে কেউ কোনওদিন রাগতে দেখেনি। সত্যি বলতে কি, তিনি

নরিস সাহেবের বাংলো || Satyajit Ray
তারিণীখুড়োকে ঘিরে আমরা পাঁচ বন্ধু বসেছি, বাদলা দিন, সন্ধে হব-হব,

ফ্রিৎস || Frits by Satyajit Ray
জয়ন্তর দিকে মিনিটখানেক তাকিয়ে থেকে তাকে প্রশ্নটা না করে পারলাম

ভূতো || Bhooto by Satyajit Ray
নবীনকে দ্বিতীয়বার হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হল। অক্রূরবাবুর মন ভেজানো

লখনৌর ডুয়েল || Lucknow-er Duel by Satyajit Ray
ডুয়েল মানে জানিস? জিজ্ঞেস করলেন তারিণীখুড়ো। বাঃ, ডুয়েল মানে জানব

মিঃ শাসমলের শেষ রাত্রি || Satyajit Ray
মিঃ শাসমল আরাম কেদারাটায় গা এলিয়ে দিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস

বহুরূপী || Bohurupi by Satyajit Ray
নিউ মহামায়া কেবিনের একটি চেয়ার দখল করে হাফ কাপ চা

মঙ্গলই স্বর্গ || Mangal-i Swarga by Satyajit Ray
মহাকাশ থেকে রকেটটা নেমে আসছে তার গন্তব্যস্থলের দিকে। এতদিন সেটা

সদানন্দের খুদে জগৎ || Sadanander Khude Jagat by Satyajit Ray
আজ আমার মনটা বেশ খুশি-খুশি, তাই ভাবছি এইবেলা তোমাদের সব

ম্যাকেঞ্জি ফ্রুট || Myakenji Fruit by Satyajit Ray
১. ম্যাকেঞ্জি সাহেবের বাগানে আশ্চর্য গাছটা আবিষ্কার করলেন নিশিকান্তবাবু। সাহেব

ধাপ্পা || Dhappa by Satyajit Ray
চার্লস ওয়েকম্যানের হিস্ট্রি অফ ম্যাজিক আপনার ক ভল্যুম ছিল? সমরেশ

গঙ্গারামের কপাল || GGangaramer Kopal by Satyajit Ray
নদীর ধারে খোলামকুচি দিয়ে ব্যাঙবাজি খেলতে খেলতে হঠাৎ গঙ্গারামের চোখে

ব্রেজিলের কালো বাঘ || Satyajit Ray
মেজাজটা বনেদি, প্রত্যাশা অসীম, অভিজাত বংশের রক্ত বইছে ধমনীতে, অথচ

রতনবাবু আর সেই লোকটা || Satyajit Ray
ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নেমে এদিক ওদিক দেখে রতনবাবুর মনে একটা

নীল আতঙ্ক || Neel Atanka by Satyajit Ray
আমার নাম অনিরুদ্ধ বোস। আমার বয়স উনত্রিশ। এখনও বিয়ে করিনি।

দুই বন্ধু || Dui Bandhu by Satyajit Ray
মহিম বাঁ হাতের কবজি ঘুরিয়ে হাতের ঘড়িটার দিকে এক ঝলক

ব্লু-জন গহ্বরের বিভীষিকা || Satyajit Ray
১৯০৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সাউথ কেনসিংটনের ৩৬ নং আপার কভেন্ট্রি

কাগতাড়ুয়া || Kagtadua by Satyajit Ray
মৃগাঙ্কবাবুর সন্দেহটা যে অমূলক নয় সেটা প্রমাণ হল পানাগড়ের কাছাকাছি

অক্ষয়বাবুর শিক্ষা || Akshaybabur Sikhsha by Satyajit Ray
অক্ষয়বাবু ছেলের হাত থেকে লেখাটা ফেরত নিলেন। কী রে–এটাও চলবে

বারীন ভৌমিকের ব্যারাম || Satyajit Ray
কন্ডাকটরের নির্দেশমতো ডি কামরায় ঢুকে বারীন ভৌমিক তাঁর সুটকেসটা সিটের

ময়ূরকণ্ঠি জেলি || Mayurkanthi Jelly by Satyajit Ray
শশাঙ্ক টেবিলের উপর থেকে খাতাটা তুলে নিল। নীল মলাটের ছোট

পিন্টুর দাদু || Pintur Dadu by Satyajit Ray
পিন্টুর আপসোস এইখানেই। তার বন্ধুদের মধ্যে অনেকেরই দাদু আছে, কিন্তু

শেঠ গঙ্গারামের ধনদৌলত || Satyajit Ray
আমার এখন যে চেহারা দেখছিস, বললেন তারিণীখুড়ো, তা থেকে আমার

অতিথি || Atithi by Satyajit Ray
মন্টু কদিন থেকেই শুনেছে তার মা-বাবার মধ্যে কথা হচ্ছে দাদুকে

প্রসন্ন স্যার || Prasanna Sir by Satyajit Ray
অর্ধেন্দু সেনগুপ্ত সাতদিনের ছুটি নিয়ে শিমুলতলায় এসেছে। সে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং

ক্লাস ফ্রেণ্ড || Class Friend by Satyajit Ray
সকাল সোয়া নটা।মোহিত সরকার সবেমাত্র টাইয়ে ফাঁসটা পরিয়েছেন, এমন সময়

