সমরেশ মজুমদারের গল্পসমূহ

নিজের সঙ্গে খেলা || Samaresh Majumdar
নিজের সঙ্গে খেলা কাল সারারাত ওরা বৃষ্টিতে ভিজেছে। এই ঘন

যুদ্ধক্ষেত্রে একজন || Samaresh Majumdar
যুদ্ধক্ষেত্রে একজন ছয় ক্রোশ কাদা ভেঙে জোড়খালি গাঁয়ে বাইরের লোক

মানুষের মতো || Samaresh Majumdar
মানুষের মতো এই বাড়ি ওর। মাঝে-মাঝে নিজের কাছেই কেমন অস্বস্তিকর

ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ || Samaresh Majumdar
ঠাকুর, থাকবি কতক্ষণ চেয়ারে বসে দুলছিল দ্বিজদাস। সেই ভোররাত থেকে

আপনা মাংসে হরিণা বৈরী || Samaresh Majumdar
আপনা মাংসে হরিণা বৈরী আজ সকালে যখন বেলটা বেজেছিল তখন

অন্তর আত্মা || Samaresh Majumdar
অন্তর আত্মা বেশ কিছুক্ষণ হল আমার ঘুম ভেঙেছে এবং আমি

কাঠঠোকরা || Samaresh Majumdar
কাঠঠোকরা দপ্তর থেকে ইস্যু করা পাশ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তেও একটা

পত্ৰজাত প্রেম || Samaresh Majumdar
পত্ৰজাত প্রেম সকালের ডাকে চিঠিটা এসেছিল। অফিসে বেরুবার সময় লেটার

রক্তমাংসের স্বামী || Samaresh Majumdar
রক্তমাংসের স্বামী বিয়ের তিন মাস বাদে এক সকালে চা খেতে-খেতে

হনিমুনে যেমন হয় || Samaresh Majumdar
হনিমুনে যেমন হয় বিয়ে হয়েছিল শেষ রাতে। বাসরঘরে যেতে-যেতেই আকাশ

উৎসবের রাত || Samaresh Majumdar
উৎসবের রাত এখনও অনেক কিছু পারেন না প্রতিভা। এই যেমন,

উনুনের গল্প || Samaresh Majumdar
উনুনের গল্প ভাতারখাকি বলে বদনামের গল্প যার গায়ে তার কাছে

আশ্চর্য প্রদীপ || Samaresh Majumdar
আশ্চর্য প্রদীপ ঠা-ঠা রোদ্দুরে ছেলেটা হাঁটছিল। শামবাটির খাল পেরিয়ে রাস্তাটা

শেষ ঘণ্টা বেজে গেল || Samaresh Majumdar
শেষ ঘণ্টা বেজে গেল যিনি বলেছিলেন লাবণ্য না থাকলে সৌন্দর্য

রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি || Samaresh Majumdar
রঙিন জামা এবং সাদা গেঞ্জি সুধা বলেছিল, পুরুষজাতটাকে বাপু কোনওদিন

তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা || Samaresh Majumdar
তিন পবিত্র আত্মা এবং চোরাপথে অপ্সরা সরকারি হাসপাতাল হলেও ঘরে

একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ || Samaresh Majumdar
একটি ডলফিন শিশু এবং বলরামের বউ আজ সকালে ঘুম থেকে

পুলিশের নাম বসন্ত || Samaresh Majumdar
পুলিশের নাম বসন্ত ট্রামবাস চলতে শুরু করে দেয় দুটো নাগাদ,

শূকরছানা || Samaresh Majumdar
শূকরছানা কুকুরগুলোর খাওয়া দেখছিল ছেলেটা। তিনটে জিভ একসঙ্গে পড়ছে থালাতে,

ইঁদুরের কল || Samaresh Majumdar
ইঁদুরের কল নিরাপদ একজন বাঙালি প্রৌঢ়ের নাম, যার কোনও উজ্জ্বল

রাজার খেলা || Samaresh Majumdar
রাজার খেলা হিপপকেট থেকে ছোট্ট হলদে বইটা বের করল সুজয়।

পুতুলের খেলা || Samaresh Majumdar
পুতুলের খেলা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন বড় অফিসারকে ধরে দিল্লির বঙ্গভবনে

খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে || Samaresh Majumdar
খুঁজতে যাব প্রাণগঙ্গার ঘাটে পরীক্ষাটা ছিল চাকরির। দেওয়ার সময়েই বুঝতে

ভিত মজবুত || Samaresh Majumdar
ভিত মজবুত এখনও এই পরিবারের সদস্যসংখ্যা আঠারো। কাজের লোকদের ধরলে

রাজার মতো যাওয়া || Samaresh Majumdar
রাজার মতো যাওয়া আজকাল রাত না ফুরোতেই ঘুম ভেঙে যায়।

প্রতীক্ষার পুরুষ || Samaresh Majumdar
প্রতীক্ষার পুরুষ যে ট্রেনের পৌঁছবার কথা বিকেল তিনটেয়, সেটা এল

বদরক্ত || Samaresh Majumdar
বদরক্ত দিনরাত ঝুপঝুপ বৃষ্টি তবু মানুষের আসা বন্ধ হচ্ছে না।

প্রতিপালন || Samaresh Majumdar
প্রতিপালন কি আশ্চর্য, তোমার ওই মিডল ক্লাস মানসিকতা এখনও গেল

দায়মুক্ত || Samaresh Majumdar
দায়মুক্ত কয়েকদিন যেতে-না-যেতেই হাঁপিয়ে উঠলেন রজতাভ। কাঁহাতক চব্বিশ ঘণ্টা বাড়িতে

আঙরাভাসা || Samaresh Majumdar
আঙরাভাসা তারপরে এক সময় দিনটাও ফুরিয়ে গেল। আমাদের বাড়ির সামনে

শান্তিজল || Samaresh Majumdar
শান্তিজল তার সুটকেসটা নেওয়ার জন্যে হাত বাড়িয়ে অনুপ বলল, দে।

আকাশের আড়ালে আকাশ || Samaresh Majumdar
আকাশের আড়ালে আকাশ মাঠঘাট পেরিয়ে ছুটতে-ছুটতে ট্রেনটা বিকেল শেষ করে

ভগীরথ || Samaresh Majumdar
ভগীরথ চিৎ হয়ে শুয়েছিল শিবনাথ। পা থেকে চাদরটা কপাল অবধি

হৃদয়ঙ্গম || Samaresh Majumdar
হৃদয়ঙ্গম বিছানায় শুয়েই সূর্য টের পেল বউদি দাদাকে তাতাচ্ছে। ওপাশের

জোড়া পা || Samaresh Majumdar
জোড়া পা কেউ একজন সাইকেলে এসে গাছতলায় বলে গেল, লাইনের

ভাঙা দাঁত || Samaresh Majumdar
ভাঙা দাঁত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে সোমরার চার মাস কাবার

শিহরণ || Samaresh Majumdar
শিহরণ শক্তিব্রতবাবু মুখ তুলে কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখলেন। এই ভয়ংকর গরমেও

নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো || Samaresh Majumdar
নিরুদ্দেশ-প্রাপ্তি-হারানো চারদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেন বাড়ির আবহাওয়ায় টান লাগল।

জন্ম বৃত্তান্ত || Samaresh Majumdar
জন্ম বৃত্তান্ত একটু আস্তে হাঁটো! ঠিক আছে। উঁহু, ঠিক নেই।

জীবন যখন উদাস || Samaresh Majumdar
জীবন যখন উদাস অস্বস্তি শুরু হয়েছিল দিন পাঁচেক আগে। তখন

সে এবং জীবনানন্দ দাশ || Samaresh Majumdar
সে এবং জীবনানন্দ দাশ এখানে হাওয়ারা হাওয়াদের মতো বয়ে যায়।

জীবনে যেমনটি হয় || Samaresh Majumdar
জীবনে যেমনটি হয় চিত্তপ্রিয় চ্যাটার্জি অবসর নিয়েছেন বছর ছয়েক হল

ভাসানের সুরে বোধনের গান || Samaresh Majumdar
ভাসানের সুরে বোধনের গান এই বাড়িটা তার পিতামহের তৈরি। সেকেলে

তবু জীবন অগাধ || Samaresh Majumdar
তবু জীবন অগাধ তুমি ভুল বুঝলেই নিশ্বাস ভারী হয়। বারোতলা

মানুষের মেটে || Samaresh Majumdar
মানুষের মেটে এতকাল বাবুর যত রোগ ছিল মনে, এবার শরীরেও।

স্বামীর আত্মা || Samaresh Majumdar
স্বামীর আত্মা সকালবেলার সদ্য চায়ের কাপ শেষ করেছে সৌরভ, বেল

দিয়ে যাওয়া || Samaresh Majumdar
দিয়ে যাওয়া মেঝেতে পাতা বিছানায় শোয়া বিজনের একদম অভ্যেস নেই,

পিতা-পুত্র উপাখ্যান || Samaresh Majumdar
পিতা-পুত্র উপাখ্যান ডুডুয়ার সতীশ রায় মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘দূর

সহাবস্থান || Samaresh Majumdar
সহাবস্থান এখন বিকেল। ব্যালকনিতে চেয়ার পেতে বসেছিলেন দিব্যজ্যোতি। সামনে চোখ

হয়তো পরের পূর্ণিমায় || Samaresh Majumdar
হয়তো পরের পূর্ণিমায় আকাশের দিকে মুখ তুলে দেখছিল সে। রাগি

স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ || Samaresh Majumdar
স্বপ্ন নম্বর একশো বাইশ প্রায় আঠারো বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম

নিস্তার নৌকো || Samaresh Majumdar
নিস্তার নৌকো দক্ষিণ খোলা বাড়িটা তৈরি করতে সুধাময়ের একটু বেশি

বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা || Samaresh Majumdar
বুঝেসুঝে বেঁচে থাকা কর্তামশাই জমিটা কিনে দিয়ে বলেছিলেন, ‘হারা, সারাজীবন

সাংসারিক || Samaresh Majumdar
সাংসারিক পনেরো দিন বাড়িটা মিস্ত্রিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে গেস্টহাউসে থাকতে

স্বপ্নের রথে রপ্তানি || Samaresh Majumdar
স্বপ্নের রথে রপ্তানি ব্যাপারটা কীরকম? যে সন্ধেয় একটু পানভোজন হয়

ইচ্ছে বাড়ি || Samaresh Majumdar
ইচ্ছে বাড়ি পঞ্চাশে পা দেওয়ার আগে অন্তত পঁচিশবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছে

ফুলের মধ্যে সাপ || Samaresh Majumdar
ফুলের মধ্যে সাপ রাস্তাটা যেখানে ঘোড়ার নালের মতো বাঁক মেরেছে

চার দেওয়াল এবং একটি খাট || Samaresh Majumdar
চার দেওয়াল এবং একটি খাট ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে


