অন্যান্য রচনা
হিমালয়ের ভয়ংকর
হত্যা হাহাকারে
সত্যিকার দানব-দানবী
রহস্যের আলো-ছায়া
রক্তপাঞ্জা
যক্ষপতির রত্নপুরী
মেঘদূতের মর্ত্যে আগমন
মুখ আর মুখোশ
মানব দানব
ময়নামতীর মায়াকানন
ভৌতিক, না ভেলকি
ভেনাস ছোরার রহস্য
বিখ্যাত চোরের অ্যাডভেঞ্চার
ফরাসি বিপ্লবে বাঙালির ছেলে
প্রশান্তের আগ্নেয়-দ্বীপ
প্যারিসের কুব্জ-রাজা
প্যারির বালক বিভীষিকা
পৃথিবীর প্রথম গোয়েন্দা কাহিনি
নবযুগের মহাদানব
ডবল মামলার হামলা
টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি
জয়ন্তের প্রথম মামলা
জয়ন্তের কীর্তি
গুহাবাসী বিভীষণ
গুপ্তধন
কে
কিং কং
কাচের কফিন
একরত্তি মাটি
একখানা উলটে-পড়া চেয়ার
এ-যুগের সবচেয়ে বড় ডাকাত
ইয়াঙ্কি খোকা-গুন্ডা
আধুনিক রবিনহুড
অসম্ভবের দেশে
অলৌকিক বিভীষিকা
অলৌকিক
অমৃত-দ্বীপ
অমানুষিক মানুষ
অদৃশ্য মানুষ

দরজি || Tarapada Roy
দরজি দরজি অর্থাৎ যাঁরা জামাকাপড় বানান। এই সীবন-শিল্পীদের কোথাও কোথাও

কোদণ্ডের টঙ্কার || Syed Mustafa Siraj
কোদণ্ডের টঙ্কার কর্নেল নীলাদ্রি সরকারের জাদুঘরসদৃশ বিশাল ড্রয়িংরুমে ইদানীং রবিবারের

এই তো তোমার আলোকধেনু || Rabindranath Thakur
এই তো তোমার আলোকধেনু সূর্য তারা দলে দলে–কোথায় ব’সে বাজাও

ডাক্তারবাবু নমস্কার || Tarapada Roy
ডাক্তারবাবু নমস্কার ডাক্তারবাবুদের কথা বলতে গেলে সাতকাহন। ছয়কাহন আগেই বলা

রাখো রাখো রে জীবনে জীবনবল্লভে || Rabindranath Thakur
রাখো রাখো রে জীবনে জীবনবল্লভে,প্রাণমনে ধরি রাখো নিবিড় আনন্দবন্ধনে ॥আলো

ওমেগা পয়েন্ট (২০০০) || Humayun Ahmed
খুব ঠাণ্ডা লাগছে খুব ঠাণ্ডা লাগছে। ভয়াবহ ঠাণ্ডা। হাত-পা-শরীর সব

নিশার স্বপন ছুটল রে || Rabindranath Thakur
নিশার স্বপন ছুটল রে, এই ছুটল রে, টুটল বাঁধন টুটল

জানি জানি তোমার প্রেমে || Rabindranath Thakur
জানি জানি তোমার প্রেমে সকল প্রেমের বাণী মেশে,আমি সেইখানেতেই মুক্তি

অশ্রুভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে || Rabindranath Thakur
অশ্রুভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে ।আজি শ্যামল মেঘের মাঝে বাজে

ভালবাসার সন্ধানে || Tarapada Roy
ভালবাসার সন্ধানে আচ্ছা, মধুমিতা তোমার তো বয়েস একুশ-বাইশ মতান্তরে সাতাশ-আটাশ

আর রেখো না আঁধারে || Rabindranath Thakur
আর রেখো না আঁধারে, আমায় দেখতে দাও।তোমার মাঝে আমার আপনারে

আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে || Rabindranath Thakur
আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে ,তখন হৃদয় কোথায় থাকে ॥যখন হৃদয়

দুখ দিয়েছ, দিয়েছ ক্ষতি নাই || Rabindranath Thakur
দুখ দিয়েছ, দিয়েছ ক্ষতি নাই, কেন গো একেলা ফেলে রাখ?ডেকে

শ্রাবণের গগনের গায় বিদ্যুৎ || Rabindranath Thakur
শ্রাবণের গগনের গায় বিদ্যুৎ চমকিয়া যায়।ক্ষণে ক্ষণে শর্বরী শিহরিয়া উঠে,

ছারপোকার এপিটাফ || Tarapada Roy
ছারপোকার এপিটাফ আমি যখন চাকরিতে ঢুকেছি, একটা জিনিস দেখে আমার

ওই মরণের সাগরপারে চুপে চুপে || Rabindranath Thakur
ওই মরণের সাগরপারে চুপে চুপেএলে তুমি ভুবনমোহন স্বপনরূপে॥কান্না আমার সারা

আজি বহিছে বসন্তপবন সুমন্দ || Rabindranath Thakur
আজি বহিছে বসন্তপবন সুমন্দ তোমারি সুগন্ধ হে।কত আকুল প্রাণ আজি

ভুবনজোড়া আসনখানি || Rabindranath Thakur
ভুবনজোড়া আসনখানিআমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি ॥রাতের তারা, দিনের রবি, আঁধার-আলোর

আজি শরততপনে প্রভাতস্বপনে || Rabindranath Thakur
আজি শরততপনে প্রভাতস্বপনে কী জানি পরান কী যে চায়।ওই শেফালির

তোমার নাম জানি নে || Rabindranath Thakur
তোমার নাম জানি নে, সুর জানি।তুমি শরৎ-প্রাতের আলোর বাণী॥সারা বেলা

আমারে পাড়ায় পাড়ায় খেপিয়ে বেড়ায় || Rabindranath Thakur
আমারে পাড়ায় পাড়ায় খেপিয়ে বেড়ায় কোন্ খ্যাপা সে !ওরে, আকাশ

ডাকিল মোরে জাগার সাথি || Rabindranath Thakur
ডাকিল মোরে জাগার সাথি।প্রাণের মাঝে বিভাস বাজে, প্রভাত হল আঁধার

তৈজসপত্র || Tarapada Roy
তৈজসপত্র এই নিবন্ধনিভ লঘু রচনার নামকরণেই মারাত্মক ভুল হয়ে গেল।

মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে || Rabindranath Thakur
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরেএকেলা রয়েছ নীরব শয়ন’পরে—প্রিয়তম হে, জাগো

কলকাতা তিনহাজার তিনশো || Tarapada Roy
কলকাতা তিনহাজার তিনশো কলকাতার বয়স যে মাত্র তিনশো বছর একথা

ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে || Rabindranath Thakur
ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে– আয় গো আয়।কাঁচা রোদখানি পড়েছে

ওই পোহাইল তিমিররাতি || Rabindranath Thakur
ওই পোহাইল তিমিররাতি।পূর্বগগনে দেখা দিল নব প্রভাতছটা,জীবনে-যৌবনে হৃদয়ে-বাহিরেপ্রকাশিল অতি অপরূপ

শীতের হাওয়ার লাগল নাচন || Rabindranath Thakur
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আম্লকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শির্শিরিয়ে ঝরিয়ে

পথে চলে যেতে যেতে || Rabindranath Thakur
পথে চলে যেতে যেতে কোথা কোন্খানেতোমার পরশ আসে কখন কে

তুমি বাহির থেকে দিলে বিষম তাড়া || Rabindranath Thakur
তুমি বাহির থেকে দিলে বিষম তাড়াতাই ভয়ে ঘোরায় দিক্বিদিকে,শেষে অন্তরে

হুতোমপ্যাঁচার নক্সা || Kaliprasanna Singha
কলিকাতায় চড়ক পার্ব্বণ “কহই টুনেয়া——শহর শিখাওয়ে কোতোয়ালি”——-টুনোয়ার টপ্পা। হে শারদে!

ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময় || Rabindranath Thakur
ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়, তোমারি হউক জয়।তিমিরবিদার উদার অভ্যুদয়, তোমারি

গায়ে আমার পুলক লাগে || Rabindranath Thakur
গায়ে আমার পুলক লাগে, চোখে ঘনায় ঘোর–হৃদয় মোর কে বেঁধেছে

আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে || Rabindranath Thakur
আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরেকেন পাগল কর এমন ক’রে ?।বাতাস

বাগ্বিধি || Tarapada Roy
বাগ্বিধি বাক্+বিধি=বাগ্বিধি সোজাসুজি বলা যায় কথা বলার নিয়ম। কিন্তু কথা

কেন রে এই দুয়ারটুকু || Rabindranath Thakur
কেন রে এই দুয়ারটুকু পার হতে সংশয় ?জয় অজানার জয়।এই

এবেলা ডাক পড়েছে কোন্খানে || Rabindranath Thakur
এবেলা ডাক পড়েছে কোন্খানেফাগুনের ক্লান্ত ক্ষণের শেষ গানে।সেখানে স্তব্ধ বীণার

একটি উড়ো কাহিনী || Tarapada Roy
একটি উড়ো কাহিনী শ্রীলঙ্কায় তামিলদের সঙ্গে সিংহলিদের দাঙ্গাহাঙ্গামা হচ্ছে। অনেক

রাতের আতঙ্ক || Adrish Bardhan
রাতের আতঙ্ক রবিবার সকাল। দূরদর্শনে মহাভারতের পাট চুকে গেছে। সাপ্তাহিক

বোকার মা || Tarapada Roy
বোকার মা রেল-ক্রসিংয়ের একটু দূরে রাস্তার মোড়ে দুই বন্ধুর দেখা

আমার প্রাণে গভীর গোপন || Rabindranath Thakur
আমার প্রাণে গভীর গোপন মহা-আপন সে কি,অন্ধকারে হঠাৎ তারে দেখি

বাজে বাজে রম্যবীণা বাজে || Rabindranath Thakur
বাজে বাজে রম্যবীণা বাজে–অমলকমল-মাঝে, জ্যোৎস্নারজনী মাঝে,কাজলঘন-মাঝে, নিশি আঁধার-মাঝে,কুসুমসুরভি-মাঝে বীনরণন শুনি

রজনীর শেষ তারা || Rabindranath Thakur
রজনীর শেষ তারা, গোপনে আঁধারে আধো-ঘুমেবাণী তব রেখে যাও প্রভাতের

গাব তোমার সুরে দাও || Rabindranath Thakur
গাব তোমার সুরে দাও সে বীণাযন্ত্র,শুনব তোমার বাণী দাও সে

দিন অবসান হল || Rabindranath Thakur
দিন অবসান হল।আমার আঁখি হতে অস্তরবির আলোর আড়াল তোলো॥অন্ধকারের বুকের

হে মহাপ্রবল বলী || Rabindranath Thakur
হে মহাপ্রবল বলী,কত অসংখ্য গ্রহ তারা তপন চন্দ্রধারণ করে তোমার

কনে হল বিধবা || Adrish Bardhan
কনে হল বিধবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো নিজেকে দেখল

ব্যাকুল বকুলের ফুলে ভ্রমর মরে পথ ভুলে || Rabindranath Thakur
ব্যাকুল বকুলের ফুলে ভ্রমর মরে পথ ভুলে ॥আকাশে কী গোপন

এই মলিন বস্ত্র ছাড়তে হবে || Rabindranath Thakur
এই মলিন বস্ত্র ছাড়তে হবে, হবে গো এইবার–আমার এই মলিন

আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে || Rabindranath Thakur
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে ।তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনেকোরো না বিড়ম্বিত

বনি আর ক্লাইড || Adrish Bardhan
বনি আর ক্লাইড দিবসরজনীর বিভীষিকা ছিল ওরা…মরণের ডঙ্কা বাজিয়ে গেছে

পোহালো পোহালো বিভাবরী || Rabindranath Thakur
পোহালো পোহালো বিভাবরী,পূর্বতোরণে শুনি বাঁশরি॥নাচে তরঙ্গ, তরী অতি চঞ্চল, কম্পিত

আমায় ভুলতে দিতে নাইকো || Rabindranath Thakur
আমায় ভুলতে দিতে নাইকো তোমার ভয়আমার ভোলার আছে অন্ত, তোমার

আজি নাহি নাহি নিদ্রা || Rabindranath Thakur
আজি নাহি নাহি নিদ্রা আঁখিপাতে।তোমার ভবনতলে হেরি প্রদীপ জ্বলে,দূরে বাহিরে

প্রেতাত্মা ও ভালুক রহস্য || Syed Mustafa Siraj
প্রেতাত্মা ও ভালুক রহস্য এক সেবার ডিসেম্বরের মাঝামাঝিও কলকাতায় শীতের

তুমি ডাক দিয়েছ কোন্ সকালে || Rabindranath Thakur
তুমি ডাক দিয়েছ কোন্ সকালে কেউ তা জানে না,আমার মন

আমি জেনে শুনে তবু ভুলে আছি || Rabindranath Thakur
আমি জেনে শুনে তবু ভুলে আছি, দিবস কাটে বৃথায় হে–আমি

নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে || Rabindranath Thakur
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে।হৃদয় তোমারে পায়

কথা বলার বিপদ || Tarapada Roy
কথা বলার বিপদ রসরাজ শিবরাম চক্রবর্তী নিজেকে পানাসক্ত বলে ঘোষণা

প্রিয় মানুষ || Sanjit Mandal
প্রিয় মানুষটা যদি অপ্রিয় হয়ে যায়-তার থেকে তুমি নিজেকে সরিয়ে

আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান || Rabindranath Thakur
আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গানতার বদলে আমি চাই নে কোনো

বারে বারে পেয়েছি যে তারে || Rabindranath Thakur
বারে বারে পেয়েছি যে তারেচেনায় চেনায় অচেনারে ॥যারে দেখা গেল

ইঁদুর ও মদিরা || Tarapada Roy
ইঁদুর ও মদিরা চঞ্চলা পাঠিকা, এই বিদ্যাবুদ্ধির এ রকম অপ্রাকৃত

শুধু কি তার বেঁধেই তোর কাজ ফুরাবে || Rabindranath Thakur
শুধু কি তার বেঁধেই তোর কাজ ফুরাবেগুণী মোর, ও গুণী!বাঁধা

তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে || Rabindranath Thakur
তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে টুকরো করে কাছিআমি ডুবতে রাজি

ঘাটে বসে আছি আনমনা || Rabindranath Thakur
ঘাটে বসে আছি আনমনা যেতেছে বহিয়া সুসময়–সে বাতাসে তরী ভাসাব

সুখে আমায় রাখবে কেন || Rabindranath Thakur
সুখে আমায় রাখবে কেন, রাখো তোমার কোলে ।যাক-না গো সুখ

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও || Rabindranath Thakur
কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও, শেষে দাও মুছে।ওহে চঞ্চল, বেলা

গুর্গিন খাঁর দেয়াল || Syed Mustafa Siraj
গুর্গিন খাঁর দেয়াল জিপ থেকে নেমেই আমরা মাঠের দিকে তাকালুম।

বাসন্তী হে ভুবনমোহিনী || Rabindranath Thakur
বাসন্তী, হে ভুবনমোহিনী,দিকপ্রান্তে, বনবনান্তে,শ্যাম প্রান্তরে, আম্রছায়ে,সরোবরতীরে, নদীনীরেনীল আকাশে, ময়লবাতাসেব্যাপিল অনন্ত

টর্চলাইট || Tarapada Roy
টর্চলাইট একদা নিশীথকালে দু’জন বিখ্যাত গুলিখোর একটা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।

নেশা লাগে খুনের স্বাদে || Adrish Bardhan
নেশা লাগে খুনের স্বাদে কেঁদে ফেললেন প্রৌঢ়া। বললেন–আমার দৃঢ়বিশ্বাস সাংঘাতিক

অশ্বডিম্ব রহস্য || Syed Mustafa Siraj
অশ্বডিম্ব রহস্য ঘোড়া ডিম পেড়েছে–মানে ঘোড়ার ডিম? খি খি করে

মোরে বারে বারে ফিরালে || Rabindranath Thakur
মোরে বারে বারে ফিরালে।পূজাফুল না ফুটিল দুখনিশা না ছুটিল,না টুটিল

আজি এ আনন্দসন্ধ্যা সুন্দর বিকাশে || Rabindranath Thakur
আজি এ আনন্দসন্ধ্যা সুন্দর বিকাশে, আহা ॥মন্দ পবনে আজি ভাসে

আবার এরা ঘিরেছে মোর মন || Rabindranath Thakur
আবার এরা ঘিরেছে মোর মন ।আবার চোখে নামে আবরণ ॥আবার

জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে || Rabindranath Thakur
জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে,বন্ধু হে আমার, রয়েছ দাঁড়ায়ে॥এ মোর হৃদয়ের বিজন

হরষে জাগো আজি || Rabindranath Thakur
হরষে জাগো আজি, জাগো রে তাঁহার সাথে,প্রীতিযোগে তাঁর সাথে একাকী

তুমি একলা ঘরে বসে বসে || Rabindranath Thakur
তুমি একলা ঘরে বসে বসে কী সুর বাজালেপ্রভু, আমার জীবনে!তোমার

তোমারি মধুর রূপে ভরেছ ভুবন || Rabindranath Thakur
তোমারি মধুর রূপে ভরেছ ভুবন –মুগ্ধ নয়ন মম, পুলকিত মোহিত

আমি আছি তোমার সভার দুয়ার-দেশে || Rabindranath Thakur
আমি আছি তোমার সভার দুয়ার-দেশে,সময় হলেই বিদায় নেব কেঁদে হেসে॥মালায়

কার মিলন চাও বিরহী || Rabindranath Thakur
কার মিলন চাও বিরহী–তাঁহারে কোথা খুঁজিছ ভব-অরণ্যেকুটিল জটিল গহনে শান্তিসুখহীন

তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো || Rabindranath Thakur
তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতেসূর্য যেমন ধরার করে আলোক-রাখী

তোমাদের জন্য ভালোবাসা || Humayun Ahmed
গাড়ি ছেড়ে দিল হাতলে হাত রাখবার আগেই গাড়ি ছেড়ে দিল।

তোমার কাছে এ বর মাগি || Rabindranath Thakur
তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন জাগিগানের সুরে॥যেমনি

ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা || Rabindranath Thakur
ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা ঝরল যততারা আজ কেঁদে শুধায়,

জীবজন্তু || Tarapada Roy
জীবজন্তু-2 জীবজন্তু নিয়ে রসিকতার গল্পগুলি অধিকাংশই নেহাতই আজগুবি। রূপকথা কিংবা













