কুমারী, তোমার অই অনুভূতিময় উষ্ণ অন্ধকার ঝুলবারান্দায়
আজ বড় মেঘলা দিন,
আজ বড় সুসময়,
এসো হোক তোমাতে আমাতে
এখন তমসা, কোনো চাঁদ নেই,
তোমার বুকের পাত্র আলো দেবে
স্পর্শ করলেই চোখে জেগে উঠবে যুগল পূর্ণিমা।
সমস্ত সতীর গাত্রে লাথি মেরে
সমস্ত সৃষ্টির পাত্র ভেঙে-চুরে।
এসো হোক তোমাকে আমাতে
এসো ভয় নেই!
এসো অইতে উদ্ধারমূর্তি, অইতো বুদ্ধের বোকা ধ্যান!
কামুককে ভঙ্গি দিয়ে নৃত্য করে অইতো আদিম!
বুকে অইতো জলপাই ঘ্রাণ!
অই আনে মধ্যপ্রাচ্য, তেলের সংকট
দূতাবাসে খুনোখুনি,
অই আনে তুর্কী নারীর নাচ, তা তা থৈ অন্ধকার
দুটি তলোয়ার হাতের তালুতে
অই আনে রোমান সভ্যতা!
কুমারী, দহন ওকে কেন বলো?
ওতো লোকগাথা, ওতো প্রবচন,
ওতো পৃথিবীর প্রথম হ্রদের তলদেশ-উথথিত
ক্রন্দন ভরা মাটি!
ওতো সমুদ্রের অপার মহিমা!
এসো হোক তোমাতে আমাতে
এসো নৃত্য করি, জল খাই,
হাতে খুঁড়তে খুঁড়তে যাই তোমার তুমুল শাড়ি
তোমার কুমারী জন্ম
তোমার সুষমা!