স্বপ্না দত্ত চৌধুরী
পরিচিতি
—————————
নাম : স্বপ্না দত্ত চৌধুরী
আমি স্বপ্না দত্ত চৌধুরী,পশ্চিম বঙ্গের কলকাতা শহর নিবাসী ভারতীয় নাগরিক। জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা বাংলা শিক্ষা সংস্কৃতি সহ এই শহরেরই একজন সাহিত্য প্রেমী অবসরপ্রাপ্ত কে: সরকারি কর্মচারী। অবসরের পর সাহিত্যকে ভালোবেসে সাহিত্যকে সাথে নিয়ে আমার নিত্য দিনযাপন। বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকা সহ এপার বাংলা ওপার বাংলার অসংখ্য পত্র পত্রিকার নিয়মিত লেখক। ইতিমধ্যেই বইমেলা (২০২২) সংখ্যা সহ পঁয়ত্রিশটা কাব্য সঙ্কলনে আমার অসংখ্য কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৩ পূজা সংখ্যায় আরও ২০টি সঙ্কলনের মধ্যে কিছু প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু প্রকাশের অপেক্ষায়।
২০২১ সালে “বিপন্ন নীলগ্রহ” এবং “স্বপ্নচারিণী ” নামে আমার দুইটি একক গ্রন্থ প্রকাশিত হয় যা পাঠক সমাজ দ্বারা বহুল সমাদৃত । ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক বই মেলায় আমার একক কাব্য গ্রন্থ “সভ্যতার অভিশাপ” বিশিষ্ট জনের দ্বারা মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পাঠক সমাজে ইতিমধ্যেই সমাদৃত হয়েছে। “বিপন্ন নীলগ্রহ” লিটল ম্যাগাজিনের বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার বিচারক মন্ডলীর বিচারে গুণগত মানে শ্রেষ্টত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনটি পুরস্কার লাভ করেছে, যা আমায় সাহিত্য জীবনে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
লেখিকার সৃষ্টি

ভিজে নাগরিক || Swapna Dutta Chowdhury
তোমার নামে ভিজে নাগরিক রাতের আঁধারেশ্বাসরোধ করে চেপে বসেছে বুকেহায়নার

সিঁদুরে মেঘ || Swapna Dutta Chowdhury
সব মেঘই সিঁদুরে নয়,অনায়াসে তাইউড়াতে পারো তোমার স্বপ্নের ঘুড়িআলতো ঠোঁটের

শুধু একটা লিপি || Swapna Dutta Chowdhury
“তুমি কেমন আছো” একটি শুধু লিপি,মনের সব ভাব প্রকাশের ছোট্ট

ভগ্নাংশের ভাগিদার || Swapna Dutta Chowdhury
তপ্ত দহন তাপে মাঠ ঘাট জ্বলে পুড়ে খাকহৃদয়ে বাজে সুর

নৈঃশব্দের ধ্বনি || Swapna Dutta Chowdhury
শিশিরের শব্দের মতো নিঃশব্দ কোলাহল,শেষ প্রহরের নীরবতার নিম্ন তাপমাত্রা–ছুঁয়ে যায়

ভারত প্রত্যক্ষ বর্তমান || Swapna Dutta Chowdhury
স্টেন গানের বুলেটে বুলেটে ঝাঁজরা হওয়া ক্ষতবিক্ষত শরীরের প্রতিটি রক্তকণা

সভ্যতার অভিশাপ || Swapna Dutta Chowdhury
সময়ের গতিতে ভেসে যাওয়া নগর কীর্তনহাওয়াকে কখনো বেঁধে রাখতে পারেনি

স্বপ্ন যেন জ্বলন্ত অঙ্গার || Swapna Dutta Chowdhury
স্বপ্নেরা যেন চুপি চুপি কথা বলেজীবন যুদ্ধে ক্লান্ত বিধস্ত সৈনিক

সেই মেয়ে || Swapna Dutta Chowdhury
এই সেই মেয়েএসেছিল জীবনে আমারসাথে নিয়ে দমকা হাওয়া,ভাসিয়ে তরী প্রেম

সৃষ্টির ইতিহাস || Swapna Dutta Chowdhury
হে বিধাতা পুরুষ!তোমার হাতেই আছে সব রহস্য,বিশ্বব্রহ্মান্ন্ডে এই ভুবন গড়ারগোপন

একটু সুখ কিনতে গিয়ে || Swapna Dutta Chowdhury
সুখের মহিমা দেখো কি অপার!ছুটছে সবাই সুখের পিছন, শান্তির দেখা

শ্রাবণ ধারায় চুপ কথারা || Swapna Dutta Chowdhury
আকাশ ছেয়ে কালো মেঘেরঘনঘটায় শ্রাবণ,রিমঝিম রবে রাতদিন ঝরেঅঝোর ধারায় বর্ষণ।

শুধু তুমি নাই || Swapna Dutta Chowdhury
সেদিনের সেই রুপোলি জোছনায়নিঃস্তব্দ রাতে সবাই ঘুমিয়ে,তুমি চলে গেলে অভিমান

শরৎ বেলায় ফুলের দোলায় || Swapna Dutta Chowdhury
রাধা কৃষ্ণের ঝুলন দোলায়মাতে হরির নামে,শরৎ বেলায় ফুলের মেলায়,ভক্তি রসের

রাঙিয়ে দিয়ে যা || Swapna Dutta Chowdhury
ঋতুরাজ ছুঁয়ে দিল মজা মন আকাশরঙেরঙে রঙিন হ’ল পিপাসিত হৃদয়

মান ভাঙানোর গান || Swapna Dutta Chowdhury
আয় না সখী তোর সাথে আজমনের কথা কইঅভিমানে মনের দুঃখে

ব্যবহারই পরিচয় || Swapna Dutta Chowdhury
জন্ম হোক যত্র তত্ৰ, কর্মে দেখো ফল,ব্যবহারেই হয় পরিচয়দেখোনা তার

প্রকৃতি ও প্রেম || Swapna Dutta Chowdhury
প্রকৃতি আর প্রেম সদা যেন অঙ্গাঅঙ্গি জড়িত,একে অপরের পরিপূরক হয়ে

পুজো পুজো গন্ধ || Swapna Dutta Chowdhury
বর্ষা গিয়ে শরৎ এলো আগমানীর সুরে,কাশের বনে লাগলো দোলা, ঐ

জীবন যুদ্ধ || Swapna Dutta Chowdhury
জীবন যুদ্ধ নয়তো সোজাকণ্টকময় পথ,জিততে হলে কঠিন সংগ্রামেথাকতে হবে সৎ।

জীবন তরী || Swapna Dutta Chowdhury
জীবন তরী ভাসিয়া চলেআপন ছন্দ গতিতে,শোনেনা কথা বোঝেনা ব্যথাচলে নিজের

মাতৃ দিবস || Swapna Dutta Chowdhury
লোকে মাতৃ দিবস পালন করে কেনতা আজও বুঝে উঠতে পারিনা।তাই

চিরঅটুট বন্ধন || Swapna Dutta Chowdhury
মায়ার বন্ধন বড়ই কঠিনযায়না তারে ছাড়া,পায়ের বেড়ি ভেঙে স্বাধীনযায়না পগার

গর্বিত সন্তান || Swapna Dutta Chowdhury
ভুবন কাঁপানো শব্দে রাস্তায় বাজি ফাটছিল,পাশের বাড়ির হৃদরুগী শব্দ যন্ত্রনায়

কৈলাসে যায় ভেসে || Swapna Dutta Chowdhury
শারদ প্রাতে শিশিরের কণাসবুজ ঘাসেতে ফোঁটা,ঊষার কিরণে করে ঝলমলহীরক দ্যুতির

কুঞ্জবনে চৈতি হাওয়া || Swapna Dutta Chowdhury
গোলাপ বাগে উড়ছে অলিহয়ে আত্মহারা,মনের সুখে গুনগুনিয়েলুটছে মধু তারা। আম্র

ঝরা পাতা || Swapna Dutta Chowdhury
শীতের হাওয়ায় উঠল কেঁপে তরু রাজির বুক,হলুদ বরণ পাতায় ভরে

কলঙ্কিনী কন্যা || Swapna Dutta Chowdhury
ঠিক তখন বিকেল পাঁচটা,শরতের পড়ন্ত বিকেলে কনে দেখা আলোয়নদীর পশ্চিম

আজও খুঁজে চলেছি তোকে || Swapna Dutta Chowdhury
আঁতিপাঁতি করে খুঁজেছি তোকেগেলি কোথায় হারিয়ে,কবে আবার আসবি ঘরে ফিরেধরবো

আজো খুঁজে বেড়াই || Swapna Dutta Chowdhury
জন্মেই তোমায় প্রথম দেখিপ্রথম বাস পাই,তোমার পরশ গায়ে মেখেজীবন কাটাই।তোমা

অভিমান || Swapna Dutta Chowdhury
সেদিনের সেই রুপোলি জোছনায়নিঃস্তব্দ রাতে সবাই ঘুমিয়ে,তুমি চলে গেলে,চিরকালের মতঅভিমান

অপরূপ গ্রাম্য ছবি || Swapna Dutta Chowdhury
সোনালী আলোতে সোনা বরণ ধানেঅপূর্ব সে দৃশ্য লাগে,চাষি মনে আশা

সাবাস বলো || Swapna Dutta Chowdhury
আকাশ আমায় দিচ্ছে যে ডাকগানে গানে আজ,ভরা সে থাক ,আকাশ

শ্রদ্ধার্ঘ || Swapna Dutta Chowdhury
মহারাজা তোমারে সেলাম ,তোমার শিল্পকর্মে যা কিছু পেলামতাহা ভুলিবার নয়,

শুধু তোরই জন্য || Swapna Dutta Chowdhury
আয় প্রিয়ে আয়,হাতে হাত ধরে রচিদুজনে চারু আনন্দলোকের সুখের ঘর,যেখানে

শুধু একটিবার বলো ভালোবাসি || Swapna Dutta Chowdhury
আর কিছু চাইনা তোমার কাছেশুধু একটিবার বলো ভালোবাসো,গভীর ভাবে একটু

প্রশ্ন || Swapna Dutta Chowdhury
জানি এ প্রশ্নেরউত্তর জানা নেই তোমার ।এসেছিলে ভালোবাসার ফেরি করতে

প্রথম কদমফুল || Swapna Dutta Chowdhury
মেঘের ডাক গুরু গুরু, ওই বুঝি আসে ভৈরবদাদরা কাহারবা তালের

নাস্তিক নরেন্দ্র || Swapna Dutta Chowdhury
মুখ উজ্জ্বল করিলে দেশেরশিকাগো ধর্ম সভায়,যুবসমাজের আদর্শ তুমি দরিদ্রের একমাত্র

ওরে কাশ ফুল || Swapna Dutta Chowdhury
নীলগগনে ছেঁড়া মেঘের ভাসিয়ে ভেলাআগমনী মায়ের আগমনে আনন্দ বেলা,কাশের বনে
